আপডেট জানুয়ারি ২৪, ২০১৯

ঢাকা সোমবার, ১ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১২ জিলক্বদ, ১৪৪০

ভ্রমন কক্সবাজারের আশপাশেও সৌন্দর্য রয়েছে

কক্সবাজারের আশপাশেও সৌন্দর্য রয়েছে

ইনানী সমুদ্র সৈকতে

নাসিম রুমি, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, নিরাপদ নিউজ : এই শীতের মধ্যে কক্সবাজার সৈকত ঘুরে ফিরে যেতে পারেন, হিমছড়ি কিংবা ইনানী। এখানে যাবার জন্য ব্যাটারি চালিত রিকশা, বেবি টেক্সি কিংবা জিপ আছে। রিকশায় গেলে পুরো পথটাই হবে আপনার জন্য অনেক মজার। হিমছড়ি পাহাড়, র্ঝণা আর ইনানীর সৈকত ঘুরে আবার শহরে চলে আসুন। কক্সবাজার থেকে হিমছড়ির দূরত্ব প্রায় বারো কিলোমিটার আর ইনানী প্রায় বিশ কিলোমিটার। ঘন্টা পাঁচেক সময় লাগবে জায়গা দুটি বেড়িয়ে আসতে। সন্ধ্যার আগেই আবার সৈকতে ফিরতে ভুল করবেন না। এ সময়ের সূর্যাস্তের দৃশ্যও বেশ মনোহর ভাগ্য ভালো থাকলে আকাশে রঙের খেলা আর লাল থালার মতো সূর্যের সমুদ্র জলে ডুব দেয়ার দৃশ্য কিন্তু এ সময়েই দেখা যায়।

হিমছড়ি সৈকতের পাহাড়ের ভিউ থেকে সাংবাদিক, লেখক ও পর্যটক নাসিম রুমি

প্রতি শীত মৌসুমে কক্সবাজারে পর্যটকদের মেলা বসে এবারও তার কোন ব্যতিক্রম ছিলনা। পর্যটকরা এখন কক্সবাজারে অবস্থান করে হিমছড়ি ও ইনানী বিচও সফর করেন। এ দুটি স্থান সত্যিই অপরূপা। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশের পিচঢালা মনোরম পথ ধরে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির এক বিচিত্র সৌন্দর্যে ভরপুর হিমছড়ি। সমুদ্রর পাড় ঘেঁষে। নয়নাভিরাম ঝর্নাধারা আর পাহাড় ও সাগরের মিতালি দেখতে হলে আপনাকে হিমছড়ি আসতেই হবে। বর্ষা কালে ঝর্নাধারার আসল রূপ দেখা যায়।

কক্সবাজার সৈকত

বর্তমানে এখানে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো খাবার হোটেল ও রেস্তেরাঁ গড়ে উঠেছে। সুউচ্চ পাহাড় দেখে যাদের উপরে ওঠার সাধ তাদের জন্য রয়েছে বিশাল সিঁড়িপথ। উপরে বিশ্রামাগার। এখানে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৫০ টাকা হিসেবে টিকেট কাটতে হয়। শীত মৌসুমে ৬০০-১২০০ টাকায় প্রতিদিন কক্সবাজার থেকে অসংখ্য চাদের গাড়ি কিংবা সিএনজি, অটোরিকশায় যাওয়া যায় অফসিজনে ভাড়া হ্রাস পায়। রিজার্ভ সিএনজি ৪০০-৬০০ টাকায় একক বা রিজার্ভ করেও যাওয়া যায়। তবে দল বেঁধে গেলে খরচ কম পড়ে হিমছড়িতে দাঁড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত নীল সাগরের ঢেউ, পাহাড়ের ধার ঘেঁষে সারি-সারি ঝাউবন আর নৈসর্গিক দৃশ্য দেখার জন্য। হিমছড়ি আপনাকে সারা বছর স্বগত জানাবে।

কক্সবাজারের কাছেই আরেকটি সমুদ্র সৈকত ইনানী। যেখানে ¯œানের মজাই আলাদা। কেননা এখানকার সমুদ্রের জল কক্সবাজার থেকেও অনেক বেশি স্বচ্ছ তাছাড়া। এ সৈকতটিও বেশ সমতল। কক্সবাজারের পরে হিমছড়ি ছাড়িয়ে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই আকর্ষণীয় সৈকত। এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ পাথুরে সৈকত। সমুদ্র থেকে ভেসে এসে এখানকার ভেলাভূমিতে জমা হয়েছে প্রচুর প্রবাল পাথর এখানে এলে মিল খুঁজে পাওয়া যায় সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতের সাথে।
সাংবাদিক, লেখক ও পর্যটক

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)