সংবাদ শিরোনাম

২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং

00:00:00 রবিবার, ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , হেমন্তকাল, ২রা সফর, ১৪৩৯ হিজরী
এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২০, ২০১৭ , ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আজ (মঙ্গলবার) ২০ জুন’২০১৭

১৬৬০ সালের এই দিনে বিখ্যাত ইংরেজ লেখক ড্যানিয়েল ডিফো লন্ডনে জন্ম গ্রহণ করেন। একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি অর্জনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমালোচক হিসেবেও তিনি খ্যাতিমান ছিলেন। তার বিখ্যাত কয়েকটি বইয়ের মধ্যে রবিনসন ক্রুসো অন্যতম। ডিফো ১৭৩১ সালে মারা যান।

১৮৭৫ সালের এই দিনে জাপান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ওকিনাওয়া দ্বীপ দখল করে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ বছরে জাপানী সেনাদের কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ১২৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনবিশিষ্ট এই দ্বীপটি মার্কিন সেনাদের দখলে আসে। ১৯৭২ সালে জাপানের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওকিনাওয়া দ্বীপে দখলদারিত্ব অবসান ঘোষণা করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই দ্বীপে মার্কিন সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি এখনও রয়ে গেছে। ওকিনাওয়ার জনগণহ জাপানের জনগণ ওকিনাওয়া দ্বীপ থেকে মার্কিন সেনা ঘাটি তুলে নেয়ার দাবী জানিয়ে এখনও মাঝে মধ্যে প্রতিবাদ মিছিল করছে।

১৯১২ সালের এ দিনে পোলান্ডের বিজ্ঞানী ডক্টর কাসিমির ফুঙ্ক প্রথমবারের মতো ভিটামিন আবিস্কার করতে সক্ষম হন। বেশ কিছু দিন গবেষণার পর তিনি এটা আবিস্কার করেন যে মানুষের খাবারে স্বাস্হ্য সুরক্ষার এবং জীবন অব্যাহত রাখার কিছু উপাদান রয়েছে। এই উপাদানগুলো খুবই জরুরী বা অপরিহার্য।

১৯৮১ সালের এ দিনে ইরানের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও মুজাহিদ কমান্ডার ডক্টর মোস্তফা চামরান আগ্রাসী ইরাকী সেনাদের সাথে যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন। তিনি ১৯৩২ সালে তেহরানে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ইলেকট্রনিক বিষয়ে পড়াশুনার পর একই বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। শহীদ চামরান স্বৈরাচারীশাহ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও শাহ বিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। এর কিছুকাল পর তিনি লেবাননে যান এবং সেখানে ইমাম মূসা সাদরের সহযোগীতায় বঞ্চিতদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন গড়ে তোলেন। দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং লেবাননের বঞ্চিত জনগণ ও ফিলিস্তিনী শরণার্থীদের অধিকার আদায় করা ছিল তার এ আন্দোলনের লক্ষ্য। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব বিজয়ী হবার পর শহীদ চামরান ইরানে ফিরে আসেন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন। কিছুকাল পর তিনি তেহরান আসন থেকে ইরানের সংসদ সদস্য হন। ইরানে ইরাকী আগ্রাসন শুরু হলে জনাব চামরান যুদ্ধে যোগ দেন এবং অনিয়মিত বাহিনীর যুদ্ধ-কমান্ড গড়ে তোলেন। ডক্টর চামরানের বাহিনী বেশ কয়েকটি রণক্ষেত্রে সাদ্দাম বাহিনীকে বিপর্যস্ত করেন ।

একজন মুজাহিদ নেতা বা সমর নেতা হওয়া সত্ত্বেও শহীদ ডক্টর চামরান ছিলেন কোমল মনের মানুষ। আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও গুণে ভূষিত এই সংগ্রামী নেতা অনেক মূল্যবান লেখা রেখে গেছেন। ডক্টর শহীদ চামরানের শাহাদতের প্রতিক্রিয়ায় মরহুম ইমাম খোমেনী (রঃ) বলেছিলেন, প্রিয় চামরান ছিলেন পবিত্র ও একনিষ্ঠ বিশ্বাসের অধিকারী। তার চিন্তাধারা রাজনৈতিক দলকেন্দ্রীক ছিল না। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তিনি জিহাদের পথ বেছে নিয়েছিলেন। চামরান মর্যাদা নিয়ে বেঁচে ছিলেন এবং উন্নত মস্তকেই শহীদ হয়ে মহান আল্লাহর সাথে মিলিত হয়েছেন।

১৯৯০ সালের এই দিনে ইরানের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিতি গিলান ও জানযন শহরে সাত দশমিক তিন মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৫০ হাজারেরও বেশী ইরানী প্রাণ হারান। এ ভূমিকম্পে আহত হয় ৬০ হাজার এবং গৃহহারা হয় ৫ লক্ষ মানুষ। রুদবার শহর ছিল এই ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্র। এ প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে ইরান অর্থনৈতিক দিক থেকেও ব্যাপক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অবশ্য সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুনর্গঠন তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে এইসব ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কাটিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।

৪২১ হিজরীর এই দিনে মুসলিম স্পেন বা আন্দালুসিয়ার বিখ্যাত কবি ও লেখক ইবনে দাররাজ ক্বাসত্বালি ইন্তেকাল করেন। তিনি হিজরী ৩৪৭ সনে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। দক্ষিণ স্পেনের এই কবি হিজরী চতুর্থ শতকের শেষভাগে ও পঞ্চম শতকের প্রথম দিকে আরবী কবিতা বা পদ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আরবী কবিতায় নতুনত্ব সৃষ্টিকারী এই কবির কবিতার শৈল্পিক লালিত্য ও সাহিত্যিক মান যেমন অতি উন্নত। এ ছাড়াও ইবনে দাররাজের কবিতাগুলো তার যুগের স্পেন বা আন্দালুসিয়ার ইতিহাসেরও নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
গাজী সুলতান সালাহউদ্দীন আইউবির ইন্তেকাল (৫৮৯)
মসজিদ-এ নববীর প্রথম সম্প্রসারণ (৬৩৮)
মুহাম্মদ বিন কাশিম কর্তৃক সিন্ধু আক্রমণ। রাজা দাহির নিহত (১৭০২)
ইংরেজদের কাছ থেকে নবাব সিরাজউদদৌলার কলকাতা পুনরুদ্ধার (১৭৫৬)
রানী ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণ (১৮৩৭)
ব্রিটিশের কাছে গোয়ালিয়র দুর্গ সমর্পণের মধ্য দিয়ে সিপাহী বিদ্রোহের অবসান (১৮৫৮)
বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলিতে বাংলা ভাগের প্রস্তাব গৃহীত (১৯৪৭)
পাকিস্তানি বিজ্ঞানী শাকিল হানাফির পৃথিবীর সবচেয়ে হালকা বিমান প্রদর্শনের কৃতিত্ব অর্জন (১৯৯১)

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn1Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us