আপডেট ১৮ মিনিট ২২ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১০ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪০

ধর্মকর্ম আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সূরা আনআম
মক্কায় অবতীর্ণ

৬৫. তুমি বলে দাও, ‘আল্লাহ তোমাদের উর্ধ্বলোক হতে এবং তোমাদের পায়ের তলদেশ হতে শাস্তি প্রেরণ করতে অথবা তোমাদেরকে দলে দলে বিচ্ছিন্ন করতে এবং এক দলকে অপর দলের আক্রমণের স্বাদ গ্রহণ করাতে যথেষ্ট ক্ষমতাবান।’ লক্ষ কর! কিভাবে আমি বিভিন্ন উপায়ে আমার নিদর্শন বর্ণনা করছি। (উদ্দেশ্য হল, বিষয়টিকে) যেন তারা পূর্ণরূপে হৃদয়ঙ্গম করে নিতে পারে।

৬৬. তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা সেটাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, অথচ তা প্রমাণিত সত্য। তুমি বলে দাও, ‘আমি তোমাদের উপর উকিল (কর্মবিধায়ক) নই।’

আল হাদিস

৭ নং পরিচ্ছেদ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা ঈমানের প্রথম অংশ

১৬। সাইদ ইবনে মুসাইয়াব ইবনে হাযন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু তালিবের মৃত্যু উপস্থিত হলে রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর কাছে গেলেন এবং সেখানে আবুজাহ্ল ইবনে হিশাম ও আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমায়্যা ইবনে মুগীরাকে দেখতে পেলেন। রাসূলূল্লাহ (সা) আবু তালিবকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “চাচা! আপনি “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই” এ বাক্যটি বলুন। আমি আল্লাহর দরবারে এ কথার সাক্ষ্য দেবো।” একথা শুনে আবুজাহ্ল এবং আবদুল্লাহ ইবনে উমায়্যা আবু তালিবকে বলতে লাগল, হে আবু তালিব! তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম ছেড়ে দেবে? রাসূলুল্লাহ (সা) আবু তালিবকে এই আহবান জানাতেই থাকলেন এবং তারাও তাকে তাদের ঐ কথা পুনরাবৃত্তি করতে থাকল। শেষ পর্যন্ত আবু তালিব তাদের বললেন, “তিনি আবদুল মুত্তালিবের ধর্মের উপরই (অবিচল) আছেন এবং “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই” এ বাক্য উচ্চারণ করতে অস্বীকার করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, “আল্লাহর শপথ! আমাকে নিষেধ না করা পর্যন্ত অবশ্যই আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকবো। এ প্রসংগে আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করলেন, ‘‘নবী ও মুমিনদের পক্ষে মুশরিকদের মাগফিরাত কামনা করা উচিত নয়; যদিও তারা তাদের নিকটাত্মীয় হয়ে থাকে। একথা পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পর যে, তারা জাহান্নামী। (বুখারী-কিতাবুল জানায়িয)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)