ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫৯ মিনিট ৭ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন একজন নিভৃতচারী ভাষাসৈনিক নুরু মোল্লা

একজন নিভৃতচারী ভাষাসৈনিক নুরু মোল্লা

একজন নিভৃতচারী ভাষাসৈনিক নুরু মোল্লা

একজন নিভৃতচারী ভাষাসৈনিক নুরু মোল্লা

লিটন এরশাদ, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, নিরাপদনিউজ: হাজী আবু নুর এমডি শামসুল ইসলাম ওরফে নুরু মোল্লা। সর্বমহলের অতিপ্রিয় ভাষা সৈনিক নূরু মোল্লা। একজন অন্তরালে থাকা ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের একজন সৈনিক। ভাষার এই মাসে নিভৃতচারী এই মানুষটি আজ নিজেকে জাতির সামনে তুলে ধরেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মহান এই মানুষটি বেরিয়ে এলেন পর্দার অন্তরাল থেকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এতদিন সরকারি কোন উদ্যোগে দেশ মাতৃকার এই অকুতোভয় সৈনিককে তুলে ধরা হয়নি। দেয়া হয়নি কোন স্বীকৃতি। তবে নুরু মোল্লা নিজেও চাননা কোন আরোপিত স্বীকৃতি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর একজন সৈনিক হিসেবে আজন্ম তাঁর আদর্শ ধারণ করে আছি। দেশ স্বাধীন করেছি। বাংলাকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করার গর্বিত একজন সৈনিক হতে পেরেছি। এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি আর কি হতে পারে। জীবন সায়াহ্নে এসে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে ব্যক্ত করলেন ভাষা আন্দোলনের পটভূমি। মুক্তিযুদ্ধের অজানা নানা কথামালা। এ প্রজন্মের জন্য নুরু মোল্লার স্মৃতিচারণ নিঃসন্দেহে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে সহায়ক হবে।
পুরো এ আয়োজনের সমন্বয় করেন নুরু মোল্লার নিকটাত্মীয় ফরিদ আহমেদ রিপন।
প্রচার বিমুখিতার কারণে তাদের অনেকে আজ সেই গৌরবজ্জ্বল ভূমিকার কথা বলতেও চাননা। তাই আমরা তাদের অনেককেই চিনি না। এদেরই একজন ভাষা সৈনিক আবু নুর এমডি শামসুল আলম ওরফে নুরু মোল্লা। বৃহত্তর নোয়াখালীর লক্ষীপুরে (বর্তমানে জেলা) জন্ম। এই বৃহত্তর নোয়াখালীর কৃতী সন্তান ভাষা সৈনিক গাজীউল হক ও মোহাম্মদ তোয়াহা। ১৯৫০ সালে জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে) পড়াশুনার সময় ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। সে সময় তিনি জগন্নাথ কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ বিরোধি দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের সিঁড়ি বেয় ১৯৪৭ সারে ভারতবর্ষ ভঙ্গে দ্বিজাতিত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) ছিল পাকিস্তানেরই অংশ। আর এই পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা ছিল বাংলা। পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষাও ছিল বাংলা। পাকিস্তানের মূল ভাষা উর্দু হলেও সেখানকার অনেক প্রদেশেও ভিন্ন ভাষার প্রচলন ছিল এবং এখনও আছে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক চক্রের মূল ভাষা উর্দু হওয়ায় রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই তার সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা বাংলাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। পাকিস্তান সৃষ্টির কয়েক মাসের মধ্যে দেশটির জনক হিসাবে খ্যাত কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা সফর করেন। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। এক জনসমাবেশে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন ‘উর্দু এ্যান্ড অনলি উর্দু সেল বি দ্যা স্টেট ল্যাঙ্গুয়জ অব পাকিস্তান’। ক্ষীন প্রতিবাদ ওঠেছিল ওই সমাবেশেই। পরে ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে কায়েদে আযম একই বক্তব্য দিলে ছাত্র সমাজ সঙ্গে সঙ্গে তার মুখের ওপর ‘নো নো’ বলে প্রতিবাদ জানায়। নতুন মাত্রা পায় বাঙালীর মাতৃভাষা আন্দোলন।
তারপরের ইতিহাস সবার জানা। প্রতিবাদী বাঙালীরা চাপিয়ে দেওয়া উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করে। বাঙালী ছাত্র যুবক আবাল বৃদ্ধ বনিতার সেই সংগ্রামে আমাদের রক্ত দিতে হয়েছিল ৫২’র ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে। রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছি মাতৃভাষা কথা বলা ও জ্ঞান চর্চা করার অধিকার। মাতৃভাষা অধিকারের জন্য রক্তদান বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
কায়েদে আযমের পথ ধরে ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়াদনে জনসভায় পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীনও দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষনা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে নতি স্বীকার করে ১৯৪৮ সালে ১৫ই মার্চ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বেমালুম ভুলে গিয়ে খাজা নাজিমুদ্দিন এই বক্তব্য রাখেন। এর আগে ১৯৫০ সালেই আবদুল মতিনকে (ভাষা মতিন) আহ্বায়ক করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এ সময়কালে মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনেকের অগ্রনী ভূমিকা ছিল। এর মধ্যে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, আবুল হাশিম, আতাউর রহমান খান, অধ্যাপক আবুল কাশেম, মোহাম্মদ তোয়াহা, অলি আহাদ, শামসুল হক চৌধুরী, কাজী গোলাম মাহবুব, গাজীউল হক উল্লেখযোগ্য। এরা সকলেই আজ ইতিহাসের অংশ।
সে সময় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি নিয়ে গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। আমি সে কমিটির একজন সদস্য। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’- এ দাবিতে সংগ্রাম কমিটির সদস্যরা তখন ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে টিনের চোঙ্গা নিয়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বক্তৃতা দিতেন।
১৯৫২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ছিল পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদের অধিবেশন। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তান ব্যাপী হরতাল, সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের সিদ্ধান্ত নেয় সংগ্রাম পরিষদ। ৬ ফেব্রুয়ারি এক সভায় এই কর্মসূচি উপলক্ষে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে তা ভঙ্গ করা হবে কি-না এনিয়ে আলোচনা হয়। ছাত্র ও যুবকদের সমন্বয়ে গঠিত সংগ্রাম কমিটি ১৪৪ ধারা বঙ্গের পক্ষে মত দেন। সিদ্ধান্ত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমতলায় সমাবেশ হবে। ১৪৪ দারা ভঙ্গের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি হয় ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে মোহাম্মদ তোয়াহার বাসায়। তার আগে ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নুরুল আমিন সরকার ঢাকায় এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। মোহাম্মদ তোয়াহার বাসায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্তের ওই সভায় গাজীউল হকসহ সংগ্রাম কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিরেন। ওই সভায় আমি উপস্থিত থেকে প্রথম দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঘোষণা দেই। অর্থাৎ ২১ শে ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা বঙ্গের ঐতিহাসিক ঘোষণাটি প্রথম আসে আমার কণ্ঠ থেকেই। সভায় উপস্থিত সকলে ঘোষণাটির প্রস্তাব সমর্থন করেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ শে ফেব্রুয়ারি গোপনে আমতলায় জড়ো হন ছাত্ররা। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সেখানে সভা করি আমরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। একটি ভাঙ্গা টেবিলের ওপর দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেন তিনি। এরপর মিছিল বের হলে ওঁৎ পেতে থাকা পুলিশ গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। আহত হন অনেকে। পুলিশ মিছিল থেকে অনেককে গ্রেফতার করে। কয়েকজন বন্ধু মিলে এক শহীদের লাল গোপনে লুকিয়ে ফেলি।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ভাষা সৈনিক নুরু মোল্লা

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ভাষা সৈনিক নুরু মোল্লা

পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি ওই লাশ নিয়ে মিছিল বের করলে পুলিশ পুনরায় গুলি চালায়। শহীদ হন আরও দুজন। ঘটনাটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হলের সামনে।
ঢাকায় যখন ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলি চালায় তখন তৎকালীন আওয়ামী লীগের তরুন নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর কারাগারে আটক ছিলেন। তিনি পুলিশের নির্বিচারে গুলির প্রতিবাদে কারাগানে অনশন করেন।
এদিকে এ ঘটনার পর সারাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। আন্দোলন গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে। সংগ্রাম কমিটির সদস্য হিসাবে আমি এবং ডা. আব্দুস সাত্তার ২৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে যাই এবং লালদিঘী ময়দানে সমাবেশ করি। ২৫ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ করি নোয়াখালীর চৌমুহনী কলেজের সামনে।
আমি একজন ভাষা সৈনিক এটা অনেকেরই অজানা। প্রচার বিমুখ হওয়ায় আমার নাম ভাষা সৈনিকদের তালিকায় উঠে আসেনি। তাতে আমার কোন দুঃখ নেই। সম্প্রতি জীবন সায়াহ্নে এসে ভাষা আন্দোলনে নিজের অংশগ্রহণের ব্যাপারে মুখ খুলতে আজ বড়ই লজ্জা লাগে এই কারণে সব কিছুতেই ব্যক্তিস্বার্থ ও ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। আমরা হয়ে গেছি আত্মকেন্দ্রিক।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে’ ৫২’র ভাষা আন্দোলন এবং পরবর্তীতে’৭১ এর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম।
মুক্তিযুদ্ধে অংশে নিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেমন- পদ্মার হাট, পানপাড়া, মীরগঞ্জ, বিভিন্ন এলাকায় পাক-হানাদার ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে সমর যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। প্রচন্ড সাহস ও উদ্যমতা ছিল। আজ যেন সবই স্বপ্ন।
বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে তাঁর আদর্শ লালন করে এখনও বেঁচে আছি।
আমরা এখন অতিবাহিত করছি মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে এই মহান মাসে ভাষা সৈনিক হিসাবে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর নিজকে মান ও ক্ষোভ অভিমানে সকল কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকি। নিজের বীরত্বের কথা কাহারও কাছে বলতে চাইনি। বয়সের ভারে আজ কিছু কথা বলতে চাই। প্রিয় বন্ধুরা অনেক কিছু আজ স্মৃতিতে নেই। তবুও আমাকে কিছু প্রশ্ন করবেন। যতটুকু জানি নিষ্ঠার সাথে বলতে চেষ্টা করব।
বর্তমানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে সরকার পরিচালনা করছেন। তিনি দুঃস্থ ও কল্যাণমূলক কাজে সহায়তা করছেন যাহা বঙ্গবন্দুর আদর্শ লালন করে। আমার বিশ্বাস অজানা ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে সঠিক ইতিহাসের পাতায় আগামী প্রজন্ম ও জাতির সামনে তুরে ধরবেন। আমার শুধু একটিই দাবী যে সকল অজানা ভাষা সৈনিকরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অভাব দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অজানা থেকে পড়ে রয়েছে সরকারী অথবা বেসরকারী উদ্যোগে তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর এমনকি অভাব দরিদ্রতায় যারা আছেন তাদেরকে সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা করলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মা শান্তি পাবে। আমি ব্যক্তিগত জীবনেও ঐ সকল অনগ্রসর পিছিয়ে পড়া পরিচিতহীন ভাষা সৈনিকদের যারা বর্তমানে জীবিত আছেন তাদের পাঁশে দাঁড়াতে চাই।
পরিশেষে আপনারা অক্লান্ত পরিশ্রম ও ব্যয় করে আমার অজানা কথা শুনার জন্য উপস্থিত থাকায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ তায়ালা আপনাদের মঙ্গল করুক।
উল্লেখ্য হাজী আবু নুর এমডি শামসুল ইসলাম ওরফে নুরু মোল্লা ১৯৩৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লক্ষীপুর সদর উপজেলার ফতেহ ধর্মপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম হাজী আমীন মোল্লা। মাতার নাম মরহুমা সলেমা খাতুন। স্ত্রীর নাম সৈয়দা ওয়াছিমা বেগম। ব্যক্তি জীবনে ছয় সন্তানের পিতা।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)