আপডেট এপ্রিল ৬, ২০১৭

ঢাকা সোমবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ , গ্রীষ্মকাল, ১২ রমযান, ১৪৩৯

ভ্রমন এখন মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের সৌন্দর্য অাকর্ষনীয়

এখন মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের সৌন্দর্য অাকর্ষনীয়

মাধবকুন্ডের জলপ্রপাতে সাংবাদিক নাসিম রুমি

মাধবকুন্ডের জলপ্রপাতে সাংবাদিক নাসিম রুমি

নাসিম রুমি, ০৬ এপ্রিল ২০১৭, নিউজ : সিলেট আমাকে অধিক মুগ্ধ করে। সিলেটের প্রতি আমার বিশেষ আকর্ষন রয়েছে। প্রতি বছর অন্তত ২/৩ বার সিলেটে আমার ভ্রমন করা হয়। সিলেট জেলার বেশ কিছু অংশ পর্যন্ত ও সবুজ পার্বত্য বননী জুড়ে রয়েছে। তাছাড়া চা-বাগিচা সৌন্দর্য্য তো রয়েছেই সিলেট শহর থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ে ঘেরা ও সবুজ বনানীতে ছাওয়া মনোরম প্রকৃতির পরিবেশে একটি দৃষ্টি নন্দন জলপ্রপাত আছে।

মাধবকুন্ডের চা-বাগান

মাধবকুন্ডের চা-বাগান

তার নাম মাধবকুন্ড জলপ্রপাত। সম্ভাবত বাংলাদেশে এই জলপ্রপাতটি সবচেয়ে বড়। এবং সবচেয়ে অধিক দৃষ্টি নন্দন। উচুঁ পাহাড়ের গা-বেয়ে নেচে-নেচে হেলে-দুলে নেমে আসা জল ছোট্র একটি নদী আচমকা পথ খুঁজে না পেয়ে ওপর থেকে নিচের উপত্যকায় তীব্র গতিতে পড়ছে, এমন স্বগীয় প্রকৃতির দৃশ্যের মুখোমুখি হলে যে কোন পর্যটককে মন ও প্রান রোমাঞ্চে ভরপুর হয়ে উঠতে বাধ্য।

পর্যটকরা ঝর্নার পানিতে গোসল করছেন

পর্যটকরা ঝর্নার পানিতে গোসল করছেন

বর্ষার সময় তো মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি অপরূপা ভয়ংকর এবং অতুলনীয়। এখন বর্ষার সময় মাদবকুন্ড জলপ্রপাতটি উত্তাল। জুলাই এবং আগষ্ট মাসে মাধবকুন্ড জল- প্রপাতটি বিশেষ রূপ ধারণ করে। এই দুই মাস গোসল করার সময় সতর্ক থাকা উচিৎ। আমার একাধিক বার বর্ষা কালে জলপ্রপাতটির সৌন্দর্য্য উপভোগ করার সুযোগ হয়েছে। সত্যি বলছি মাধবকুন্ড প্রপাতটি বর্ষা কালেই শ্রেষ্ঠ। নানা রূপে ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ঠ করে। বার্ষার সময় সাতাঁরও কাটা যায়। তবে খুবই সাবধানে। ঝর্নার ধারা তখন খুবই তীব্র গতিতে বয়ে চলে। পর্যটকরা মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি ভ্রমন করে, মন ও শরীর উভয় চাঙ্গা করে নিতে পারেন।

নাসিম রুমি
সাংবাদিক, লেখক ও পর্যটক

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)