ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১৬ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ১ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৬ মুহাররম, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (রোববার) ০৮ সেপ্টেম্বর’২০১৯

(বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস)
ইউনেস্কোর আহবানে ১৯৬৫ সালে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্তক্রমে ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ৮৯টি দেশের শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন ওই সভায়। বিশ্বের সকল মানুষের মধ্যে শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বোধ জাগ্রত করা এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে সমাজের সর্বস্তরে উদ্দীপনা ও সচেতনা বৃদ্ধিই আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সংরক্ষন ও সংস্করণের রক্ষাকবচ । উন্নয়ন কার্যক্রম সফল করার মৌলিক সহায়ক শক্তি স্বাক্ষর জনসম্পদ। দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীকে নিরক্ষর রেখে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে তা কখনোই সাফল্য লাভ করতে পারে না। এই সত্য উপলব্ধি থেকেই মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন শিক্ষার ক্ষেত্রে অত্যবশ্যকীয় কর্মসূচি।
বিশ্বের অন্যান্য দেশ বিশেষত উন্নয়নশীল বাংলাদেশ সরকার ও মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়ন থেকে শুরু করে কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের দরিদ্র ও অনগ্রসর পরিবারের শিশু-কিশোর ও বয়স্ক নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি চালু করেছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের আওতায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ব্যবস্থায় সারা দেশে বিস্তার করেছে সার্বিক সাক্ষরতা কর্মসূচি। ১৯৯১ সালে শতকরা ৩৫ শতাংশ বয়স্ক সাক্ষরতা নিয়ে বাংলাদেশে সংগঠিত আকারে সাক্ষরতা কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়। ১৯৯৭ এ এই হার শতকরা ৫০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ১৯৯৮ তে দাড়িয়েছে ৫৬ শতাংশে। এই অগ্রগতি অব্যাহত
রয়েছে।

১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ব্যাপক সংঘর্ষ ও সহিংসতার পর প্যারিস সমঝোতা অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত কানাডা ফরাসী দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয় এবং বৃটেন ঐ চুক্তির প্রতি সমর্থন জানায়। তবে এরপরও কানাডায় বসবাসকারী বৃটিশ ও ফরাসীদের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও গÐগোল বহু দিন পর্যন্ত চলতে থাকে। এরপর ১৮৬৭ সালে কানাডা স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও বৃটেনের রাণীর প্রতিনিধির মাধ্যমে কানাডা পরিচালিত হতো।

১৯৪১ সালের এই দিনে জার্মানীর নাৎসী বাহিনী তিন মাস ধরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে হামলা চালানোর পর লেলিনগ্রাড অবরোধ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু হিটলার লেলিনগ্রাড দখলের স্বপ্ন দেখলেও শেষ পর্যন্ত দখল করতে পারেনি এবং ঐ শহরের জনগণ ও সেনা বাহিনী ১৯৪৪ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত তীব্র প্রতিরোধ অব্যাহত রাখে ও জার্মানীর অবরোধ ভেঙ্গে ফেলে। বেলগ্রেডের উপর জার্মানীর অবরোধের ফলে সেখানে তীব্র খাদ্য ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের ঘাটতি দেখা দেয়ায় অন্তত দশ লক্ষ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছিল। কিন্তু রুশ সেনা বাহিনী পাল্টা হামলা চালালে এবং সে সময় প্রচন্ড শীত পড়ায় হিটলারের বাহিনী বেলগ্রেড থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে জার্মানীর বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ রিচার্ড ষ্ট্রোয়াচ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং শৈশবকাল থেকেই সঙ্গীতের প্রতি তার বিশেষ ঝোঁক ছিল। তিনি যুবক বয়সেই অধিকাংশ সূর ও সঙ্গীত তৈরী করেন। রিচার্ড ষ্ট্রোয়াচ ১৯ শতকে নতুন ধরণের রোমান্টিক মিউজিকের প্রবর্তন করেন।

১৯৫৪ সালের এই দিনে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যৌথ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সিটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, অষ্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড ও ফিলিপাইন ঐ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী কোন একটি দেশ যদি বাইরের অন্য কোন দেশের দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে সম্মিলিতভাবে হামলাকারীর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মোকাবেলায় সিটো চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। অবশেষে অঞ্চলিক পরিবর্তীত পরিস্থিতির কারণে বিশেষ করে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে সিটো চুক্তি বাতিল করা হয়।

ফার্ষী ১৩৪৮ সালের এই দিনে ইরানের খ্যাতনামা লেখক ও সমালোচক জালাল আল আহমাদ পরলোক গমন করেন। তিনি ফার্সী ১৩০২ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তেহরান বিশ্ব বিদ্যালয়ে সাহিত্যে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন। জালাল আল আহমাদ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং পত্রপত্রিকায় লেখালেখির কাজ শুরু করেন। তিনি নতুন পদ্ধতির ছোট গল্প লিখে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। জালাল আল আহমাদ আকর্ষণীয় গল্প লেখা ছাড়াও সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সমালোচনাধর্মী বক্তব্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে বেশ পটু ছিলেন। তিনি ইরানী সমাজে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এ কারণে ফার্সী ১৩৪১ সালে একটি গ্রন্থ রচনা করেন যেখানে পশ্চিমা সংস্কৃতি ও জীবন ব্যবস্থার ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেছেন।

চতুর্থ উইলিয়াম গ্রেট ব্রিটেনের স¤্রাট হিসেবে অধিষ্ঠিত (১৮৩১)
টেক্সাসের গালভেস্টনে হারিকেনের আঘাতে ৬ হাজার লোক নিহত (১৯০০)
জার্মানির লীগ অব নেশন্সের সদস্যপদ লাভ (১৯২৬)
চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ (১৯৬২)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠিত (১৯৭১)
সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই বিচ্ছিন্নতাকামী প্রজাতন্ত্র জর্জিয়া ও আজারবাইজানে জাতিদাঙ্গা শুরু (১৯৯১)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)