আপডেট ৭ মিনিট ৫১ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ২ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪০

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (বৃহস্পতিবার) ৩০ মে’২০১৯

(প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত)
৩০ মে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকের দিন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে কালো শাহাদাতবরণ করেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেটি ছিলো একটি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান। বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলো প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় শোক গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালন করে । রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাক নাম ছিলো কমল । তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মনসুর ছিলেন একজন কেমিষ্ট। মা জাহানারা খাতুন ছিলেন করাচি বেতার কেন্দ্রের একজন সঙ্গীত শিল্পী। স্ত্রী খালেদা জিয়া দেশের তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। করাচি একাডেমী স্কুল থেকে ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিক পাশ করে তিনি করাচির ডিজে কলেজে ভর্তি হন। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন ১৯৫৩ সালে। ১৯৫৫ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে কমিশন পান । তিনি ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে প্রথম ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি কোম্পানির নেতৃত্ব দেন। পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীর প্রশিক্ষক ও দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলি হন। ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কোচ্ছেদ করেন। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামস্থ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হন। পরে তিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক হন। বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্বাধীনতার পর বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন ।

১৯৭৩ সালে তিনি বিগ্রেডিয়ার ও পরে মেজর জেনারেল পদ লাভ করেন। ১৯৭৩ সালের ২৫ আগস্ট তিনি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ পদ লাভ করেন। এরপর ৩ নভেম্বর এক সামরিক অভ্যুখানে তিনি বন্দি হন। ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহীজনতার বিপ্লবের পর মুক্তিলাভ করেন। চিফ অব স্টাফ পদে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব লাভ করেন।

১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশ সেবার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি জনগণের ব্যাপক আস্থা লাভ করেন। ১৯৭৭ সালের ২১ মে তিনি ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সংযোগ করেন। বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। ১৯৭৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৮টি আসন লাভ করে। ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল তিনি সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন। ১৯৮১ সালের ২১ এপ্রিল তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ফোরাম সার্ক-এর প্রস্তাব ও পরিকল্পনা উত্থাপন করেন। রাজনীতিতে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি একজন সৎ, একনিষ্ঠ, দেশপ্রেমিক, পরিশ্রমী ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেন। তার শাসনামলে বেশ কয়েকটি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান হয়। শেষ অভ্যুত্থানে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তিনি নিহত হন। ২ জুন জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পার্শ্বে ক্রিসেন্ট লেকের পাড়ে থাকে সমাহিত করা হয়।

(বাংলাদেশে প্রথম টেষ্টটিউব বাচ্চার জন্ম)
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম টেস্টটিউব বাচ্চার জন্ম হয় ২০০১ সালের এ দিনে । তা-ও আবার একটি নয় একত্রে তিনটি। সাভারের হানিফ-ফিরোজা দম্পতির ঘরে তিন তিনটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয় টেস্টটিউব পদ্ধতিতে। ধানমন্ডিস্থ সেন্ট্রাল হাসপাতালে অপারেশন করে শিশুত্রয়কে ভূমিষ্ট করানো হয়। এদের নাম রাখা হয় হীরা, মনি ও মুক্তা। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল (সাবেক পিজি) হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা: পারভিন ফাতেমার তত্ত্বাবধানে ফিরোজা বেগম দীর্ঘ ১৬ বছর নিঃসন্তান জীবনের অবসান ঘটিয়ে ২০০১ সালের ৩০ মে ৩টি বাচ্চার মা হবার এক ব্যতিক্রমী সৌভাগ্য অর্জন করেন। প্রতিবছর এ দিনে হানিফ-ফিরোজা দম্পতি বেশ ঘটা করে কন্যাত্রয়ের জন্মদিন পালন করেন। বহুলোক দেখতে আসে বাচ্চাদের ।

(জৈনপুরী হুজুরের মৃত্যু)
উপমহাদেশে জৈনপুরী হুজুর নামে খ্যাত ধর্মপ্রচারক মওলানা কেরামত আলী’র আজ ইহলোক ত্যাগ দিবস। ১৮৭৩ সালের এই দিনে রংপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রতিবছর আরবি রবিউল আউয়াল মাসের ১০,১১ ও ১২ তারিখে তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে ওরশ উৎসব হয়।
জৈনপুরী হুজুরের জন্ম ১৮০০ সালে ভারতের জৈনপুরে। হযরত আবু বকর সিদিকের পঞ্চবিংশ-তিতম পুরুষ তিনি। ধর্ম প্রচার ও সংস্কারের উদ্দেশ্যে তিনি জৈনপুর থেকে কলকাতা হয়ে যশোর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, আসামের বিভিন্ন এলাকায় ওয়াজ-নছিয়তের মাধ্যমে ধর্ম প্রচার ও সংস্কার করেন। ১২৯০ হিজরি সালে রংপুরের মুন্সিপাড়ায় আবাস গড়েন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। ইসলামের বিভিন্ন শাখায় ছিলো তার অসাধারণ জ্ঞান ও পা-িত্য। অর্ধশত গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন। তার মিফতাহুল জান্নাত আজও উপমহাদেশে একটি মূল্যবান গ্রন্থ হিসেবে স্থান করে আছে। উনবিংশ শতাব্দীতে এ দেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক দুরবস্থায় তিনি সিরাতুল মোস্তাকিমের পথ দেখান ।

১৭৭৮ সালের এই দিনে ফ্রান্সের বিখ্যাত দার্শনিক ও লেখক ফ্রান্সোয়া মেরি অরোয়া ৮৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ওয়াল্টার নামেই বেশি পরিচিত। তিনি জীবনে দুই বার কারাবন্দি হন এবং বৃটেনে তিন বছর নির্বাসিত জীবন কাটান। এসব ঘটনা ফ্রান্স সরকারের প্রতি তার বিদ্বেষকে তীব্রতর করে। ওয়াল্টার বৃটিশ জাতি সম্পর্কে বই লিখেছেন,যা সে সময় ফ্রান্সে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ফ্রান্সোয়া মেরি অরোয়া ওরফে ওয়াল্টার ৫২ টি মূল্যবান বই লিখে গেছেন।

১৯১৮ সালের এই দিনে প্রথম মহাযুদ্ধ চলাকালে ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মারনে নদীর কাছে জার্মান এবং মিত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের সমাপ্তি ঘটে। ৫ বছর ব্যাপী এই সংঘর্ষে জার্মান বাহিনী বিজয় অর্জন করে। জার্মান বাহিনী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও ফ্রান্সকে নিয়ে গঠিত মিত্র বাহিনীর ৫৫ হাজার সৈন্যকে বন্দি করে। মারনে যুদ্ধে বিজয় লাভ করলেও জার্মান বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে নি। তারা মিত্র বাহিনীর শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভাঙ্গতে পারে নি। পরবর্তীতে মিত্র বাহিনীই পাল্টা আক্রমন শুরু করে এবং জার্মান সৈন্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

১৯৬০ সালের এই দিনে রাশিয়ার নোবেল বিজয়ী কবি ও লেখক বরিস পেস্টারনাক মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৮৯০ সালে মস্কোতে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কিছু দিন সঙ্গীত,আইন ও দর্শন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু অবশেষে তিনি কবিতা ও নাটক লেখায় মনোনিবেশ করেন এবং ১৯৩০ সাল থেকে রাশিয়ার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিতি পান। ‘ডক্টর যিভাঙ্গু’ উপন্যাসটি লেখার জন্য তাকে ১৯৫৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। কিন্তু সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকার,তার বিদেশ ভ্রমণ ও নোবেল পুরস্কার গ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মাই সিস্টার লাইভ ও সেকেন্ড বার্থ হচ্ছে তার উল্লেখযোগ্য দুটি কবিতার বই।

ফার্সি ১৩৭১ সালের এই দিনে ইরানের শরীফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট গবেষক জালাল সামিমি ছায়াপথ ও গামা রশ্মির বিকিরণ সম্পর্কে দীর্ঘ ২০ বছর গবেষণার পর ছায়াপথে গামা রশ্মির ৫ টি উৎস আবিস্কার করতে সক্ষম হন। পদার্থ বিজ্ঞানী জালাল সামিমির জন্ম ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাবুলে। তিনি এখনও বিভিন্ন গবেষণা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

হিজরী ১৩২৬ সালের এই দিনে স্বাধীনতাকামী ও সংগ্রামী লেখক নাসরুল্লাহ মালেক মুতাকাল্লেমিন, মোহাম্মদ আলী শাহ কাজারের নির্দেশে গ্রেফতার ও নিহত হন। তিনি হিজরী ১২৭৭ সালে ইরানের ইস্ফাহান শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। হিজরী ১২৯৯ সালে তিনি ভারত সফর করেন। ভারতে বৃটিশদের অত্যাচার-নির্যাতন এবং স্থানীয় মানুষের দু:খ-কষ্ট স্বচক্ষে দেখার পর তিনি ভারতে বৃটিশদের শাসন সম্পর্কে একটি বই লেখেন। তাই সে বই ভারতের শিক্ষিত সমাজ ও আলেম-ওলামাদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বইটি লেখার কারণে ভারতের তৎকালীন বৃটিশ শাসক শ্রেনী ক্ষুব্ধ হয় এবং তাকে ইরানের একটি শহরে নির্বাসনে পাঠায়। নির্বাসনে থাকা অবস্থাতেই জামাল উদ্দিন আসাদাবাদির সাথে তার পরিচয় ঘটে। জামাল উদ্দিন আসাদাবাদির চিন্তা-দর্শন তার উপর গভীর প্রভাব ফেলে এবং তার কন্ঠস্বর অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও বেশি ধারালো হয়ে ওঠে। এক সময় তিনি তার জন্ম স্থান ইস্ফাহানে ফিরে আসেন এবং সেখানে তিনি মানুষকে ধর্মীয় দিক নির্দেশনা দেয়ার কাজে মনোনিবেশ করেন। কিন্তু ইরানের তৎকালীন স্বৈরাচারী কাজার শাসক মোহাম্মদ আলী শাহ,তার উপস্থিতি সহ্য করতে পারে নি। ফলে তার নির্দেশে ১৩২৬ হিজরীর এই দিনে তাকে হত্যা করা হয়।

১৯৮১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে দেশটির সেনাবাহিনীর এক দল বিপথগামীর হাতে নিহত হন। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি বাংলাদেশের বগুড়া জেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন এ দিনটিকে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী হিসেবে পালন করে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট সেনাবাহিনীর বিপথগামীদের হাতে স্বপরিবারে নিহত হবার পর জিয়াউর রহমান সেনা প্রধানের দায়িত্ব নেন। একই বছরের তেশরা নভেম্বর সিপাহি-জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থানের পর ৭ই নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালের ২১ শে এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।

ফ্রান্সের স্বাধীনতাকামী বিস্ময় বালিকা জোয়ান অব আর্ককে পুড়িয়ে হত্যা (১৪৩১)
ক্রিস্টোফার কলম্বাসের তৃতীয় দফা সমুদ্রযাত্রা (১৪৯৮)
উর্দু ও ফরাসি ভাষায় সামশুল আখবার পত্রিকা প্রকাশ (১৮২৩)
উপমহাদেশের বিখ্যাত ধমীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতের দেওবন্দ দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা (১৮৬৮)
কলকাতার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ শুরু (১৮৯৯)
লন্ডন চুক্তির মাধ্যমে বলকান যুদ্ধের অবসান (১৯১৩)
জালিয়া নওয়ালাবাগ হত্যাকা-ের প্রতিবাদে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইংরেজ শাসকদের কর্তৃক দেয়া উপাধি নাইট প্রত্যাখ্যান (১৯১৯)
বাংলাদেশে হা-না ভোট। প্রেসিডেন্ট জিয়ার ব্যাপক ম্যান্ডেট লাভ (১৯৭৭)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)