ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মে ১১, ২০১৯

ঢাকা রবিবার, ১১ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪০

ধর্মকর্ম আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সূরা আনআম
মক্কায় অবতীর্ণ
৫৯. অদৃশ্য জগতের চাবিকাঠি তাঁরই নিকট রয়েছে; তিনি ছাড়া আর কেউই তা জ্ঞাত নয়। স্থলের ও জলের সবকিছুই তিনি অবগত আছেন, তাঁর অবগতি ব্যতীত (বৃক্ষ হতে) একটি পাতাও ঝরে পড়ে না এবং মৃত্তিকার অন্ধকারের মধ্যে একটি দানাও পতিত হয় না। এমনিভাবে কোন সরস ও নিরস বস্তুও পতিত হয় না; কিন্তু তা সবই সুস্পষ্ট কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
৬০. আর সেই মহান সত্ত্বা রাত্রিকালে (নিদ্রারূপে) তোমাদের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকেন, আর দিনের বেলা তোমরা যা কিছু কর, তিনি সেটাও সম্যক পরিজ্ঞাত। অতঃপর তিনি নির্দিষ্ট সময়কাল পূরণের জন্য তোমাদেরকে দিবসে পুনর্জাগরিত করেন। পরিশেষে তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে, তখন তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবেন।

আল হাদিস
৬ নং পরিচ্ছেদ
আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর রাসূল এ কথা স্বীকার না করা পর্যন্ত লড়াইয়ের নির্দেশ
১৩। আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা)- এর ইন্তেকালের পর আবুবকর (রা)-খলীফা নির্বাচিত হলে। তাঁর খেলাফতের প্রথম ভাগে কতিপয় আরবগোত্র বিদ্রোহ ঘোষণাসহ যাকাত দিতে অস্বীকার করে। এতে তিনি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণার সংকল্প করলেন। তখন উমর (রা) আবুবকর (রা)-কে বললেন, আপনি তাদের বিরুদ্ধে কিভাবে জিহাদ করবেন, যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, জনগণ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই” একথা না বলা পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আদিষ্ট হয়েছি। সুতরাং যে ব্যক্তি ঐ কথা স্বীকার করবে, তার জান ও মাল আমার হাত থেকে নিরাপদ করলো। তবে আইনের দাবি ভিন্ন। (অর্থাৎ ইসলামের বিধান অনুযায়ী) দন্ড পাওয়ার যোগ্য কোন অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই সেই দ- ভোগ করতে হবে এবং তাঁর প্রকৃত বিচারের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। ওমর (রা)-এর এ কথায়, আবুবকর (রা) বললেন, “আল্লাহর শপথ যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করেছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই লড়াই করবো। কেননা, যাকাত হলো মালের হক (যেমন সালাত দেহের হক)। আল্লাহর কসম! যদি তারা ছাগলের একটি বাচ্চা দিতেও অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ (সা)-কে প্রদান করতো; আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই লড়াই করবো। এরপর ওমর (রা) বললেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ আবু বকরের অন্তর লড়াইয়ের জন্য খুলে দিয়েছেন। অবশেষে আমি বুঝতে পারলাম যে, এটাই (আবু বকরের সিদ্ধান্তই) যুক্তিযুক্ত ও সঠিক।
(বুখারী-কিতাবুয যাকাত)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)