ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৩ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ৪ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৯ সফর, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (সোমবার) ১৭ জুন’২০১৯

(বিশ্ব মরুময়তা দিবস)
দিন যতো যাচ্ছে এ দিবসটির তাৎপর্য ও গুরুত্ব ততো বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী মরুময়তা একটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘের পরিবেশ সম্মেলনে মরুময়তা রোধে ইন্টার গভর্নমেন্টাল নেগোসিয়েটিং কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটিকে মরুময়তা রোধ সংক্রান্ত একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হয় ১৯৯৪ সালের জুনে। এই নীতিমালা ৫০টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। পরে ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মরুময়তা রোধ সংক্রান্ত কিয়োটো সম্মেলনে প্রতি বছর ১৭ জুন বিশ্ব মরুময়তা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মরুকরণ’ বা মরুময়তা বাংলাদেশের জন্য এখনো ততোটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নয়। যদিও দেশের দক্ষিণ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে খরাকবলিত হয়ে ভূমির অবক্ষয় হচ্ছে। বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চল উল্লিখিত সমস্যার সম্মুখীন। এই প্রেক্ষাপটে গভীর উৎসাহের সঙ্গে কনভেনশনে একমত হয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মরুময়তা দিবসের সঙ্গে একাত্ম হয়েছে। তবে মরুকরণ রোধের মূল যে বিপ্লব তাতে ভিন্নভাবে সরকার তৎপর রয়েছে। সেটি হচ্ছে বৃক্ষরোপন। মরুকরণের বিস্তার রোধে অধিক বৃক্ষরোপণই হচ্ছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যেসব বৃক্ষ পানি ধরে রাখে আর জমির মান অক্ষুন্ন রাখে সেগুলো রোপণ করার তাগিদ দিচ্ছে এই দিবস ।

(বন্দে আলী মিয়ার মৃত্যু)
কবি, ঔপন্যাসিক, শিশু সাহিত্যিক বন্দে আলী মিয়ার আজ মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে তিনি রাজশাহীতে ইন্তেকাল করেন। কবিতায় পল্লী প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনায় বিশেষ নৈপুণ্যতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। প্রকৃতির বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা বলতে যা বোঝায় তা ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। ময়নামতির চর, অনুরাগ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থে তার ব্যতিক্রমী কবি প্রতিভার স্বাক্ষর ফুটে ওঠেছে। গদ্যে-পদ্যে বহু সরস শিশুপাঠ্য রচনা করেছেন। শিশু সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ৬২ তে বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং ৬৫ তে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার পেয়েছেন। তার শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্যে চোর জামাই, মেঘ কুমারী, মৃগপর, বোকা জামাই, কামাল আতাতুর্ক, ডাইনী বউ, রূপকথা, ছোটদের নজরুল, শিয়াল প-িতের পাঠশালা অন্যতম। একজন চিত্রশিল্পী হিসেবেও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। বন্দে আলী মিয়ার জন্ম ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনার রাধানগরে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখায় বেশিদূর এগুতে পারেননি। পাবনার মজুমদার একাডেমী থেকে ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিক পাসের পর কলকাতা আর্ট এ্যাকাডেমীতে ভর্তি হয়েছিলেন। পড়ালেখা ক্ষান্ত দিয়ে শুরু করেন সাংবাদিকতা। ১৯৩০ থেকে ৪৬ পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন কলকাতা কর্পোরেশন স্কুলে। দেশ বিভাগের পর পাবনায় এসে ছোটদের পত্রিকা কিশোর পরাগ, শিশুবার্ষিকী, জ্ঞানের আলো প্রভৃতি সম্পাদনা করেন। ১৯৬৫ তে প্রথমে ঢাকা বেতারে ও পরে রাজশাহী বেতারে চাকরি করেন ।

১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে বৃটেনের বিখ্যাত রসায়নবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী জোসেফ প্রিষ্টলি “ফিল্ড হেল্ড” শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এমন এক যুগে বাস করতেন যাতে বলা হতো রসায়নের সোনালী যুগ। কারণ ঐ যুগে রসায়ন বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছিল। বৃটিশ এই বিজ্ঞানী গবেষণা করে উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সহস্য এবং অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন। জোসেফ প্রিষ্টলি ১৮০৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৪ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন বিমান বাহিনী জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফুকুলা শহরে হামলা শুরু করে। টোকিওকে আত্মসমর্পনে বাধ্য করার জন্যই ঐ হামলা চালানো হয়েছিল। জাপানের বিভিন্ন শহরে মার্কিন ঐ বিমান হামলায় বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছিল এবং অসংখ্য কারখানা ও ক্ষেতখামার বিনষ্ট হয়েছিল। এরপর ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে জাপানের নাগাসাকি ও হিরোশিমা শহরে পরমাণু বোমা নিক্ষেপের মাধ্যমে ঐ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।

১৯৬৩ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে রাশিয়া থেকে বিশ্বের প্রথম মহিলা নভোচারী ভ্যালেন্টিনা টেরেসকোভা মহাকাশ পাড়ি দেয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। তিনি যখন কক্ষ পথে অবস্থান করছিলেন তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের আরেক নভোচারী বায়কোভোস্কি পৃথিবীর চারিদিকে ভ্রমণে ব্যস্ত ছিলেন। বিশ্বের প্রথম পুরুষ নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন মহাকাশ সফরের দুই বছর পর ভ্যালেন্টিনা টেরেসকোভা মহাকাশ সফরে যান। তিনি ৭০ ঘন্টা ৫০ মিনিটে ৪৭ বার পৃথিবী প্রদক্ষীণ করেন।

ফার্সী ১৩৫৮ সালের খোরদাদ মাসের এই দিনে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ইমাম খোমেনী (র:) স্বনির্ভরতা অর্জন এবং দারিদ্র্য দূর করার জন্য ইরানে পুনর্গঠন ও কৃষি উন্নয়ন আন্দোলন বা জেহাদে স’যান্দেগি বিভাগ গঠনের কথা ঘোষণা করেন। ইমাম খোমেনী (র:) এর এই ঘোষণার পর সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নতির জন্য দেশের সকল স্তরের জনগণ বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ এগিয়ে আসে। ইমাম খোমেনী (র:) এর এই ঘোষণা মূলত ইসলামী বিপ্লবের চেতনা থেকেই উৎসারিত এবং তার এ পদক্ষেপ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের ভাগ্য উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রাখে। তাছাড়া দীর্ঘ আট বছরের প্রতিরক্ষা যুদ্ধেও ইরানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জেহাদে স’যান্দেগি ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল। একই সাথে ইরানসহ তানজানিয়া, ঘানা, জিম্বাবুয়ের মত আফ্রিকা মহাদেশের আরো কয়েকটি দেশে গ্রামীন শিল্প, কৃষি, পশু পালন, বাধ নির্মান প্রভৃতি ক্ষেত্রেও জেহাদে স’যান্দেগির ভূমিকা অনস্বিকার্য।

হিজরী ৬৪৩ সালের এই দিনে মিশরের বিখ্যাত ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞ, ভাষাবিদ ও মোফাস্সিরে কোরআন আবুল হাসান আলী বিন আব্দুস সামাদ শাফেঈ পরলোক গমন করেন। তিনি মিশরের সাখা এলাকায় জন্ম গ্রহণ করেন এবং এ জন্য তিনি সাখাভি নামে পরিচিত। জ্ঞানার্জনের জন্য তিনি সিরিয়া গমন করেন এবং দামেস্কেই বসবাস শুরু করেন। তার রচিত কয়েকটি বইয়ের মধ্যে জাওয়াহের বা অলঙ্কার এবং সাফার আস্ব্জ€Œ সায়াদাহ উল্লেখযোগ্য।

ইতিহাসের এই দিনে সংঘটিত আরো কিছু উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনার মধ্যে রয়েছে ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে জার্মানীর সাধারণ নির্বাচনে সমাজতান্ত্রিক পার্টি জয় লাভ করে।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে এক নায়ক বাকশাল সরকার কর্তৃক সংবাদপত্র ব্যবস্থাপনা আদেশ জারি করা হয় এবং চারটি দৈনিক পত্রিকা ও ১২৪ টি সাময়িকী ব্যতীত সকল পত্র পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়।

১৫৭৬ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে হল্যান্ডের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের নেতা উইলিয়াম সিলেন্ডি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর ১৫৬৮ সালে এ আন্দোলর আরো জোরদার হয় এবং অবশেষে সাতটি প্রদেশ নিয়ে হল্যান্ড স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্ম প্রকাশ করে। কিন্তু এরপরও স্পেনের সৈন্যরা হল্যান্ডের জনগণের উপর দমন অভিযান চালায়। ১৬০৯ সালে স্পেনের বাদশাহ ও হল্যান্ডের স্বাধীনতাকামী নেতাদের মধ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এর মাধ্যমে স্পেন হল্যান্ডকে স্বাধীন দেশ হিসাবে মেনে নিয়েছিল। স্বাধীনতা লাভের পর হল্যান্ড ধীরে ধীরে অন্য দেশগুলোতে উপনিবেশ গড়ে তোলে এবং ১৭শ খ্রীষ্টাব্দে হল্যান্ড ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ঔপনিবেশিক শক্তিতে পরিণত হয়। কিন্তু এই শতাব্দীর শেষের দিকে বিভিন্ন দেশের উপর হল্যান্ডের কর্তৃত্ব খর্ব হয়।

১৯২৫ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে জেনেভায় জীবাণু ও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী যে কোন যুদ্ধে গণবিধ্বংসি রাসায়নিক ও জীবণু অস্ত্র ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রথমে ২৯টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং এরপর আরো আনেক দেশ তাতে স্বাক্ষর করে। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালে জার্মানী রাসায়নি ও জীবাণু অস্ত্র ব্যবহার করার কারণে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বিবেচনা করে তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত অনেক দেশ এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। উদাহরণস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধে এবং ইরানের উপর চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধে ইরাকের সাবেক সাদ্দাম সরকার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছিল।

১৯৪৪ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে আইসল্যান্ডের জনগণ ডেনমার্ক থেকে পুরোপুরি স্বাধীনতা লাভ করে এবং প্রতি বছর এই দিনটিকে তারা জাতীয় দিবস হিসাবে পালন করে। ১৭শ শতাব্দী পর্যন্ত আইসল্যান্ড স্বাধীন দেশ হিসাবে টিকে ছিল। কিন্তু এরপর প্রথমে নরওয়ে এবং পরে ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দে ডেনমার্ক আইসল্যান্ডের জন্য পৃথক পার্লামেন্ট গঠনের অনুমতি দেয়। এরও বেশ ক’বছর আইসল্যান্ডের জনগণ আরো বেশী অধিকার ফিরে পায় এবং ১৯১৮ খ্রীষ্টাব্দে আইসল্যান্ড স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেও ডেনমার্কের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে থাকে। কিন্তু ১৯৪৪ খ্রীষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত এক গণভোটের ভিত্তিতে আইসল্যান্ড ও ডেনমার্কের জোট বা ইউনিয়ন বাতিল করা হয় এবং আইসল্যান্ড পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। এপর ১৯৪৯ সালে দেশটি ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।

হিজরী ৪৩০ সালের এই দিনে বিখ্যাত মুসলিম বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ ও গণিতবিদ ইবনে হিশাম মিশরের রাজধানী কায়রোয় পরলোক গমন করেন। তিনি হিজরী ৩৫৪ সালে দক্ষিণ ইরাকের বসরায় জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ইবনে হিশাম ব্যাপক অধ্যয়নের পর গণিত শাস্ত্রে পান্ডিত্য অর্জন করেন। একই সাথে তিনি চিকিৎসা, দর্শন ও জ্যোতির্বিদ্যায়ও পারদর্শীতা অর্জন করেন। তিনি আলোক রশ্মি ও এর প্রতিফলনের উপরও ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে এ ব্যাপারে নিজস্ব থিওরী বা বক্তব্য পেশ করেছিলেন। ইবনে হিশাম গণিত শাস্ত্রেও নতুন পদ্ধতি বা ধারার সূচনা করেন। গণিত ও চিকিৎসা বিষয়ে তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন।

ইতিহাসের এই দিনে আরো যেসব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দে সোভিয়েত ইউনিয়ন লাতভিয়া দখল করে নিয়েছিল।

১৯৬৭ খ্রীষ্টাব্দে চীন প্রথম হাইড্রোজেন বোমা তৈরী করে। ১৯৯৬ খ্রীষ্টাব্দে দক্ষিণ এশিয়া উন্নয়ন তহবিল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া আজ বিশ্ব মরুময়তা দিবস।

খলিফা হযরত ওসমান (রা:)ঘাতকের হাতে নিহত (৬৫৬)
স্কটিশ বিদ্রোহীদের হাতে স্কটরানী ম্যার বন্দি (১৫৬৭)
স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক নিউ আলবিত্তনে কর্তৃক ইংল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ঘোষণা (১৫৭৯)
ইংরেজ দখল থেকে কলকাতা পুনরুদ্ধারে নবাব সিরাজউদদৌলার অভিযান পরিচালনা (১৭৫৬)
বাংকার হিলে আমেরিকার প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু (১৭৭৫)
যুদ্ধ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ বিরোধী নেত্রী বাসির রানী লক্ষীবাইর মৃত্যু (১৮৫৮)
পল্টন ময়দানের জনসভায় মওলানা ভাসানী কর্তৃক পাকিস্তানকে আসসালামু আলাইকুম জ্ঞাপন (১৯৫৫)
চীনের প্রথম হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ (১৯৬৭)
পার্লামেন্টে আইন করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের অবসান (১৯৯১)
দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন তহবিল প্রতিষ্ঠিত (১৯৯৬)
কিংবদন্তী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট থাবো এমবেকির কাছে দঃ আফ্রিকার ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় (১৯৯৯)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)