ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫ মিনিট ২৮ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ২১ শাওয়াল, ১৪৪০

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (মঙ্গলবার) ২৭ নভেম্বর’২০১৮

(ডা: মিলন নিহত)
১৯৯০ সালের এ দিনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ঘাতকের গুলি কেড়ে বিএমএ নেতা ডা: শামসুল আলম খান মিলনের প্রাণ। তার মৃত্যু এরশাদ পতনকে আরো নিশ্চিত করে। এরশাদের পদত্যাগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ১৯৯০ এর ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন হয় । বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন-বিএমএ সেদিন পিজি হাসপাতালে এক জরুরী সভা আহবান করে। এ সভায় যোগদানের পথে টিএসসির মোড়ে সরকার সমর্থিত সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। মিলন হত্যার এক সপ্তাহর মধ্যেই গণবিক্ষোভে এরশাদের পতন ঘটে। গণসংস্কৃতি ও স্বাস্থ্য বিষয়ক একজন কলাম লেখক হিসেবে ডা: মিলন বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন । মিলনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ২১ আগস্ট । পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুরের কলাকোপায়।

তার পিতা বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট শাহাদাতুল্লাহ খান। মা সেলিনা বেগম ঢাকা ইডেন কলেজের অধ্যাপিকা । মিলন ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ থেকে এসএসসি এবং ৭৫ সালে নটরডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাসের পর এসবিবিএস পাস করেন ১৯৮৩ সালে । পিজি থেকে বায়োক্যামিস্ট্রিতে এমফিল করেন ১৯৮৮ সালে। পরের বছর প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগে । ঢাকা মেডিকেলে অধ্যয়নকালে তিনি জড়িত হন জাসদ রাজনীতির সাথে। ৮১-তে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরশাদ সরকার আমলে মজিদ খান শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক তিনি।

১৯৪১ সালের ২৭শে নভেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মস্কোর উপকণ্ঠে জার্মানী ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাদের মধ্যে বিখ্যাত ট্যাংক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ঐ যুদ্ধে জার্মান বাহিনী পরাজিত হয়। জার্মান সেনারা এক মাস আগে অবরোধ করে রাখা সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী দখল করার জন্য ট্যাংক নিয়ে মস্কোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়লে ঐ সংঘর্ষ শুরু হয়। কিন্তু সোভিয়েত বাহিনীর হাতে তাদের পরাজয় ঘটে। ঐ পরাজয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জার্মান বাহিনীর পরাজয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। মস্কোর উপকণ্ঠে সংঘটিত ঐ যুদ্ধে উভয় পক্ষ প্রচুর সংখ্যক ট্যাংক ব্যবহার করায় এটি ট্যাংকের যুদ্ধ নামে খ্যাতি অর্জন করে।

১৯৫৩ সালের ২৭শে নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত লেখক ইউজিন ওনেইল ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৮৮ সালে জন্মগ্রহণকারী এই লেখকের জীবন ছিল ঘটনামুখর। থিয়েটারের প্রতি তার প্রবল আগ্রহ ও অবদানের কারণে ওনেইলকে থিয়েটারের জনক বলে অভিহিত করা হয়। ১৯৩৬ সালে ওনেইল তার বিখ্যাত নাটক “দিগন্তের ওপারে” রচনা ও পরিচালনার জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৮০ সালের ২৭শে নভেম্বর ইরানের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের গোড়ার দিকে ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে এক অভিযানে ইরাকের নৌ বাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। দুই দেশের নৌজাহাজের মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধে ইরাকী নৌ বাহিনীর বহু গানবোট ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া উত্তর পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরাকের একটি তেল ট্যাংকারেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। ঐ সংঘর্ষের মাধ্যমে ইরানের নৌবাহিনী শক্তিমত্তার সাথে পারস্য উপসাগরের ঐ অংশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এ কারণে এ দিনটি ইরানে নৌবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৯৯২ সালের ২৭শে নভেম্বর তুর্কমেনিস্তান, কিরঘিযিস্তান, উজবেকিস্তান, কাযাকিস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান ও আজারবাইজান- অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা “ইকো”তে যোগ দেয়। ঐ সাত দেশের অংশগ্রহণের ফলে এই সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা ১০-এ উন্নীত হয়। এ কারণে এ দিনটিকে ইকো দিবস হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ১৯৮৪ সালে ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা ইকো গঠিত হয়। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা আর.সি.ডি’র তৎপরতা স্তিমিত হয়ে আসার পর অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা ইকো গঠিত হয়। পশ্চিম এশিয়ার দশটি দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা ইকো সহযোগিতা সংস্থার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার সাথে ইকো’র সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। ইকো অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সংস্থায় রূপ নিয়েছে। আর এ সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা ৩৫ কোটি।

৩৬০ হিজরির ২৮শে জি¦লকাদ বিশিষ্ট মুসলিম আলেম আবুল কাসেম তাবারানি ইরানের ঐতিহাসিক শহর ইস্পাহানে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন চতুর্দশ হিজরির বিখ্যাত আলেম ও হাদিস বিশারদ। জ্ঞান অন্বেষণ ও হাদিস সংগ্রহের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন মুসলিম দেশ ঘুরে বেড়ান এবং ৩৩ বছরের গবেষণা ও অধ্যবসায়ের পর তিনি শিক্ষকতার কাজে মনোনিবেশ করেন। তার তত্ত্বাবধানে বহু বিশিষ্ট আলেম গড়ে ওঠেন। হাদিস শাস্ত্রের ওপর তার তিনটি মূল্যবান গ্রন্থ রয়েছে।

৬৫২ হিজরির ২৮শে জি¦লকাদ সিরিয়ার বিখ্যাত চিকিৎসক আসাদ বিন হালাওয়ান দামেস্কি মৃত্যুবরণ করেন। ৫৯৩ হিজরিতে জন্মগ্রহণকারী এই চিকিৎসক- চিকিৎসা বিদ্যায় পারদর্শী হওয়ার পর নিজ গুণে তৎকালীন সেরা চিকিৎসকদের কাতারে শামিল হতে সক্ষম হন। অত্যন্ত দক্ষ চিকিৎসক আসাদ বিন দামেস্কি সাহিত্য, যুক্তিবিদ্যা ও গণিতশাস্ত্রেও পারদর্শী ছিলেন এবং এসব বিষয়ের ওপর তার অনেক বই রয়েছে।

গজনীর সুলতান মাহমুদের কাছে জয়পাল সিংহের পরাজয় (১০০১)
শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক স্যার আজিজুল হকের জন্ম (১৮৯২)
বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উইল করে নোবেল পুরস্কারের জন্য তহবিল গঠন (১৮৯৫)
বিশিষ্ট রাজনীতিক মওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের জন্ম (১৯০০)
ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ (১৯১৪)
মিত্রপক্ষ ও বুলগেরিয়ার মধ্যে নেইউলি চুক্তি স্বাক্ষর (১৯১৯)
আততায়ীর গুলিতে রুমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইয়ার্গাসহ ৬৪ জন নিহত (১৯৪০)
ব্রিটেনের রানীর আয়কর দেয়া শুরু (১৯৯২)
লেখক-গবেষক নরেন বিশ্বাসের মৃত্যু (১৯৯৮)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)