ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৮

ঢাকা শুক্রবার, ২ ভাদ্র, ১৪২৫ , শরৎকাল, ৫ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

কৃষি, রংপুর আলু উত্তোলনের পর হিমাগারে সংরক্ষণ ও বাজার মূল্য নিয়ে চিন্তিত কৃষক

আলু উত্তোলনের পর হিমাগারে সংরক্ষণ ও বাজার মূল্য নিয়ে চিন্তিত কৃষক

আলু উত্তোলনের পর হিমাগারে সংরক্ষণ ও বাজার মূল্য নিয়ে চিন্তিত কৃষক

ফারুক হোসেন,নিরাপদনিউজ : দিনাজপুরেরর খানসামা উপজেলার কৃষক। এ বছর উপজেলায় গত বছরের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে এ বছর আরো বেশি জমিতে আলু চাষ করেছেন তারা। কিন্তু আলুর ভাল ফলনের পরও হিমাগারের অভাবে বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছে স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এবারে লক্ষ্য মাত্রা ছিল আলু চাষে ৩৮ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু অর্জিত হয়েছে ৪০ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে। আলু চাষে উপযুক্ত মাটির পাশাপাশি এবারে অনুকুল আবহাওয়া থাকায় আলুর ফলন ভালো হবে মাঠ পর্যায়ে আশা করা হচ্ছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়। খানসামায় ভাল আলু উৎপাদিত হলেও গোটা জেলায় মাত্র দুই স্থানে হিমাগার আছে। এর মধ্যে হিমাগার থাকা পার্শবর্তী উপজেলা বীরগঞ্জের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার আর জেলা সদর হিমাগারের দূরত্ব প্রায় অর্ধশত কিলোমিটার। এছাড়া হিমাগার আছে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরত্বের পার্শ্ববর্তী জেলা নীলফারিতে। এই সব হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করে বিক্রি করতে গেলে আলু উৎপদান ব্যায়ের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলার কৃষকরা জানান, আলু চাষে চাহিদা যে রকম আছে আলু সংরক্ষন করার জন্য সরকারী বা বেসরকারী কোন হিমাগার নাই। সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত মূল্যে যেভাবে ধান, চাল, গম ক্রয় ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে, সরকার যদি আলুর ক্ষেত্রে সে ধরণের ব্যবস্থা নেয় তাহলে আলু চাষীরা প্রতি বছর উপকৃত হবেনও শতভাগ আলু চাষ বৃদ্ধি পাবে। এ উপজেলা মাটি সাধারণত আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী। খামারপাড়া গ্রামের কৃষক সালাম ও প্রমোথ রায় বলেন, সরকারী উদ্যোগে এ উপজেলায় হিমাগার নির্মাণ করলে আলু চাষে কৃষক আরো উদ্দোগী হবে। এ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু এ সময় কৃষক দাম পাচ্ছে না।

প্রতি বছর আলুর রোগ বালাই ও দাম কম পেয়েও আলু চাষে আগ্রহী হচ্ছে এ উপজেলার কৃষক। উপজেলা ঘুরে কৃষকরা জানায় শহুরি জমিতে আলুর পরেই ভুট্টা রোপন করবেন। আবার অনেক কৃষক বোরো ধান চাষ করবেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, এবারে আলু গত বছরের তুলনায় বেশি আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছরে আলু চাষে কৃষকরা আরো বেশি আগ্রহী হয়েছে। এ উপজেলায় এমনকি কাছাকাছি কোন হিমাগার না থাকায় আলু সংরক্ষন করতে পাচ্ছেন কৃষক।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)