আপডেট ৫১ মিনিট ৯ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৫ সফর, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (শুক্রবার) ১২ জুলাই ২০১৯

১৩৮৭, ১২ জুলাই ২০০৮ এবং ২৭ শে আষাঢ়। ৭১১ খ্রিষ্টাব্দের ঠিক এই দিনে তারেক বিন যিয়াদ তার বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করে। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপে ইসলামের বিকাশ ও উন্নয়নের সূত্রপাত হয়,যার ফলে আজকের ফ্রান্স পর্যন্ত ইসলামের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। তারেক বিন যিয়াদ মরক্কো এবং স্পেনের মধ্যবর্তী জাবালুত তারেক বা জিব্রাল্টা প্রণালী হয়ে স্পেনে প্রবেশ করেন। ভূমধ্যসাগরের সাথে আটলান্টিক মহাসাগরের সংযোগ জলপথ এই জিব্রাল্টা প্রণালী। স্পেনের ভূখ- আন্দালুসিয়া বিজয়ের পর মুসলমানরা ৮ শ’ বছর এই ভূখ- শাসন করে এবং ইউরোপে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতার বিকাশ ঘটায়।

১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ঠিক এই দিনে ফিলিস্তিনের বাইতুল মোকাদ্দাসে হোটেল মালেক দাউদে ইহুদিবাদী ইসরাইলী সেনারা ভয়াবহ বোমা হামলা চালায়। ঐ হোটেলে ফিলিস্তিনীদের যাওয়া-আসা ছাড়াও বিদেশী পর্যটক এবং ভ্রমণকারীরা বাস করতো। মালেক দাউদ হোটেলের বেইজমেন্টে রাখা বোমার বিস্ফোরণে অন্তত ২০০ মানুষ মারা যায়। মৃতদের মধ্যে ১৫ ইহুদিও ছিল। এ থেকে অনুমিত হয় যে,ইহুদিবাদী ইসরাইল নিজেদের আধিপত্যকামী লক্ষ্য হাসিলের জন্যে স্বয়ং ইহুদিদের প্রাণ নিতেও দ্বিধা করে না।

১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে ইরানের বিশিষ্ট মনীষী আল্লামা সাইয়্যেদ তাহের সাইয়্যেদযাদেহ হাশেমী ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কেরমানশায় ইন্তেকাল করেন। তিনি ইসলাম সম্পর্কে বহু বই লিখেছেন। ছাত্রদের পড়িয়ে এবং দ্বীনী বহু গ্রন্থ লিখে ইসলামের যে খেদমত তিনি করে গেছেন তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে আজো লেখা রয়েছে। আল্লামা সাইয়্যেদযাদেহ হাশেমী ক্যালিগ্রাফি বা চারুলিপীকর্মেও বেশ দক্ষ ছিলেন। বিশেষ করে তিনি তুর্কি সোল্স লিপী স্টাইলের ক্যালিগ্রাফিতে ব্যাপক অবদানও রেখেছেন। সোল্স অক্ষরে তিনি পবিত্র কোরআন ছাড়াও সহিফায়ে সাজ্জাদিয়াও লিখেছেন। আরবি,ফার্সি এবং কুর্দি-এই তিনটি ভাষায় তিনি দক্ষ ছিলেন। এই তিন ভাষায় তিনি বহু ধরনের কবিতা,গান-গযল এবং কসীদা লিখেছেন।

২০০৬ এর ১২ জুলাইতে ইসরাইলী সেনারা পুনরায় জল-স্থল এবং আকাশপথে লেবাননের ওপর হামলা চালায়। লবাননের হিযবুল্লাহ সংগ্রামীরা প্রতিরক্ষামূলক এক অভিযানের সময় ইসরাইলী ২ সেনাকে আটক করে, এই অজুহাত দেখিয়ে ইসরাইল লেবাননের ওপর আক্রমণ চালায়। মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত এই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল লেবাননের হিযবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার মধ্য দিয়ে দুর্বল করে তোলা,যাতে লেবানন কোনোদিন ইসরাইলের সামনে দাঁড়াতে না পারে। তাদের আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল এই যে, যুদ্ধের ফলে লেবাননের অর্থনৈতিক মেরুদ- ভেঙ্গে পড়লে সেদেশের জনগণ যেন হিযবুল্লাহর ওপর থেকে তাদের সমর্থন ফিরিয়ে নেয়। এই লক্ষ্যে ইসরাইলী সেনারা অন্তত ১০ হাজার বার বিমান হামলা চালিয়েছে। তাদের এই হামলায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। তারপরও লেবাননের জনগণ হিযবুল্লাহর ওপর থেকে মুখ ফেরায় নি। ফলে ইসরাইলীদের লক্ষ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং তাদের এই পরাজয় ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করে। উল্টো বরং অধিকৃত ফিলিস্তিনে ইসরাইলী স্থাপনায় হিযবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এবং ইসরাইলীদের স্থলবাহিনীর বিরুদ্ধে হিযবুল্লাহর ব্যাপক প্রতিরোধের ফলে ইসরাইলের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইসরাইল তাই যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে নিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে।

হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর কাছে আকাবায় মদিনাবাসীর প্রথম শপথ অনুষ্ঠিত (৬২১)
হুসাইন কুলি খান বাংলার শাসক নিযুক্ত (১৫৭৬)
ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শিবাজির মৈত্রী চুক্তি (১৬৭৪)
ভারতের তৈরি প্রথম বাষ্পীয় জাহাজ ডায়না’র কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা (১৮২৩)
ব্রিটেনের সাইপ্রাস দখল (১৮৭৮)
একে ফজলুল হকের সম্পাদনায় দৈনিক নবযুগের প্রকাশ (১৯২০)
মস্কোতে ইঙ্গ-রুশ চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৪১)
তাবলীগ জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস (রা:)’র ইন্তেকাল (১৯৪৪)
বিশ্বকাপ ফুটবলে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৮)
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে সংঘর্ষে ৮ ছাত্রলীগ নেতা নিহত (২০০২)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)