ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১১ মিনিট ৭ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৩ রবিউস-সানি, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (শুক্রবার) ২০ সেপ্টেম্বর’২০১৯

(শিশু অধিকার দিবস)
শিশুদের অধিকার সম্পর্কে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করে তোলা এবং শিশুদের অধিকার কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণার জন্য জাতিসংঘের আহবানে প্রতিবছর ২০ সেপ্টেম্বর হতে সপ্তাহব্যাপী পালিত হয় শিশু অধিকার সপ্তাহ। সপ্তাহের প্রথম দিনটি অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর গুরুত্ব পায় শিশু অধিকার দিবস হিসেবে। ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর শিশু অধিকার সনদ গৃহীত হলেও এটির কার্যকারিতা শুরু হয় ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর হতে। বাংলাদেশ সনদ অনুস্বাক্ষরকারী প্রথম ২২টি দেশের অন্যতম। আর ১৯৯০ এর ৩ আগস্ট বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর করে। সনদ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত একজন মানুষকে শিশু ধরা হয়।

প্রতিটি শিশুর রয়েছে স্বাস্থ্যকর ও শান্তিময় পরিবেশে বেঁচে থাকা ও বেড়ে উঠার অধিকার; সমাজের একজন প্রয়োজনীয় সদস্য হবার অধিকার। দুর্ভাগ্যক্রমে দারিদ্র্য, রোগবালাই, যুদ্ধ ও নিপীড়নের কারণে প্রতি বছর মারা যাচ্ছে হাজার হাজার শিশু। জন্মসূত্রে একটি নাম ও একটি জাতীয়তার অধিকার রয়েছে প্রতিটি শিশুর । এমন অনেক দেশ আছে যেখানে শিশুর জন্ম-মৃত্যুর রেকর্ড রাখা হয় না। কোথাও কোথাও শিশুরা ক্রয়, বিক্রয়ের পণ্যে পরিণত হয়। নাম বা পরিচয়হীন শিশু বৈষম্য ও দাসত্বের শিকার হয়। এসব লংঘিত মানবাধিকার বিশ্বে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৪৬ সালে তার প্রথম অধিবেশনকালেই যুদ্ধপরবর্তীকালীন ইউরোপ ও চীনের শিশুদের খাদ্য, ঔষধ ও বস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার দিকে লক্ষ্য করে গঠন করে ইউনিসেফ । বিশ্বের শিশুদের মৌলিক প্রয়োজনীয়তা ও বিকাশ মনিটরিংয়ে এটি ছিলো এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ । আজ বিশ্বের অধিকাংশ যুদ্ধপরবর্তীকালীন ইউরোপ ও চীনের শিশুদের খাদ্য, ঔষধ ও বস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার দিকে লক্ষ্য করে গঠন করে ইউনিসেফ । বিশ্বের শিশুদের মৌলিক প্রয়োজনীয়তা ও বিকাশ মনিটরিংয়ে এটি ছিলো এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আজ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ইউনিসেফ মর্যাদার সঙ্গে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ বাস্তবায়নে করছে অসংখ্য কর্মসূচি। ১৯৫৯ সালে সাধারণ পরিষদ গ্রহণ করে শিশু সংক্রান্ত অধিকার ঘোষণা । এই ঘোষণার উদ্দেশ্য ছিলো প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। আর শিশুদের অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণার ২০তম বর্ষ ১৯৭৯ কে সাধারণ পরিষদ ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক শিশু বর্ষ।

৪০ হিজরীর ১৯শে রমজান হযরত আলী (আ:) এর মাথায় বিষমাখা তরবারী দিয়ে আঘাত হেনেছিল ইবনে মুলযাম মুরাদী। এই আঘাতের তিন দিনপরই তিনি শাহাদত লাভ করেন। হযরত আলী (আ:) এর মহত্ব ও চারিত্রিক মাধুর্যের বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যাবে না। তিনি ছিলেন জ্ঞানের দরজা, শ্রেষ্ঠ অলি, পূণ্যবান ব্যক্তিত্ব, অসীম সাহসী ও ন্যায়নিষ্ঠ ইমাম। বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সান্নিধ্যে থেকে তিনি ঐশী জ্ঞানে আলোকিত হন। তিনি ছিলেন সর্বপ্রথম ইমান আনয়নকারী ব্যক্তি। রাসূলে খোদা (সা:)এর নবুওতী জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তিনি ছিলেন নবিজীর একনিষ্ঠ সহচর। এমনকি রাসুলে খোদা (সা:)এর জীবন রক্ষার জন্য, দ্বীন ও ইসলামের স্বার্থে তিনি বহুবার নিজের জীবন বিপন্ন করে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তিনি ছিলেন জালিম ও অত্যাচারীদের ত্রাস এবং মজলুমের সহায়। হযরত আলী (আ:) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অনন্য ও শ্রেষ্ঠ বীর যোদ্ধা। আসাদুল্লাহ বা আল্লাহর সিংহ ছিল তার উপাধী। জিহাদের ময়দানে তার উপস্থিতি শত্র সেনাদের মধ্যে ভীষণ আতঙ্কের সৃষ্টি করতো। অন্যদিকে এতিম, অনাথ ও নিঃস্বদের প্রতি তিনি ছিলেন অত্যন্ত মহানুভব ও দয়ালু অভিভাবক। এতিম ও অনাথ শিশুদের কান্না তার হৃদয়কে অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত করে তুলতো। তাদের প্রতি দয়া ও সুকোমল আচরণ ছিলো তার অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তার মধ্যে দুনিয়া প্রীতি বিন্দুমাত্র ছিল না। হযরত আলী (আঃ) এর শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের আলোকজ্জল প্রভা যুগ যুগ ধরে স্বাধীনতাকামী ও সত্যপন্থীদের অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাবে।

৫৯৮ বছর আগে এই দিনে ইরানের প্রখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ গিয়াসউদ্দীন জামসিদ কাশানী পরলোক গমন করেন। তিনি জ্যোতির্বিদ্যার বহু সরঞ্জামও আবিস্কার করেছেন। গণিতের বিভিন্ন শাখায় তিনি যথেষ্ট পারদর্শী ছিলেন। গণিতের নানা সূত্র তিন আবিস্কার করেন। এ বিশিষ্ট মুসলিম আবিস্কারক ও পন্ডিত, গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার বহু মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেন। ইতিহাসের পাতায় চীর স্মরণীয় হয়ে আছেন।

মক্কা ছেড়ে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর মদিনায় হিজরত (৬২২)
দিল্লীর সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের মৃত্যু (১৩৮৮)
জোয়াও দ্য সিলভার ভাইসরয় হয়ে ভারতে আগমন (১৬৪০).
অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ডাকটিকেট বিক্রি শুরু (১৮৫৪)
বিদ্রোহী সিপাহীদের কাছ থেকে ব্রিটিশ সেনাদের দিল্লী পুনর্দখল (১৮৫৭)
যুক্তরাষ্ট্রের ২১তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে চেষ্টায় এ আর্থারের শপথ গ্রহণ (১৮৮১)
আফগানিস্তানের জাতীয় সংসদে নতুন সংবিধান অনুমোদন (১৯৬৪)
জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিল গৃহীত (১৯৭৩)
ঢাকায় আহসান মঞ্জিল জাদুঘর উদ্বোধন (১৯৯২)
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ভাই মরতুজা ভুট্টো ৭ সঙ্গীসহ নিহত (১৯৯৬)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)