আপডেট ৯ মিনিট ১১ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১০ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪০

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ ১৮ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) ২০১৯

বড়াইবাড়ী সীমান্ত ট্র্যাজেডি
১৮ এপ্রিল ২০০১ ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ’র ৫ শতাধিক সদস্য রাতের আঁধারে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী ও হিজলমারীর দুটি বিডিআর ক্যাম্পে অতর্কিতে হামলা চালায় । বিডিআর সদস্যরা ঘাবড়ে না গিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ করে। সংঘর্ষ চলে দুদিন প্রায়। বিডিআর সদস্য মারা যায় ৩ জন। বিএসএফ সদস্য নিহত হয় ১৬ জন। আহত হয় প্রায় অর্ধশত। দেশীবিদেশী মিডিয়ায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ হিসেবে প্রচারিত হয়। ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয় বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশেই । বাংলাদেশে বিডিআর জোয়ানদের সাহসিকতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিছিল হয় ।

(জহির শাহর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন)
দীর্ঘ ২৯ বছর নির্বাসনের পর আফগানিস্তানের সাবেক বাদশাহ জহির শাহ স্বদেশে পদার্পণ করেন ২০০২-এর এই দিনে। অন্তবতী সরকার প্রধান হামিদ কারজাই ইতালি থেকে জহির শাহকে সঙ্গে নিয়ে দেশে আসেন। ইতালির একটি সামরিক বিমানযোগে ৮৭ বছর বয়স্ক সাবেক বাদশাহ যুদ্ধবিধ্বস্ত কাবুল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌছলে তাকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দেয়া হয়। মন্ত্রীবর্গ এবং আদিবাসী গোত্রপতিরা অভ্যর্থনা জানান তাকে ।
১৯৭৩ সালে তিনি বাদশাহ হিসেবেই ইতালি গিয়েছিলেন ছুটি কাটাতে। তার ইতালি অবস্থানকালে তারই জ্ঞাতীভাই মোহাম্মদ দাউদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আফগানিস্তানকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন। এর পর জহির শাহ আর দেশে ফিরেননি। থেকে যান ইতালিতেই। তালেবান শাসনের অবসানের পর অন্তবর্তী সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। জহির শাহই হলেন আফগানিস্তানে দুরানী রাজত্বের শেষ বাদশাহ।

১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ায় আফ্রিকা ও এশিয়ার ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শহরের নামানুসারে এটি বান্দুঙ্গ সম্মেলন নামে খ্যাত। পূর্ব ও পাশ্চাত্যের দুই পরাশক্তির মোকাবেলায় তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সম্মেলন শেষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিস্তার এবং এই দেশগুলোর নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানানো হয়। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত বান্দুঙ্গ সম্মেলন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর সমন্বয়ে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম গঠনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

ফার্সী ১৩৫৮ সালের এই দিনে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনা বাহিনী ইরানে ইসলামী বিপ্লবের স্থপতি ইমাম খোমেনী (র:) এর কাছে আনুগত্য প্রকাশ। তারা ইসলামী বিপ্লবের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করে ইরানের বিভিন্ন স্থানে নজিরবিহীন সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ সময় ইরানের জনগণ সেনা বাহিনীর এ উদ্যোগকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানায় এবং সেনাবহিনী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলাম ও ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। এ কারণে এ দিবসটিকে সেনা বাহিনী দিবস নামে অভিহিত করা হয়। প্রতিবছর এ দিবস উপলক্ষ্যে ইরানে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।

১৯৯৬ সালের এই দিনে ইহুদীবাদী ইসরাইলের জঙ্গীবিমান দক্ষিণ লেবাননের কানা গ্রামে অবস্থিত জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালায়। ঐ ঘাটিতে শত শত বেসামরিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। ইসরাইলের ঐ নৃশংস হামলায় প্রায় ১১০ জন নিহত এবং আরো বহু মানুষ আহত হয়। শরণার্থী শিবিরে চালানো ঐ গণহত্যায় ১০ বছরের নীচে ৩৩টি শিশুও মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছিল। এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং শেষ পর্যন্ত ইসরাইল বোমা বষর্ণ বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপিত হলে যুক্তরাষ্ট্র তা অনুমদনে বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু জতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদ ইসরাইলী ঐ বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আহ্বান জানায়। যদিও ইসরাইল ঐ আহ্বান কর্ণপাত করেনি কিন্তু তারপরও সাধারণ পরিষদ ইসরাইলকে নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করায় বিশ্বজুড়ে ইসরাইল বিরোধী ক্ষোভ ও ঘৃণা বৃদ্ধি পায়।

হিজরী ১২৬২ সালের এই দিনে মুসলিম বিশ্বের খ্যাতনামা মনীষী শেইখ মোহাম্মদ তাকি রাযি ওরফে নাজাফি ইরানের স্পাহানে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি তার পিতার কাছে প্রাথমিক লেখাপড়া শেষ করেন এবং আরো পড়াশোনার জন্য ইরাকের ধর্মতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র নাজাফে যান। সেখানে তিনি মির্যা মোহাম্মদ হাসান শিরাজি, ও শেইখ মাহদি কাশেফ আল গাতার মত খ্যাতনামা আলেমদের কাছে জ্ঞানার্জন করেন। এরপর জনাব নাজাফি স্পাহানে ফিরে আসেন এবং জনগণের মধ্যে তার ব্যাপক প্রভাব ছিল। সমাজে তার ব্যাপক প্রভাবের কারণে বৃটিশ সা¤্রাজ্যবাদের দালাল হিসাবে খ্যাত বাদশাহ নাসিরুদ্দীন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং এ কারণে বাদশাহ তার প্রভাব খর্ব করার জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালায়। ইরানে বিখ্যাত তামাক আন্দোলনে নাজাফি অগ্রণী ভূমিক পালন করেছিলেন। আন্দোলনের পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় তৎপরতাও অব্যাহত রাখেন। আনোয়ারুল আরেফিন তার অন্যতম একটি মূল্যবান গ্রন্থ।

সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু (১৮৮৯)
মাস্টার দ্য সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে বৃটিশদের অস্ত্রাগার লুট (১৯৩০)
লীগ অব ন্যাশন-এর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি (১৯৪৬)
বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের মৃত্যু (১৯৫৫)
কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন (১৯৭১)
বাংলাদেশের কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ (১৯৭২)
জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতা লাভ (১৯৮০)
বৈরুতে খ্রিস্টান-মুসলমান লড়াই; ১২৮ জনের মৃত্যু (১৯৮৯)
পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট ইসহাক খান কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বরখাস্ত। জাতীয় পরিষদ বিলুপ্ত (১৯৯৩)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)