ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৩ রবিউস-সানি, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (মঙ্গলবার) ২৪ সেপ্টেম্বর’২০১৯

(বিশ্ব হৃদরোগ দিবস)
জনসাধারণের মধ্যে হৃদরোগ-এর কারণ, প্রতিকার, প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় প্রতিবছর ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনেস্কো ও অন্যান্য সংগঠনের সহযোগিতায় দিবসটি পালন করে ।

এক জরিপে জনা গেছে, সারা বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ সরাসরি হৃদরোগজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে। এর মধ্যে ৪৫% উন্নত বিশ্বে এবং উন্নয়নশীল দেশে প্রায় ২৫%। বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ, বাতজুরজনিত হৃদরোগ, করোনারি হৃদরোগ জন্মগত ও অন্যান্য সবধরনের হৃদরোগ বিদ্যমান আছে। সর্বশেষ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের উচ্চ রক্তচাপ প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে শতকরা ১৫ থেকে ২০ জনের, বাতজুরজনিত হৃদরোগ প্রতি এক হাজারে সাতজনের, করোনারি হৃদরোগ প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে শতকরা দশজনের, জন্মগত হৃদরোগ প্রতি হাজারে নবজাতকের মধ্যে আটজনের দেখা যায়। হৃদরোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে হৃদরোগ সংক্রান্ত অজ্ঞতা এবং অপ্রতুল চিকিৎসা সুবিধার কারণে অনেক হৃদরোগী উপযুক্ত চিকিৎসা পায় না এবং বরণ করে মৃত্যু। হৃদরোগীরা হয় পরিবার, সমাজ এবং সারা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য বোঝাস্বরূপ। হৃদরোগের এই ভয়াবহতা বিবেচনা করেই ওয়ার্ল্ড হাট ফেডারেশন বিশ্ব হাট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করে। প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে না পারলে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মহামারী আকারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশংকা রয়েছে।

(মীনা দিবস)
দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে মেয়ে শিশুর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা ও মেয়ে শিশু ইস্যু আরো জোরদার করে তোলার প্রতীক হিসেবে ইউনিসেফ গৃহীত কার্যক্রম মীনা গণযোগাযোগ কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য সার্ক প্রতিবছর ২৪ সেপ্টেম্বর দিনটিকে মীনা দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। মেয়েদের সমস্যার প্রতি মনোযোগের সঙ্গে গুরুত্ব প্রদান ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উপলব্ধি থেকে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা পরিষদ (সার্ক) ১৯৯০ দশককে কন্যা শিশু দশক হিসেবে ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার আলোকে দক্ষিণ এশিয়ার ইউনিসেফ এবং তার সহযোগীদের মিলিত উদ্যোগে গ্রহণ করে মীনা কেন্দ্রিক কর্মসূচি, যা একটি বিপ্লবী এবং সৃজনশীল গণযোগাযোগ কার্যক্রম। এই কার্যক্রমের অধীনে ইউনিসেফ প্রচার মাধ্যমের জন্য তৈরি করে মীনা কার্টুন, কমিক বই ও শিক্ষা উপকরণ ।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের কাছে এখন মীনা অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় কার্টুন ছবির নাম। আর এই কার্টুন ছবির প্রধান চরিত্র মীনা এ অঞ্চলের মেয়ে শিশুদের প্রতীক। মীনা কে খুঁজে পাওয়া যাবে এ অঞ্চলের যে কোনো বাড়িতেই । এরকম একটি শিশু মেয়ে চরিত্র নিয়ে মীনা কার্টুন ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে মীনা পরিবারের কাহিনী। ১৩টি পর্বে এটি দেখানো হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার টেলিভিশনে। কাহিনীটি অ্যাডভেঞ্চার ও কমেডিসমৃদ্ধ । একই সঙ্গে প্রতিফলিত হয়েছে মেয়ে শিশুদের সমস্যা। কাহিনীতে দেখানো হয়েছে কীভাবে মেয়ে শিশু এবং তার পরিবার রূপান্তর করে তাদের জীবন, সমাধান করে উন্নয়ন সমস্যা ও উন্নত করে যোগাযোগের দক্ষতা ।

বাংলাদেশেও শিশুদের প্রিয় কার্টুন মীনা। এখানে গ্রামের লাখ লাখ মানুষ ৬৭টি ভ্রাম্যমাণ ফিল ইউনিটের মাধ্যমে মীনা কার্টুন দেখেছে। ৪৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণ করা হয়েছে মীনা কমিক বই। বাংলাদেশে স্কুলে ভর্তি হওয়া মেয়ে শিশুরা ঝরেও পড়ে বেশি মাত্রায় । এখানে মীনার আবেদন খুবই কার্যকর । মীনা কার্টুন ছবির দর্শক শুধু শিশুরাই নয়। বড়রাও বিশেষ করে রাজনীতিক, নীতিনির্ধারক, পদস্থ কর্মকর্তা নগর ও গ্রামের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাও উপভোগ করছেন মীনা টেলিভিশনের মাধ্যমে। মীনা বিষয়ে পাপেট শো, রেডিও জিংগেল ও গানও বেরিয়েছে। অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচির বাস্ততায় অনেক এনজিও মীনা সরঞ্জাম বিতরণ করছে।

মীনা ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয়তার সীমানা অতিক্রম করে পৌছে গেছে আরবি বার্মিজ এবং চীনা ভাষাসহ ৩০টিরও বেশি ভাষার পথ ধরে। দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ এবং পরিবারে শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা বিশেষ করে অল্প বয়সী মেয়েদের দুর্দশা ঘুচানো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পুষ্টি এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কঠিন সত্যের মুখোমুখি সংগ্রামী চরিত্র মীনা । মীনা কার্টুন ছবিতে সে উদঘাটন করে বৈষম্যের স্বরূপ ও তার কারণ। মেয়েদেরও যে ক্ষমতা আছে, নিজেদের পছন্দ, অপছন্দ আছে তা যুক্তি দিয়ে তুলে ধরে মীনা। এসব সমস্যার সমাধানও যে হাতের কাছেই তারও দিকনির্দেশনাও দেয় সে । মেয়েদের জীবন পাল্টে দেয়ার ক্ষেত্রে মীনা পালন করে অনুঘটকের ভূমিকা।

১৮০৫ খ্রীস্টাব্দের এই দিনে ফরাসী স¤্রাট নেপোলিয়ান বেনাপোর্ট বৃহৎ সামরিক অভিযান বন্ধ করেন। অষ্ট্রিয়ার সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করার জন্যই তিনি দুই লক্ষ সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে এ অভিযান শুরু করেছিলেন এবং অষ্ট্রিয়াকে পরাজিত করেন। অষ্ট্রিয়া নিজেকে ফ্রান্সের বন্ধু দেশ হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দেশটি বৃটেন ও রাশিয়ার সাথে গোপন আতাত গড়ে তুলে নেপোলিয়ানকে নির্মূল করতে চেয়েছিল।

১৯৩৯ সালের এই দিনে জার্মানীর বিমান বাহিনী পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ার্শতে ব্যাপক বোমা বর্ষণ শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে তিন দিন ধরে এই বোমা হামলা চালানো হয়। পোল্যান্ড ১১দিন ধরে ব্যাপক প্রতিরোধ চালিয়েও শেষ পর্যন্ত জার্মানীর কাছে আত্ম সমর্পন করতে বাধ্য হয়। হিটলার যে কোন মূল্যে ওয়ার্শ শহর দখল করার জন্য তার সেনা কমান্ডারদেরকে নির্দেশ দিয়েছিল। ভয়াবহ ঐ বিমান হামলায় শহরের ১৫ হাজারেরও বেশী সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছিল।

ফার্সী ১৩২১ সালের এই দিনে ইরানের খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিক মোহাম্মদ ইউসুফযাদে পরলোক গমন করেন। তিনি গাম্মামে হামেদানি নামে বেশী পরিচিত। যুক্তিবিদ্যা, ইসলামী দর্শন ও সাহিত্য বিশেষ করে ফার্সী কবিতায় তিনি ব্যাপক পারদর্শী ছিলেন। তিনি সাহিত্যিক হলেও ইরানে সাংবিধানিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। কিন্তু এ আন্দোলনে যখন বিকৃতি দেখা দেয় তখন গামাম হামেদানি আন্দোলন থেকে সরে দাড়ান সাহিত্যকর্ম ও সামাজিক তৎপরতায় নিজেকে নিয়জিত করেন।

১৯৭৪ খ্রীস্টাব্দের এই দিনে আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাও পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৪৪৬ খ্রীস্টাব্দে পর্তুগালের যুবরাজ প্রিন্স হেনরি ও তার সহযোগিরা এই এলাকাটি আবিস্কার করেন এবং সেখানে উপনিবেশ স্থাপন করেন। ১৯৬০ এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে পর্তুগিজ উপনিবেশের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ আন্দোলন গড়ে তোলে। ১৯৭০ সালে গিনি বিসাওএর স্বাধীনতাকামীরা তাদের ভূখন্ডের দুই তৃতীয়াংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯৭৪ সালে পর্তুগিজরা গিনি বিসাওএর স্বাধীনতা মেনে নিতে বাধ্য হয়। এ দেশটির মোট আয়তন ৩৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং এর সাথে গিনি ও সেনেগালের সীমান্ত রয়েছে ।

ফার্সী ১৩৭১ সালের এই দিনে ইরানের প্রখ্যাত আরেফ ও শিক্ষক ‘হাজ মির্যা আব্দুল করিম রৌশান তেহরানি’ ইহলোক ত্যাগ করেন। তিনি ফার্সী ১২৮২ সালে তেহরানে জন্ম গ্রহণ করেন। আরেফ ও দর্শন শাস্ত্রে ব্যাপক আগ্রহ থাকার কারণে তিনি ইসলামী শিক্ষার প্রতি ঝুকে পড়েন। তিনি তার যুগে ইসলামী শিক্ষায় সুপন্ডিত হয়ে ওঠেন এবং এর কিছু পরে অন্যতম শ্রেষ্ঠ আরেফের মর্যাদা পান। ‘হাজ মির্যা আব্দুল করিম’ তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হায়াত ফ্যাকাল্টিতে শিক্ষকতা করেন এবং অনেক সুযোগ্য ছাত্র গড়ে তোলেন।

১৯৮৮ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম, সমাজ সংস্কারক ও জমিদারদের শোষণবিরোধী বিপ্লবী নেতা শামসুল হুদা পাঁচবাগী পরলোক গমন করেন। তিনি ১৮৯০ সালে ময়মনসিং জেলার গফরগাও এর পাঁচবাগী গ্রামের এক ধর্মীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে মক্তব, পরে পিতার প্রতিষ্ঠিত মাইজবাড়ি মাদ্রাসা এবং ১৯০৮ সালে ঢাকার মোহসেনিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন। এরপর তিন ভারতের উত্তর প্রদেশ ও পাকিস্তানের লাহোরেও পড়াশোনা করেন। তিনি নির্ভীক সমালোচক, বৃহত্তর স্বাধীন বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা, ভাষাসৈনিক, শিক্ষানুরাগী এবং দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের দাবি আদায়ে আজীবন ছিলেন সোচ্চার। তিনি জামিদার, জোতদার, মহাজন, সরকারী আমলা ও কর্মচারীদের শোষণ থেকে জনসাধারণের মুক্তির জন্য অবিরাম সংগ্রাম করে গেছেন। মহান এই ব্যক্তি তার গ্রামে মাদ্রাসা, স্কুল, এতিমখানা ও ময়মনসিংহ শহরে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতা, মাদ্রাজ ও বোম্বেতে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন মেয়রকোর্ট স্থাপনের অনুমতি লাভ (১৭২৬)
যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা (১৭৮৯)
সিপাহী বিদ্রোহের বীরযোদ্ধা নানা সাহেবের নেপালে নির্বাসিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ (১৮৫৯)
ঘূর্ণিঝড়ে ফরিদপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি (১৯১৯)
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতি (ওউঅ) গঠিত (১৯৬০)
সোভিয়েত ইউনিয়নের বাজার অর্থনীতির প্রতি সম্মতি (১৯৯০)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)