সংবাদ শিরোনাম

২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং

00:00:00 শুক্রবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , শরৎকাল, ২রা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী
বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ অং সান সু চি আসলে কতটা ক্ষমতাধর : বিবিসি

অং সান সু চি আসলে কতটা ক্ষমতাধর : বিবিসি

পোস্ট করেছেন: মোবারক হোসেন | প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭ , ১২:১০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বহির্বিশ্ব,লিড নিউজ

মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চি

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : মিয়ানমারের সেনাদের সাথে অং সান সু চি’র ২০ বছর ধরে তিক্ত সম্পর্ক থাকলেও এখন একসাথে কাজ করতে হবে।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর অভিযানের প্রেক্ষাপটে অং সান সু চির ভূমিকা নিয়ে বেশ সমালোচনা চলছে। কারণ তিনি তার সরকারের পক্ষে সাফাই দিয়ে বলছেন, রাখাইনে ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’দের বিরুদ্ধে এই সেনা অভিযান।

গতকাল বুধবার মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চি জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেবেন না। চলতি মাসেই জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আর এমন প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে অং সান সু চি আসলে তার দেশে কতটা ক্ষমতা রাখে?

অং সান সু চি’র সরকারি পদবী হচ্ছে ‘রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা’। তিনি এই পদ সৃষ্টি করেছেন, সংবিধানের একটি বিশেষ ধারাকে কেন্দ্র করে; যে ধারাটা মূলত তৈরি করা হয়েছিল তাকেই লক্ষ্য করে। কারণ মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী কারো স্বামী বিদেশি হলে বা বিদেশি নাগরিকত্ব আছে এমন কোনো ব্যক্তি দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না।

মিয়ানমারের অত্যন্ত জনপ্রিয় রাজনীতিক অং সান সু চি এবং ২০১৫ সালে দেশটির জাতীয় নির্বাচনে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডির বিপুল জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

মন্ত্রিসভা এবং তার দলের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বেও আছেন মিস সু চি।
দেশটির প্রেসিডেন্ট তিন কিয়াউ মিস সু চি’র কাছে জবাব দিতে হয়। দেশটির সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল পূর্ববর্তী সামরিক সরকারের আমলে।

১৯৬২ সাল থেকে শাসন ক্ষমতায় ছিল এই সামরিক সরকার । ২০০৮ সালে অবিশ্বাস্য এক গণভোটের মাধ্যমে এই সংবিধানের অনুমোদন দেয়া হয়।

সে সময় সংবিধানের এই অনুমোদনে মিস সু চি কিংবা তার দল এনএলডির কোনো সায় ছিল না। সেনাবাহিনী ঘোষিত ‘ডিসিপ্লিন-ফ্লোরিশিং ডেমোক্রেসি’র পরিকল্পনা ‌নিশ্চিত করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।

এছাড়াও সংবিধানের এই সংশোধনীর আওতায় সংসদের এক চতুর্থাংশ আসন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
তিন কিয়াউ মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হলেও অং সান সু চি’র কাছে তাকে জবাব দিতে হয়।

স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা এবং সীমান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনী। এর অর্থ হচ্ছে দেশটির পুলিশের ওপরও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সেনাবাহিনীর।

শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদের ১১টি আসনের মধ্যে ছয়টি আসনেও রয়েছে সেনাবাহিনী মনোনীত ব্যক্তিরা। গণতান্ত্রিক সরকার বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে এই পরিষদের।

অনেক শীর্ষস্থানীয় পদের দখল করে আছেন সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা। সেনাবাহিনীর ব্যবসায়িক স্বার্থও রয়েছে।
স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতের যৌথ বাজেটের চেয়েও ১৪ শতাংশ বেশি ব্যয় হয় প্রতিরক্ষা খাতে।

২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনী এবং সু চি’র অবস্থান ছিল তীব্র পরস্পরবিরোধী। সু চি ১৫ বছর গৃহবন্দি অবস্থায় ছিলেন।

নির্বাচনের পর তারা একসাথে কাজ করার উপায় খুঁজে বের করেন। জনসমর্থন ছিল তার। মিয়ানমারের জেনারেলদের হাতে ছিল আসল ক্ষমতা। সংবিধান সংশোধনের মতো সু চি’র অনেক চাওয়ার সাথে সেনাবাহিনীর মতৈক্য রয়েছে।

গত ৭০ বছর ধরে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সাথে সীমান্তে বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সাথে শান্তি আলোচনা নিয়েও সেনাবাহিনীর সাথে বিভেদ আছে। তবে তারা অর্থনৈতিক সংস্কার, উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে একমত।

সু চির জনপ্রিয় ‘মন্ত্র’ হচ্ছে ‘আইনের শাসন’। একইসাথে দেশটিতে দ্রুত পরিবর্তনের কারণে সামাজিক উত্তেজনাও বাড়ছে।
বৈরিতা বাড়ছে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে অত্যন্ত সাবধানে পথ চলতে হবে অং সান সু চিকে। রোহিঙ্গাদের জন্য মানুষের মনে একটু হলেও সহানুভূতি রয়েছে।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক নয় বলে সরকারের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, অধিকাংশ বার্মিজও তাই মনে করে।
এমনকি কয়েক প্রজন্ম ধরে এই রোহিঙ্গাদের অনেকেই দেশটিতে বসবাস করে এলেও অনেকেই তাদেরকে অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসী মনে করে।

গত বছরের অক্টোবর মাসে এবং চলতি বছরে আগস্টে পুলিশের পোস্টে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির বিদ্রোহীদের হামলার পর এই বৈরিতা বা দ্বন্দ্ব ব্যাপক বেড়েছে।রাখাইন রাজ্যের স্থানীয় বৌদ্ধরা আরো প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের সাথে তাদের সঙ্ঘাত চলে আসছে। রোহিঙ্গাদেরকে বাঙালি হিসেবে দাবি করে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

রাখাইনের অনেক বৌদ্ধদের বিশ্বাস, তারা শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। এমনকি তাদের পরিচয় বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা রয়েছে তাদের।

রাখাইন ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা এএনপি স্থানীয় বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। বৌদ্ধদের জন্য পুলিশেরও শক্তিশালী সহানুভূতি রয়েছে। পুলিশের প্রায় অর্ধৈক কর্মকর্তাই রাখাইনের বৌদ্ধ।

তবে বাংলাদেশ সীমান্তের সাথে উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যের আসল ক্ষমতায় রয়েছে সেনাবাহিনী। এই রাজ্যে প্রবেশ অত্যন্ত সীমিত এবং নিয়ন্ত্রিত।

দেশটির শক্তিশালী সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মিন অং হেইং এটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, রোহিঙ্গাদের জন্য তার সহানুভূতি নেই।

স্বাধীন গণমাধ্যম
বর্তমানে যে অভিযান রাখাইনে চলছে সেটাকে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ উল্লেখ করে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান বলেছেন, ১৯৪২ সালের আগের একটি সমস্যা শেষ করার জন্যই এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী ওই সময়ে রোহিঙ্গা ও রাখাইন বৌদ্ধদের মধ্যে তিক্ত সাম্প্রদায়িক লড়াই দেখে জাপানি ও ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে সম্মুখযুদ্ধের অবসান ঘটেছিল।

সেনাবাহিনী বলছে, রাখাইনে দেশের বাইরের অর্থায়নে চলা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বর্তমানে লড়াই চলছে। সেনাবাহিনীর এই মতের সাথে রাখাইনের অধিকাংশ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির মিল রয়েছে।

এতে সঙ্ঘাতপূর্ণ এলাকায় ব্যবহৃত ‘ফোর কাটস’ কৌশলের প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।
এই কৌশলের মাধ্যমে সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সমর্থনকারী কোনো সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে। তবে এই ক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও একটি ভূমিকা রয়েছে।

গত পাঁচ বছরে মিয়ানমারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। এর মধ্যে নতুন স্বাধীন গণমাধ্যম, মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এমন একটি দেশে এই উন্নয়ন ঘটেছে যা সম্ভবত এক দশক আগেও কল্পনাতীত ছিল।
কর্তৃপক্ষ নীতিবান?

তবে দেশটির গণমাধ্যম বাংলাদেশের ভেতরে কী ঘটছে অথবা রোহিঙ্গাদের ভোগান্তি কী রকম হচ্ছে তা সীমিত করে দেখিয়েছে।

মিয়ানমারের অধিকাংশ গণমাধ্যমই রাখাইনে বৌদ্ধ এবং হিন্দুদের বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। যারা সংখ্যায় অল্প।

ঘৃণা এবং ভুল তথ্য খুব দ্রুত ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। সুতরাং এটা বলাই যায়, রাখাইন রাজ্যের ঘটনাবলীর ব্যাপারে নিয়ে সু চি’র সামান্য ক্ষমতা আছে।

রোহিঙ্গাদের সমর্থনে কোনো কথা বললেই যে তিনি বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদীদের ক্ষোভ ও তোপের মুখে পড়বেন তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

১৭৬ রোহিঙ্গা গ্রাম জনশূন্য
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের দফতরের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে ভারতের দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, চলমান সেনা অভিযানে গ্রামগুলোর বাসিন্দারা পালিয়ে গেছে।

প্রেসিডেন্টের দফতরের মুখপাত্র জ হতয় এক বিবৃতিতে বলেন, রাখাইন রাজ্যের তিনটি শহরতলি এলাকায় সর্বমোট ৪৭১টি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য। অন্য ৩৪টি গ্রাম থেকেও কিছু কিছু রোহিঙ্গা পালিয়েছে। তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে প্রতিবেশী দেশগুলোতে।

তবে বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শব্দটি নামটি ব্যবহার করেননি জ হতয়। তিনি আরো বলেন, পালিয়ে যাওয়া বাসিন্দারা মিয়ানমারে ফিরতে চাইলে অবশ্যই সবাইকে ফিরে আসার অনুমতি দেয়া হবে না। যাচাইবাছাই করতে হবে। এরপরই মিয়ানমার কেবল তাদের গ্রহণ করতে পারে।

রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে গত ২৫ আগস্ট রাতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এর জেরে সেখানে নতুন করে সহিংস সেনা অভিযান শুরু হয়। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসঙ্ঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে গত কয়েক সপ্তাহে তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

রাখাইনে সহিংসতা দ্রুত বন্ধ করুন : জাতিসঙ্ঘ
জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমরা বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির সম্মুখীন।

রাখাইনে চলমান সহিংসতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং সেখানে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে দেশটির কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিয়েছে জাতিসঙ্ঘ।

এর আগে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ এক জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠকে নিন্দা জানানোর পাশাপাশি সেখানে সেনা অভিযান বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়।

বৈঠক শেষে নিরাপত্তা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইথিওপিয়ার রাষ্ট্রদূত টেকেদা আলেমু এ কথা জানান।
আলেমু বলেছেন, “নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা রাখাইন রাজ্যের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যে সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় চার লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে সেটিরও নিন্দা জানিয়েছে তারা। সেনা অভিযানের সময় অতিমাত্রায় সহিংসতার তারা উদ্বেগ জানিয়েছে।

পাশাপাশি রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করা, পরিস্থিতি শান্ত করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাভাবিক আর্থ-সামাজিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং রোহিঙ্গা শরনার্থী সমস্যার সমাধান করতে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ারও তাগিদ দিয়েছে।”
গত নয় বছরের মধ্যে এই প্রথম মিয়ানমার নিয়ে বিবৃতি দিতে সম্মত হয়েছ নিরাপত্তা পরিষদ।
এদিকে এর আগে লাখ লাখ রোহিঙ্গা যারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে, তাদের সেই পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ ও ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

নিউইয়র্কের একটি সংবাদ সম্মেলনে গুতেরেস বলছেন, “মিয়ানমারে দশকের পর দশক ধরে যে উৎপীড়ন চলছিলো তা এখন এমনই দশায় পৌঁছেছে যে, মিয়ানমারের সীমানা ছাড়িয়ে তা এখন আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণ হয়ে ওঠেছে। সেখানে মানবিক অবস্থাও ‘বিপর্যকর’।”

এরকম পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা দেয়ার জন্য বিশ্বের সব দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।- সূত্র : বিবিসি

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us