আপডেট ১৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৬ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২১ সফর, ১৪৪১

ভ্রমন আট ঘন্টার ট্রেন এবং কাশিম

আট ঘন্টার ট্রেন এবং কাশিম

সোমা ইসলাম, নিরাপদ নিউজ: একটা নিজস্ব জবাবদিহিতার অন্তর্জালের মধ্য দিয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা নিজের মুঠোতে পুরে নিজের শর্তে জীবন যাপনের দীর্ঘশ্বাস নয় বরং শ্বাস নেবার জন্যই আমি জীবনকে সব কিছু থেকে বাঁচিয়ে রাখি। মানুষ তাই করে, আমি এখনও নিজেকে মানুষ ভাবতেই ভালোবাসি। আশপাশের কোন কিছু যেমন প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি, কে কথা দিলো, কে কথা ভাঙলো কার মন রাখবো, কার বিপরীতে বিষ ঢালবো এসবের ধার ধাতে নেই, থাকলেই র্যাটল স্নেক হবে জীবন। জীবন আমার কাছে অলকানন্দা জলের মত পবিত্র সেই জলে আমি আমার মত সাঁতরে চলি। এবার প্রসংঙ্গে ফিরি। শুরুর লাইন দুটো লিখেছিলাম এই কারণে যার ব্যাখ্যা হল আমি সবার সঙ্গে থেকেও একলা চলতে, ঘুরতে, অচেনা শহর, অচেনা মানুষ দেখা আমার নেশার মত। দু’মাস ৩ মাস অন্তর অন্তর আমার এই নেশাকে জীবনের রুটিনে পরিণত করেছি তাই ব্যাগের মধ্যে স্বপ্ব ভরে বেরিয়ে পড়ি। তবে এক ট্রাক ভর্তি টাকা থাকলেও বোধয় আমি ঘুরে ফিরে সেই গঙ্গা পাড়েই ফিরে যাবো, সেই ১৮ বছর বয়স থেকে কলকাতার সঙ্গে আমার পরিচয়। এই শহরটাতে বাতাসে উড়ে কোকেন, কত মানুষের রাত ভোর হয় ক্যাসিনোতে, চায়ের দোকানের মত মোড়ে মোড়ে পাব আর ডিস্কো, একই সঙ্গে সত্যজিৎ আর সৃজিতের কি অপূর্ব মেলবন্ধন এই শহরেই। উত্তর আধুনিকতার আলিঙ্গনেও শেঁকড়ের সাথে বিচ্ছেদ ঘটেনি বলেই আধুনিক শপিং মলগুলোতে ফিনফিনে রমণীরা হণ্যে হয়ে খুঁজতে থাকে সুচিত্রা সেনের সেই মুখ ভরাট সানগ্লাস। কোন রাজনীতি অথবা কোন বিশেষ কারণ নেই ভারতপ্রীতির শুধু একটাই কারণ কলকাতা শহরটা দেখে মনে হয় এখনো মধ্যবিত্ত শাসন করে এই শহরটিকে। সে কারণেই দু’শো বছরের চুরচুর হওয়া দেয়ালের ভাঁজে জন্মায় নয়নতারা। আমার শহরে কবে দেখেছি নয়নতারা?নাড়ি পোতা গাছ উজাড় করে কিম্বা আঁতুড় ঘড় ধ্বংস করে ঘড় বাড়ি দখল শুধু অচেনা অর্কিডে।
ম্যাডাম, স্যান্ডউইচ খাবেন… বাহ! এইটুক ঝিমুনিতে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম। তুমি খাও বলে- বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম কাশিম-এর দিকে। ওর নাম কাশিম আহমেদ। বয়স বিশ। বাড়ি কলকাতার বনেদিপাড়ায়। পড়াশোনা করছে শহরের সব থেকে নামি এবং দামী কলেজে। ছেলেটির বাবা বড় ব্যবসায়ী। মা শহরের নামী হাইস্কুলে অংক পড়ায়। ওরা তিন ভাই এক বোন। বোনটিও বাংলাদেশে ডাক্তারি পড়ছে। এবার বলছি পুরোটা- ৬ সেপ্টেম্বর, ইমিগ্রেশন শেষ করে ট্রেনের কামরা খুঁজে নিলাম। গন্তব্য কলকাতা। লাগেজটা উপড়ে ওঠাবার আগে সীটে যিনি বসে আছেন তার হাতে পাসপোর্ট এবং টিকেট রাখতে দিলাম। থ্যাংকস বলে আমার জায়গায় বসলাম। সময় মত ট্রেন ছেড়ে গেল। টিভিতে কাজ করি সেই সুবাদে টিভিতে দেখা যায় বলে এবং প্রায় কলকাতার যাত্রী বলে ট্রেনের কর্মীরা বেশ ভালোবাসেন। কিছু লাগবে কিনা কিংবা কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা বারবার সেই খবর রাখেন। তবে আমার খুব হাত জোড় করে বলতে ইচ্ছে করে আপনারা এত ভালো কেন, আমার কোন কিছুর প্রয়োজন নেই। অবশেষে বলেছি তাই। ট্রেনের গতির সঙ্গে পেছনে ছেড়ে যাচ্ছে চেনা পথঘাট, সামনে পার হয়ে যাচ্ছি চেনা জনপদের অচেনা ষ্টেশন। প্রায় দেড় ঘন্টা পার হয়েছে সফরের, আমি জানালার বাহিরে মুগ্ধ হয়ে পৃথিবি দেখি, আর ইউ সেলিব্রেটি! শব্দটা কানে এলো কিন্তু উত্তর দিলাম না। ইতিমধ্যে ৩ কাপ ব্ল্যাক কফি এবং ২টা আপেল খেয়ে ফেলেছি। ৩ নম্বর আপেলটা খাবার আগে পাশের যাত্রীর দিকে ঘুরে তাকিয়ে ইশারাতে খাবে কিনা জানতে চাইলাম। ধন্যবাদ বলে ফিরিয়ে দিলো আপেল। এই প্রথম খেয়াল করে দেখলাম সেই পাসপোর্ট হাতে দেয়া আমার পাশের যাত্রীর দিকে। ভীষণ বাচ্চা একটি ছেলে, পায়ে স্যান্ডেল, পড়নে টি শার্টি এবং থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট। চোখ ভর্তি ঘুম ঘুম চেহারা। আবার যে যার মত। আবার সেই একই কথা আর ইউ সেলিব্রেটি! এবার ঘাড় ঘুরিয়ে বললাম তোমার নাম কি। বললো আমি বাংলা পারি না হিন্দি এবং ইংলিশ। মুশকিলে পড়লাম। শেষ মেষ জানালো তার নাম কাশিম। জানালাম আমি সাংবাদিক, টিভিতে একটু আধটু দেখা যায় তাই মানুষ চেনে। আমি কোন তারকা না। কিন্তু সাংবাদিক কথাটা শুনে বেশ মুচকি একটা হাসি দিলো, সেটার মানে যে খুব ভালো কিছু না সেটা টের পেয়েছি। যাই হোক সে কি করে, বাংলাদেশ কেমন লাগে জানতে চাইলাম। ভীষণ হেলেদুলে উত্তরে জানালো ভালো। টুকটাক কথা চলছে এবার বললাম তুমি কি প্রায়ই আসো বাংলাদেশ? জানালো দু’মাস পর পর আসে। কি করো এখানে? জানালো আমি তো ব্রা্উন সুগার আর কোকেন খাই। সে কারণে আমার মা বাবা আমাকে এখানে পাঠিয়ে দেয়। আবার বললাম- কি খাও তুমি! ব্রাউন সুগার আর কোকেন? তোমার বয়স কত? ২০ বছর- কবে থেকে খাও? ৫ বছর- মানে ১৫ বছর বয়স থেকে? কি বলো এসব! আস্তে বলো,- আশে পাশের লোক তাকিয়ে আছে- শুনছে কাশিম। ছেলেটির কোন ভাবান্তর নেই, অপরাধে বোধ নেই। আমি অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। ছলকে উঠলো হাতের কফি, চোখের সামনে ভেসে উঠলো আমার দু’সন্তানের মুখ। মনের অজান্তে মনে পড়লো তার অসহায় বাবা মার কথা।
জানতে চাইলাম ঢাকায় তুমি কোথায় থাকো। বললো তার আপন দুই ফুপুর বিয়ে হয়েছে ঢাকায়। একজন রাজধানীর সবচে’ নামকরা এবং ব্যয়বহুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপ্যাল। ওনার কাছে থাকে। এই শহরে ব্রাউন সুগার, কোকেন আর ক্যাসিনো নেই বলে বাবা মা বড় ভরসা করে সন্তানকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। কাশিমের নানির বাড়ি হায়দ্রাবাদে সেখানে গিয়ে একই কাজ করে বলে বাবা মার ভরসা এই দেশ! জানতে চাইলাম- তুমি এখানে থাকলে ড্রাগস নেও? জানালো দু’মাসে ছুয়েও দেখেনি। কিন্তু না নিলে কি কি কষ্ট হয় সেটার তালিকা দিতে থাকলো। আমি বললাম তুমি এসব নিলে তোমার বাবা মার কি কষ্ট হয় জানো? কি নিষ্পাপ মুখ করে এই প্রথমবার অপরাধীর মত চেহারা করে জানালো সব বুঝি, কিন্তু কি করবো বলতো পারো? সুগার ফ্রি ম্যাডাম। সুগার ফ্রি ম্যাডাম কে? তুমি। এই চার ঘন্টায় আমি যেহেতু বেশ কয়েক কাপ সুগার ফ্রি ব্ল্যাক কফি খেয়েছি সে কারণে কাশিমের কাছে আমার পরিচয় এ নামেই। আমি বেশ জোরে হেসে বললাম ‘সুগার বয়’ মা বাবার কষ্ট বোঝো?
এবার জানতে চাইলাম ড্রাগস নেবার শুরুর গল্প। শহরের নামি ক্লাব এবং নামকরা রেস্তোরাঁগুলোর কথা বললো। কি করে পায় সেসব কথা জানালো তবে সব ড্রাগস আসক্তরা বোধহয় একটা এথিকস মানে সেটা তারা কিছুতেই বলতে চায় না, সেটা হলো তাদের মূল সোর্স। কাশিমকে আমিও টলাতে পারলাম না, কিংবা চাইলাম না। সে যখন দার্জিলিং- এর বিখ্যাত স্কুলে পড়তো তখন বোডিংয়ে থেকে সে কোকেন নেয়া শুরু করেছে কিনা জানতে চাইলাম। জানালো, শোনো সুগার ফ্রি ম্যাডাম আমি এক্সপয়েলড হয়েছি কলকাতায় আর এক্সপ্লোর করেছি দার্জিলিং-এ। মায়ের কষ্ট, আর বাবার ভালোবাসা, ভাই বোনের দুরে সরে যাওয়া সব বুঝি, কিন্তু বন্ধুদের বাদ দিতে পারি না। কথার ফাঁকে তার দুই গার্ল ফেন্ডের ছবি দেখালো। একজন নেপালি, আরেকজন কলকাতারই কলেজ বন্ধু। কিন্তু দুজনের থেকেই পালিয়ে বেড়ায় কারণ দুজনই তাকে ভরসা করে, নেশা ছাড়তে বলে। শেষ মেষ দুজনকেই ছেড়ে দিয়েছে কাশিম।
ট্রেন চলছে। দুপুরে খাবার সময় হয়ে আসলো। আমি আবার তাকে আপেল দিতে চাইলাম- জানালো ওর ফুপু স্যান্ডউইচ বানিয়ে দিয়েছে। উল্টো আমাকে ভাগ দিতে চাইলো। বললাম তুমি খাও। বললাম বড় হয়ে কি ব্রাউন সুগারের ব্যবসা করবে নাকি কোকেনের বিক্রি করবা। এসব কিছুই করবো না। আমি এমবিএ শেষ করতে চাই। নেশা আর পড়ালেখা দুটো এক সাথে চলে না। একটা ছাড়তে হবে। তুমি কোনটা ছাড়বে? বললো নেশাটাই ছেড়ে দিবো, কিন্তু কথা দিতে পারছিনা। মাঝে মাঝে ফোনে বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করছে। দুপুরের খাবার হয়েছে কিনা ফুপু ফোন করে খবর নিচ্ছে। ট্রেনে করে প্রথম দফা যাচ্ছে বলে বাড়ির সবাই একটু পর পর ফোন করছে। যত ফোন দিচ্ছে বিরক্ত হচ্ছে কাশিম। আমার গল্প শুনতে চাইলো। কি বলবো বলো। বললাম আমার দুই বাচ্চা আছে- একটা তোমার সমান, একটা তোমার থেকে ছোট। বেশ গম্ভীর হয়ে বললো, সুগার ফ্রি ম্যাডাম তুমি কি দুধের দাঁত উঠার আগেই বিয়ে করেছো ।
বিকেল গড়াতে শুরু করেছে। ট্রেন কলকাতা স্টেশন পাবো পাবো করছে। কে বলবে ছেলেটা আর বাকি ছেলেদের মত না। কি মেধাবী একটা ছেলে স্কুলের সব পরিক্ষায় কত ভালো রেজাল্ট, কলেজে কত ভালো ছাত্র, খুব ভালো গীটার বাজায়। অথচ পরিবার তাকে দূরে রাখে তাকে সমাজ থেকে লুকিয়ে রাখে। কাশিম ওর বাবাকে ডার্লিং বলে, কিন্তু মায়ের সাথে কথা বলে না। ওর ধারণা মা তাকে আর ভালোবাসে না, অথতচ সে মায়ের ফোনের অপেক্ষা করে। তার আক্ষেপ বাংলাদেশে মেডিক্যাল পড়ুয়া বোনটিকে তার মা নিয়ম করে প্রতিদিন ফোন করে কিন্তু ওকে করে না।
আমি কাশিম এর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। আমি ওর কথা শুনি, কিন্তু কোন শব্দ শুনি না। শুধু মনে হচ্ছে এটা কাশিম নয়, এটা আমার বনিতো (বনিতো আমার ৯ বছরের ছেলের নাম)। নেমে যাবার আগে থেকেই সে বলা শুরু করলো আমাকে সে হোটেলে না নামিয়ে বাড়ি যাবে না। আমি ভালো করে বুঝিয়ে বললাম আমি ফিরতি টিকেট কাটবো ইমিগ্রেশন শেষ করে দেরী হবে আমার। নাছোড়বান্দা সে যাবে না। ধমক দিলাম তাতেও কাজ হলো না, বুঝিয়ে বললাম। ৯ ঘন্টার সফর শেষে যাবার সময় জানতে চাইলো, তোমার নাম কি সুগার ফ্রি ম্যাডামই বলবো। বললাম সোমা ইসলাম।
রাত তখন প্রায় সাড়ে আটটা। হোটেলে উঠে লাগেজ রেখে নিচে গিয়ে ফোনটা এ্যাকটিভ করে বাসায় ফোন করলাম বাচ্চাদের। পরে কিছু টাকা ভাংগিয়ে রুমে ঢুকতেই ফোন। তাকিয়ে দেখি ম্যাসেঞ্জারে কাশিমের ছবি। সে ফোন দিয়েছে।ফেইসবুকে খুঁজে পেয়ে। বললাম হ্যালো, ওপারে বলছে, সুগার ফ্রি ম্যাডাম আমি তোমার হোটেলের নীচে, তুমি নামো।অবাক হয়নি। নামলাম। সেই একই কাপড় চোপড়। বললাম এতদিন পর বাড়ী এলে, আবার বের হলে কেন? জানালো তোমাকে চা খাওয়াবো। হাতে গাড়ীর চাবি। ট্রেনে বলেছিলো তার পাড়ার থানায় ওর নামে পুলিশকে মারাসহ নেশা করে মধ্য রাতে সিগন্যাল ভেঙ্গে গাড়ী চালাবার জন্য প্রায় ৭টি মামলা। আমি সেটা মনে করে হাসলাম। বললো ভয় পাবে না আমি আর আগের মত নাই। ভালো হয়ে গেছি। বললাম তুমি বাড়ি যাও। কিছুতেই যাবে না। মুশকিল আর মায়া দুটোই বাড়ছে।
খানিক পর কাশিম আমাকে বললো তোমাকে একটা কথা বলবো। বলো। তুমি এখন আমাকে একটা জুতা গিফট করবা। দাম সাড়ে তিন হাজার রুপি। আমি বললাম এত টাকা নেই, তিনহাজার আছে। আর তুমি আমাকে চেনো না, কেন টাকা চাইছো? আমি তোমাকে খারাপ ভাবছি। অবাক হয়ে বললো কেন ট্রেনে যে এক সাথে আসলাম। আমি তো তোমাকে চিনি। দিলাম তিন হাজার রুপি। পাশের একটা জুতার দোকানে ঢুকলো। আমি দূর থেকে দেখছি কাশিমকে। কিছু পর আবার আসলো। জানতে চাইলো আমি ওর সাথে গাড়িতে উঠবো কিনা? আমি ওকে চলে যেতে বললাম। জুতার দোকানে ফেলে এসছিলো গাড়ীর চাবি দোকানদার দিয়ে গেলো। চলে যাবার সময় বললো, সুগার ফ্রি ম্যাডাম জিন্দেগি না মিলেগি দু’বারা, ফের মিলেঙ্গে।
কাশিম চলে যাবার পর আমি সেই জুতার দোকানে ঢুকলাম। দোকানীর কাছে জানতে চাইলাম মিনিটি পাঁচেক আগে কেউ জুতা কিনেছে কিনা? দোকানদার বললো ছেলেটি জুতা দেখেছে কিন্তু কিনে নাই। মনে পড়লো কাশিম ট্রেনে বলেছিলো কোকেন ছাড়তে চাই, কিন্তু কথা দিতে পারছে না।
কাশিমের মায়ের কথা মনে হচ্ছে। আচ্ছা কাশিমের মা কি জানে- শুধু কলকাতা না তার ভরসার বাংলাদেশও এখন ক্যাসিনোর শহর! কোন শহরে নিরাপদ কাশিমরা?
৭ সেপ্টেম্বর উঠলাম দিল্লির ট্রেনে। যাবো আজমির। সফর লম্বা। দেখা হলো সিধুর সঙ্গে। .পরের দিন দিল্লি নেমেই সকালে ফোন দিলো কাশিম…।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)