আপডেট ৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ৯ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৪ সফর, ১৪৪১

ব্যবসা-বাণিজ্য ইলিশ সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া

ইলিশ সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া

নিরাপদ নিউজ: যশোরের বাজারে ভরা মৌসুমে ইলিশ মাছের আমদানি একেবারে কম। যে ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে তার দাম আকাশ ছোঁয়া। ইলিশ মাছের সরবরাহ কম হওয়ায় অন্যান্য মাছের দামও অনেক বেশি। কাঁচামরিচের দাম কমেছে বেশ। অপরিবর্তিত আছে শাক-সবজি, চাল, ডাল, পেঁয়াজ-রসুন, আলু, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার সকালে শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আষাঢ়-শ্রাবণ ইলিশ মাছের মৌসুম। এবার ইলিশের ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ অনেক কম। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশ মাছের দাম অনেক বেশি। ইলিশ মাছের আমদানি বেড়ে গেলে দাম কমে যাবে বলে জানিয়েছেন বড় বাজারের ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী এরশাদ আলী। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ১ হাজার টাকা থেকে ১২ শ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ বিক্রি হয় সাড়ে ৬ শ টাকা থেকে ৮ শ টাকা কেজি।
প্রতিকেজি জাটকা ইলিশ বিক্রি হয় ৪ শ ৫০ টাকা থেকে ৫ শ টাকা। অন্যান্য মাছের মধ্যে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা। পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা। কৈ মাছ বিক্রি হয় ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ।

বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমেছে। পেঁয়াজ-রসুন ও আলুর দাম আগের মত আছে। বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম অনেক কমেছে। প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা কেজি। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ। ২৬ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতিকেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১শ’৪০ টাকা থেকে ১শ’৫০ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা।

বাজারে শাক-সবজির দাম ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতিকেজি কুশি বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাক। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক।

প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতিকেজি কলা বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি কাঁররোল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি ওল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতিকেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা থেকে ৮৭ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতিকেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতিকেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতিকেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১ শ ১০ টাকা থেকে ১ শ ২০ টাকা। ৫৫ টাকা ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা। ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মোটা চাল। প্রতিকেজি বিআর-১০ চাল বিক্রি হয় ৩১ টাকা থেকে ৩২ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩১ টাকা কেজি বিক্রি হয় রনজিৎ চাল। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৪ টাকা থেকে ৩৬ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)