আপডেট ২১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ১ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৬ মুহাররম, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (শনিবার) ৩১ আগস্ট ২০১৯

-১৯৫৭ সালের এই দিনে মালয়েশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। খ্রীষ্টিয় ১৩ শতকে মালয়েশিয়ার জনগণ ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। এরপর ১৬ শতকের প্রথম দিক থেকে ইউরোপীয়রা মালয়েশিয়ায় প্রভাব বিস্তার শুরু করে। প্রথমে পর্তুগালের আগমণ ঘটে এবং ১৭ শতকে দেশটির উপর হল্যান্ডের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮২৪ খ্রীস্টাব্দে হল্যান্ড ও বৃটিশ সরকারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ঐ চুক্তি অনুযায়ী মালয়েশিয়া বৃটিশদের অধিনে এবং ইন্দোনেশিয়া হল্যান্ডের অধিনে চলে যায়। মালয়েশিয়া স্বাধীনতা লাভের আগ পর্যন্ত বৃটিশ উপনিবেশবাদীদের কবলে ছিল।

-১৯৬২ সালের এই দিনে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো বৃটিশ উপনিবেশবাদীদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। এ দিনটিকে তারা জাতীয় দিবস হিসাবে পালন করে। প্রথমে স্পেনীয়রা দেশটিতে উপনিবেশ স্থাপন করলেও ১৮০২ খ্রীস্টাব্দে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোকে বৃটিশদের হাতে ছেড়ে দেয়া হয়। ত্রিনিদাদ ও টোবাগো আলাদা দেশ হলেও বৃটিশরা আসার কিছু দিন পর এই দুই দেশ একিভূত হয়ে একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

– ১৯৭৮ সালের এই দিনে ইমাম মুসা সাদর লিবিয়া সফরকালে রহস্য জনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। ইমাম মুসা সাদর ইরানের ধর্মীয় নগরী কোম শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। পড়ালেখা শেষ করে তিনি লেবাননে যান। সে সময় লেবাননের মুসলমানদের আর্থ রাজনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না। ইমাম মুসা সাদর এ কঠিন পরিস্থিতি থেকে লেবাননের মুসলমানদেরকে উদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি ‘সুপ্রিম কাউন্সিল অব লেবানিজ শিয়া মুসলিম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন যা দেশটির পার্লামেন্টেও অনুমোদন লাভ করে। ইমাম মুসা সাদর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনী জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রতিও সমর্থন জানান। এ জন্য তিনি লেবাননে ফিলিস্তিনীদের অধিকার বিষয়ক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

– ১৯৯১ সালের এই দিনে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। উজবেবিস্তান খ্রীস্টপূর্ব ৬০০ বছর আগে থেকে ইরানের হাখামানেশি সা¤্রাজ্যের অধিনে ছিল। ইসলামের আবির্ভাব এবং খ্রীষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে মুসলমানরা উজবেকিস্তান জয় লাভ করার পর খুব দ্রুত সেখানে ইসলামী আদর্শ ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটে। খ্রীষ্টিয় নবম শতাব্দীর শেষের দিকে ইরানের সামানিয়ান শাসকরা উজবেকিস্তানের ক্ষমতা অধিগ্রহণ করলে সেখানে ইরানী সংস্কৃতি ও ফার্সী ভাষার ব্যাপক অনুপ্রবেশ ঘটে। কিন্তু মোঘলদের হামলায় উজবেকিস্তানের অপূরণীয় ক্ষতি হয় এবং উজবেক গোত্রের মানুষদের সেদেশটির ক্ষমতায় আসার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এরপর দীর্ঘ ইতিহাস পেরিয়ে ১৮৭৬ সালে রাশিয়া উজবেকিস্তান দখল করে।

-১৯৯১ সালের এই দিনে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আরেক প্রজাতন্ত্র কিরঘিজিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। কিরঘিজিস্তান এ দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসাবে উৎযাপন করে। ১৩ শতকে এই এলাকায় মোঘলদের আগমণের পর কিরঘিজ গোত্রের লোকদের প্রভাব বিস্তার শুরু হয়। এরপর ১৮৭৬ সালে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে কিরঘিজিস্তানের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। শেষ পর্যন্ত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার পর অন্যান্য প্রজাতন্ত্রের মত কিরঘিজিস্তানও এই দিনে স্বাধীনতা লাভ করে।

-২০০৫ সালের এই দিনে ইরাকের কাজেমাইন শহরে এক শোকানুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ইরাকী মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়। ইমাম মুসা কাজেম (আ:) এর মাজার প্রাঙ্গনে শোকানুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য দশ লক্ষেরও বেশী মানুষ সমবেত হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি বিস্ফোরণের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত লোকজন হুড়াহুড়ি করে ঐ এলাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভীড়ে পদপিষ্ট হয়ে এবং একটি ব্রীজ ভেঙ্গে ঐ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

– ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ সরকারের ভারতের শাসন ভার গ্রহণ (১৮৫৮)
-বঙ্গভঙ্গ বিল পাস (১৯০৫)
– ইংল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে ইঙ্গ-রুশ মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর (১৯০৭)
– কলকাতায় খাদ্যের দাবিতে কৃষকদের ভুখা মিছিলে গুলি বর্ষণ। ৮০ জন নিহত (১৯৫৯)
– ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর স্বাধীনতা লাভ (১৯৬২)
– ভারতের তৈরি উপগ্রহ রোহিনীর আকাশ পথে যাত্রা (১৯৬৮)
-ইরানের খোরাসানে মারাত্মক ভূমিকম্পে ১৮ হাজার নিহত (১৯৬৮)
– বাংলাদেশকে চীনের স্বীকৃতি (১৯৭৫)
– সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত উজবেকিস্তান ও কিরঘিজিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা (১৯৯১)
– প্যারিসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিন্সেস ডায়না ও দোদি আল ফায়েদ নিহত (১৯৯৭)
– ঢাকার মিরপুরে গার্মেন্টসে অগ্নিকা-ে ২৬ জন নিহত (১৯৯৭)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)