ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৩০ মিনিট ০ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ৭ চৈত্র, ১৪২৫ , বসন্তকাল, ১৩ রজব, ১৪৪০

প্রবাসী সংবাদ ইতালি প্রবাসী রাশেদা-নিরব: বিবাহিত জীবনের নব অধ্যায়

ইতালি প্রবাসী রাশেদা-নিরব: বিবাহিত জীবনের নব অধ্যায়

ইসমাইল হোসেন,নিরাপদ নিউজ : জনপ্রিয় জুটি রাশেদা-নিরব এর প্রথম বিবাহবার্ষিকী। অনাড়ম্বর আয়োজনে বাসাতেই পালিত হয়েছে তাদের এই বিশেষ দিনটি। তাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বন্ধু, স্বজন ও সহকর্মীরা ।তাদের বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাতে অনেকে আবার রাতেই ফুল হাতে বাসায় গিয়েছেন ।

উল্লেখ্যে যে, জনপ্রিয় নিরব ও রাশেদা জুটি ২০১৭সালের ২৫ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন।প্রেমের মাধ্যমে তাদের শুভ পরিণয় ঘটে ।জানা যায়,এখনও কোন সন্তান-সন্ততির জনক হননি তাঁরা। আজকাল বিয়ে তো অহরহ হচ্ছে। বিচ্ছেদও। প্রেমের বিয়ে নিয়ে সমাজে বেশ রসিকতা, কানাঘুষা চলে। প্রেমে পড়াটা সম্পূর্ণ একটা বায়োলজিক্যাল ব্যাপার। বিয়ে প্রেম করেই হোক আর পারিবারিক সম্বন্ধের মাধ্যমেই হোক—পান থেকে চুন খসলেই হলো, তা মেনে নিতে পরিবারে বেশ সমস্যা দেখা দেয়। বিয়ে মানেই জীবনের নতুন রোমাঞ্চ শিহরণ ভরা রোমান্টিক ইনিংসের শুরু। তাতে নানা রকম বৈচিত্র্য থাকবেই।প্রেমের বিয়ে হলে তো কথাই নেই। দুজনের বনিবনা না থাকলে তাঁদের চেহারার মধ্যে বিষন্নতা–কষ্ট–অভিমান ফুটে ওঠে বেশি। তার সঙ্গে একরাশ হতাশা। প্রেম করলাম, ভালোবাসলাম, সবার মতের বিরুদ্ধে দাঁড়ালাম; তারপরও এত কষ্ট কেমন করে সওয়া যায়। প্রেমের বিয়েতে মোহ কাজ করে। ভালোমন্দ, লাভক্ষতি—কোনো কিছুই চোখের সামনে দেখা দেয় না। অন্ধত্ব পেয়ে বসে। ছেলেমেয়ে দুজনেই তাদের দায়দায়িত্ব ভুলে গিয়ে ভালো লাগা নিয়েই সবকিছুতে বিভোর থাকে। পরিবার–পরিজন তখন গৌণ হয়ে যায়। বাবা-মা তখন না পেরে মুখ বন্ধ করে থাকেন। তাঁরা হাজারো ভালো পরামর্শ দিলেও সেসব ভালো লাগে না প্রেম–জুটির। শত্রুতা বাড়িয়ে লাভ কি? নিঃশব্দে সব তরফেই দূরত্ব বাড়তে থাকে। আর এতকিছু ভাবনা চিন্তাকে দূরে ঠেলে দিয়ে রাশেদা ও নিরব তাদের বৈবাহিক জীবনের এক বছর পুর্তি পালন করেছেন ।নব এই দম্পতি প্রেমিকদের উদ্দ্যেশ্যে বলেছেন,বিয়ে হলো একটি বাস্তবতা।

একজীবনের মতো লম্বা একটা ইনিংস। আমৃত্যু থাকতে হবে নট আউট। সেটা প্রেমেরই হোক, কিংবা দুটো পরিবারের পাকাপাকি দেখায়ই হোক। সমস্যা বলে–কয়ে আসে না। আসে দৈব দুর্বিপাকের মতো। সমস্যাকে মোকাবিলার জন্য মানসিক শক্তি, ইচ্ছেই হচ্ছে বড় কথা। সংসার সুখের হয় নানা রকম বোঝাপড়া, সমঝোতার গুণে। বিয়ের গাঁটছড়ার বন্ধন যখন হলো, এখন এটাকে সুখ–প্রশান্তির গৃহ হিসেবে টেকাতে হবে। খুনসুটি হবেই। দু’পরিবার, আত্মীয়স্বজেনর টক্কর কমবেশি সবক্ষেত্রেই হয়। মনোবলকে রাখতে হবে দৃঢ়। ভালোবেসে বিয়ের বড় চ্যালেঞ্জই হলো, সেই সংসারকে সুখের সংসারে রূপান্তর। পারিবারিক বিয়ের চ্যালেঞ্জও একই। যার ঘর ভেঙে যাচ্ছে; সে সব কুল হারাতে চলেছে। ভালোবাসায় ভরে রাখতে হবে বিবাহিত জীবনের সব অধ্যায়। একদা একে অপেরর অচেনাকে করতে হবে চিরচেনার প্রেমের।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)