ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট এপ্রিল ১৫, ২০১৯

ঢাকা মঙ্গলবার, ১১ বৈশাখ, ১৪২৬ , গ্রীষ্মকাল, ১৮ শাবান, ১৪৪০

ধর্মকর্ম আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সূরা মায়েদা
মদীনায় অবতীর্ণ।
আয়াত : ৬৯.৭০; রুকূ : ১৬
৯১. শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও হিংসা সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায হতে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। সুতরাং এখনো কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?
৯২. আর তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করতে থাক ও রাসূলের অনুগত হও এবং সতর্ক থাকো আর যদি বিমুখ থাকো তাহলে জেনে রেখো, আমার রাসূলের দায়িত্ব শুধু স্পষ্টভাবে (আদেশ) পৌঁছে দেয়া।
৯৩. যারা ঈমান আনে ও ভাল কাজ করে, এরূপ লোকদের উপর কোন গোনাহ নেই যা তারা পূর্বে ভক্ষণ করেছে, যখন তারা ভবিষ্যতের জন্য পরহেজ (আরক্ষা) করে, ঈমান রাখে ও ভাল কাজ করে, পুনরায় সংযত থাকে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে। পুনরায় সংযত থাকে ও ভাল কাজ করে; বস্তুত আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।

আল হাদিস
আযানের সূচনা
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, মুসলমানগণ মদীনায় আসার পর সালাতের জন্য অনুমান করে মসজিদে একত্রিত হতেন, সে সময় সালাতের জন্য আহ্বান করা হতো না। একদিন তারা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবী বললেন: নাসারাদের ন্যায় ঘন্টা বানিয়ে নাও। অপর কয়েকজন মত প্রকাশ করলেন: না, তারা নয়; বরং ইয়াহৃদীদের শিঙ্গার ন্যায় শিঙ্গা বানিয়ে নাও। এ সময় উমার (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) বললেন: এক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে দেয়া হোক, সে সালাতের সময় লোকদেরকে আহ্বান করবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেলাল (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু)কে সালাতের জন্য আহ্বান করার নির্দেশ দিলেন।
[বুখারী: ৬০৪]

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)