ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫১ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ , হেমন্তকাল, ৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০

রাজশাহী আত্রাই-রাণীনগরে জনমনে স্বস্তি: ১০ বছর যাবৎ আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি শক্ত কাঠামোতে

আত্রাই-রাণীনগরে জনমনে স্বস্তি: ১০ বছর যাবৎ আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি শক্ত কাঠামোতে

সাইদুজ্জামান সাগর,নিরাপদনিউজ: এক সময়ের সন্ত্রাস ও রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে খ্যাত নওগাঁর আত্রাই-রাণীনগর এখন উন্নয়ন নিরাপত্তা ও শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে নানান কায়দায় তৎকালিন সময়ের ক্ষমতাসীনরা বিশেষ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে না পারায় এই জনপদে চলতো পক্ষে-বিপক্ষের ক্ষমতার আধিপথ্য বিস্তারের লড়াই। প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে চলছিলো রক্তের হুলীখেলা। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হলেও নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত কোন এমপি নির্বাচিত হতে পারেনি। প্রায় ৩৬ বছর পর ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দখলে থাকা এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনিত নৌকা’র শক্ত মাঝি মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তার নির্বাচনী অঙ্গীকার মোতাবেক জনগনের জানমাল রক্ষায় বিশেষ সংগঠনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, রাণীনগর থানাপুলিশ, র‌্যাব ও প্রশাসনের ভূমিকায় সর্বহারা-চরমপন্থী, জেএমবি, মাদক ব্যবসায়ী, তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীরা পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার ও তথা কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর এই জনপদে ধীরে ধীরে শান্তি, নিরাপত্তা ও আইন শৃংঙ্খলার উন্নতি হতে থাকে।

 

রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার কারণে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের ১০বছরে বিশেষ সংগঠনের বাহিনীর সদস্যরা এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে কণঠাসা হয়ে পড়ায় এই এলাকায় আর একটিও জবাইয়ের মতো জঘন্ন্য ঘটনা না ঘটায় নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনে এখন নিরাপত্তা, শান্তি ও উন্নয়নের জনপদে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, বিগত প্রায় তিন যুগ ধরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হত্যা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, হানাহানি, মিথ্যা মামলা, দখলবাজী, খুন-জখম ও আতংকিত পরিবেশ-পরিস্থিতির পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্রাই-রাণীনগর দুই উপজেলায় আইন-শৃংখলার অভুতঃ উন্নয়নের নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ১০ বছরে সর্বস্তরের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, ব্রীজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়নসহ ব্যক্তি স্বাধীনতা সু-নিশ্চিত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে একটি মায়ের কোল খালি হয়নি, কোন বোন বিধবা হয়নি, সন্তান এতিম হয়নি, হয়নি কোন পিতা-মাতা পুত্রহারা। যার ফলে এলাকাবাসিরা নিরাপদে তাদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে। কয়েক দফায় পুলিশ ও র‌্যাবের সাথে তথা কথিত বন্দুক যুদ্ধে অন্তত ১৫ জন চরমপন্থী নিহত। বিভিন্ন মামলায় প্রায় দুই শতাধিক জেএমবি সদস্য, নাশকতাকারী ও চিহিৃত সন্ত্রাসীরা গ্রেফতার হয়েছে। যুগ যুগ ধরে এই জনপদে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী বিশেষ বিশেষ মহলের ছত্রছায়ায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, বিভিন্ন কায়দায় প্রকাশ্যে দিবালোকে মানুষকে জিম্মি করে দখল, লুটপাতসহ জনসম্মুখে মানুষকে জবাই করে হত্যা করতো।

দীর্ঘ সময় চিহিৃত সন্ত্রাসীরা গোপনে তাদের তৎপরতা চালালেও অভ্যান্তরীন দ্বন্দের কারণে পক্ষে-বিপক্ষে আধিপথ্য বিস্তারের লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের ৩ মার্চ তারা প্রকাশ্যে আত্রাই উপজেলার যুবলীগ নেতা লাল মোহাম্মদ লালুকে জবাই করে হত্যার মধ্য দিয়ে নওগাঁর আত্রাই-রাণীনগর উপজেলায় জবাই করে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়। এই দুই উপজেলার রাজনৈতিক নেতারা তাদের উপর ভর করে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালাতে শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় একই বছর ২১ মে আত্রাইয়ে কৃষকলীগ নেতা গোলাম নবী, ১০ ডিসেম্বর আওয়ামীলীগ নেতা ও মুনিয়ারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ কে হত্যা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ৩০ মার্চ আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডঃ সিদ্দিকুর রহমান রাজা ও শ্রমিকলীগের আহবায়ক অরুন সরকারকে চরমপন্থীরা গুলি ও জবাই করে হত্যা করে। এই জোড়া খুনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বিশেষ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের আধিপথ্যের আরো প্রসার ঘটে। ২০০০ সালের ১৯ জুন রাণীনগর উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু, ২০০১ সালের ১৫ মার্চ রাণীনগর উপজেলার আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ২০০২ সালের ১০ জানুয়ারি আত্রাই উপজেলার সিংসাড়া গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ২২ মে আত্রাই উপজেলার যুবলীগ নেতা ভুট্টু প্রাং, ২০০৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ঈদের রাতে আত্রাই উপজেলার মদনডাঙ্গা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, ৩ এপ্রিল আত্রাই উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সালামত হোসেন ওরফে সুবাস চৌধুরী, ২৪ এপ্রিল ভোর রাতে আত্রাই উপজেলার নৈদীঘি গ্রাম ঘিরে এক সঙ্গে ৬ জনকে জবাই করে হত্যা করা হয়। হত্যার শিকার এই ৬ জন হলেন, মুনিয়ারি ইউপির সাবেক মেম্বার ও বিএনপি নেতা শুকবর আলীসহ তার ভাই আব্দুল জব্বার, একই গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন, ইকবাল হোসেন বিদ্যুৎ, জাহাঙ্গীর ও শাজাহান আলী। একই বছরের ২১ জুন রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন মাষ্টার, ২২ সেপ্টেম্বর আত্রাই উপজেলার যুবদল নেতা ও ঠিকাদার আইনুল হক ভুট্টু’কে জবাই করে হত্যা করা হয়। ২০০৪ সালের ১২ জানুয়ারি রাণীনগর উপজেলার একডালা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আফজাল হোসেনকে গুলি ও জবাই করে হত্যাসহ এই দুই উপজেলায় প্রায় শতাধিক রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিরা তাদের টার্গেট কিলিংক মিশনের শিকার হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের পহেলা এপ্রিল থেকে রাণীনগর-আত্রাই উপজেলায় শুরু হয় শায়ক আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইয়ের জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামক বিশেষ সংগঠনের আধিপথ্য। মাথায় সবুজ ফিতা, হাতে বড় বড় রামদা ও হকিস্টিক নিয়ে জেএমবি ক্যাডাররা আত্রাই-রাণীনগরে তথাকথিত সর্বহারা-চরমপন্থী দমনের নামে মানুষ মারার অলিখিত হুলিয়া জারি করে চাাঁদাবাজি, লুটতরাজ, অপহরণ, খুন-গুম, ধর্ষনসহ বিভিন্ন কায়দায় একই বছরের ২৬ এপ্রিল ভৌঁপাড়া গ্রামের ফরিদুল ইসলাম কালুকে পিটিয়ে হত্যা, ২৭ এপ্রিল আত্রাই কাশিয়াবাড়ি গ্রামের স্বপনকে পিটিয়ে হত্যা, ৬ মে আত্রাই উপজেলার জামগ্রামের জিল্লুর রহমান ও আব্দুল মজিদকে জবাই করে, ১৭ মে রাণীনগর উপজেলার সরিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম ও আঃ রশিদকে জবাই করে, ২০ মে রাণীনগর উপজেলার সিম্বা গ্রামের ইদ্রিস আলী খেজুর ও আব্দুল কাইউম বাদশাকে প্রকাশ্য দিবলোকে বেধর করে জেএমবি কাম্পে নেওয়ার পর বাংলাভাইয়ের ক্যাডাররা ইদ্রিস আলী খেজুরের লাশ টুকরো টুকরো করে রাণীনগর উপজেলার ভেটি মাদ্রাসার পাশে মাটিতে পুঁতে রাখে এবং আব্দুল কাইউম বাদশাকে হত্যা করে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি গাছে তার লাশ উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখলে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আত্রাই-রাণীনগরের আইন-শৃঙ্খলা অবনতির খবর প্রকাশের ঝড় ওঠে। ২৭ মে আত্রাই উপজেলার কাশিয়াবাড়ি গ্রামের দ্বিপঙ্করকে পিটিয়ে হত্যা, ১৪ নভেম্বর রাণীনগরের কালিগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিয়াউল হক জিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করে জেএমবি ক্যাডাররা। সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১ মে রাণীনগর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আরিফ শেখকে গুলি ও জবাই করে হত্যা করা হয়। ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনিত প্রার্থী মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তার নির্বাচনী অঙ্গীকার মোতাবেক জনগনের জানমাল রক্ষায় বিশেষ সংগঠনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, রাণীনগর থানাপুলিশ, র‌্যাব ও প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকায় সর্বহারা-চরমপন্থী, জেএমবি, মাদক ব্যবসায়ী, তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীরা পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার ও তথা কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর এই জনপদে শান্তি, নিরাপত্তা ও আইন শৃংঙ্খলার উন্নতি হতে থাকে।

দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর চরমপন্থী ও জেএমবি অধ্যুষিত এই অঞ্চলের কৃষকরা গত ১০ বছর ধরে তাদের জমিতে রোপিত ফসলের কোন প্রকার চাঁদা না দিয়ে বিনা বাধায় তাদের প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর জমির ধান গোলায় তোলাসহ ব্যক্তি মালিকানা ও সরকারি খাস পুকুরে চাঁদা ছাড়াই মাছের চাষাবাদ করছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। চরমপন্থী ও জেএমবি ক্যাডারদের হুমকীর মুখে গ্রাম ছাড়া অনেক পরিবার পর্যায়ক্রমে ফিরে এসেছে তাদের নিজ নিজ বাসস্থানে। রাণীনগর-আত্রাই উপজেলায় পুলিশ ক্যাম্প ও আত্রাই উপজেলায় র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপন, প্রতি সপ্তাহে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের থানায় হাজিরা দেওয়ার মাধ্যমে রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে শুরু করে। এছাড়াও আত্রাই-রাণীনগরে পুলিশ ও র‌্যাব’র বিশেষ টহল ব্যবস্থা জোরদার থাকার কারণে দুই উপজেলার মানুষ এখন অনেক রাত পর্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে নিজের কাজ-কর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা করতে পারছেন বলে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে।

্রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসনাত খান হাসান জানান, স্বাধীনতার পর থেকে যারা ক্ষমতায় ছিলেন সে সময়ে চরমপন্থী-সর্বহারা ও নকশাল নামের বিশেষ সংগঠনের নায়করা দীর্ঘ সময় ধরে এই জনপদে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে রক্তের হুলিখেলায় মেতেছিলো। এর ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের মদদে কখনও সর্বহারা কখনও বাংলা ভাইয়ের তান্ডবে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি বিত্তশালীদেরকে নানান কায়দায় হয়রানিসহ জবাই করা শুরু করে। জানমাল ও সম্ভ্রম রক্ষার স্বার্থে প্রাণ ভয়ে এলাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপনে বসবাস করতে বাধ্য হয় অনেকে। ৩৬ বছর পর ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসলে মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে শক্ত অবস্থান নিলে এই এলাকায় ব্যাপক উন্নতি সাধন হয়। প্রায় ১০ বছর ধরে এই এলাকায় কোন বিশেষ বাহিনীর হাতে মানুষ জবাই হয়নি। বর্তমানে দুই উপজেলায় শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বাতাস বইছে।

রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, অপরাধ যারা করে তারা অপরাধী। বর্তমানে অপরাধ করে কারো পার পাবার কোন সুযোগ নেই। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই এলাকায় সর্বহারা-জেএমবি’র হাতে কোন মানুষ হত্যা বা নির্যাতিত হয়নি। আমরা জনগণের সার্বিক সহযোগীতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ ইসরাফিল আলম এমপির সন্ত্রাস বিরোধী কঠোর নির্দেশনা, জনগণের যথাযথ সমন্বয় ও এলাকার রাস্তা-ঘাট অনেক উন্নত হওয়ার কারণে খুব অল্প সময়ে এই জনপদকে জেএমবি-চরমপন্থী সন্ত্রাসীদেরকে দমন করতে সহজ হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)