আপডেট অক্টোবর ৩, ২০১৯

ঢাকা সোমবার, ৬ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২১ সফর, ১৪৪১

চট্টগ্রাম এবার নাসিরনগরে ১৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব

এবার নাসিরনগরে ১৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব

আকতার হোসেন ভুইয়া,নিরাপদ নিউজ: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা উপলক্ষে নাসিরনগরে ১৪৭টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কাঁশফোটা শরতের শারদীয় এ দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণ রুপ দিতে মন্দিরগুলোতে ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে উপজেলার গ্রাম,পাড়া,মহল্লার হিন্দুপাড়া গুলোতে আগাম শারদীয় উৎসবের আমেদ লক্ষ্য করা গেছে।

উচু-নিচুর বিভেদ ভুলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এক্ত্র করে মহাসম্মিলন ঘটনো হয় বলে এ পূজাকে বলা হয় সার্বজনীন পূজা। আর শরৎকালে হয় বলে বলা হয় শারদীয় উৎসব। আর দূর্গাপূজাকে ঘিরে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১৪৭টি মন্ডপের পূজা উদযাপন কমিটি ব্যস্ত সময় পার করছে।
দেবীকে স্বাগত জানাতে সবর্ত্র আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।হিন্দু সম্প্রদায়ের আবাল,বৃদ্ধা-বনিতা,নারী,পুরুষসহ সব বয়সী মানুষ এ সর্ববৃহৎ শারদীয় উৎসবকে সার্থক করতে প্রহর গুনছে।

উপজেলার সদর ইউনিয়নে ২৪টি,চাতলপাড় ইউনিয়নে ৫টি, ভলাকুট ইউনিয়নে ২৬টি, কুন্ডা ইউনিয়নে ১৫টি, গোয়ালনগর ইউনিয়নে ৮টি,বুড়িশ্বর ইউনিয়নে ১৭টি,ফান্দাউক ইউনিয়নে ১৩টি,গুনিয়াউক ইউনিয়নে ৬টি,চাপরতলা ইউনিয়নে ৫টি,গোর্কণ ইউনিয়নে ১৫টি,পূর্বভাগ ইউনিয়নে ৫টি, হরিপুর ইউনিয়নে ৬টি ও ধরমন্ডল ইউনিয়নে ২টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি কাজল জ্যোতি দত্ত জানান, এবার ১৪৭টি মল্ডপে পূজা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। তাছাড়া নাসিরনগর সাম্প্রদায়িত সম্প্রীতির উপজেলা। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে হিন্দু-মুসলমানেরা একসাথে ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছে। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটবে না বলে তিনি দাবি করেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাজেদুর রহমান জানান,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দূর্গাপূজা সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হযেছে নানা পদেক্ষেপ। প্রতিটি পূজার মল্ডপে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নেয়া হচ্ছে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা। কোন রকম বিশৃংখলা যাতে না হয় সে ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনী সর্তক রয়েছে।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আজগর আলী জানান, উপজেলার ১৪৭টি মল্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা হবে এবং শান্তি -শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে । প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজা মন্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)