আপডেট ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ২ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৩ জিলক্বদ, ১৪৪০

ভ্রমন কক্সবাজারে এখনো পর্যটকদের মেলা

কক্সবাজারে এখনো পর্যটকদের মেলা

নাসিম রুমি, ১৮ জুন ২০১৯, নিরাপদ নিউজ : ঈদের পরের দিন থেকে কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন ঘটে এবং এখনো কক্সবাজারের অসংখ্য পর্যটক অবস্থান করছেন। কক্সবাজার এখন পর্যটকদের মেলা। বর্ষায় সমদ্র থাকে উত্তাল। কক্সবাজার থেকে ইনানী বিচে যাওয়ার জন্য ব্যাটারি চালিত রিকশা, বেবি টেক্সি কিংবা জিপ আছে। রিকশায় গেলে পুরো পথটাই হবে আপনার জন্য অনেক মজার। হিমছড়ি পাহাড়, ঝর্না আর ইনানীর সৈকত ঘুরে আবার শহরে চলে আসুন। কক্সবাজার থেকে হিমছড়ির দূরত্ব প্রায় বারো কিলোমিটার আর ইনানী প্রায় বিশ কিলোমিটার। ঘন্টা পাঁচেক সময় লাগবে জায়গা দুটি বেড়িয়ে আসতে। সন্ধ্যার আগেই আবার সৈকতে ফিরতে ভুল করবেন না। এ সময়ের সূর্যাস্তের দৃশ্যও বেশ মনোহর ভাগ্য ভালো থাকলে আকাশে রঙের খেলা আর লাল থালার মতো সূর্যের সমুদ্র জলে ডুব দেয়ার দৃশ্য কিন্তু এ সময়েই দেখা যায়।

কক্সবাজারে পর্যটকদের মেলা

কক্সবাজারে পর্যটকদের মেলা

পর্যটকরা এখন কক্সবাজারে অবস্থান করে হিমছড়ি ও ইনানী বিচও সফর করেন। এ দুটি স্থান সত্যিই অপরূপা। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশের পিচঢালা মনোরম পথ ধরে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির এক বিচিত্র সৌন্দর্যে ভরপুর হিমছড়ি। সমুদ্রর পাড় ঘেঁষে। নয়নাভিরাম ঝর্নাধারা আর পাহাড় ও সাগরের মিতালি দেখতে হলে আপনাকে হিমছড়ি আসতেই হবে। বর্ষা কালে ঝর্নাধারার আসল রূপ দেখা যায়।

হিমছড়ির ঝর্ণা

বর্তমানে এখানে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো খাবার হোটেল ও রেস্তেরাঁ গড়ে উঠেছে। সুউচ্চ পাহাড় দেখে যাদের উপরে ওঠার সাধ তাদের জন্য রয়েছে বিশাল সিঁড়িপথ। উপরে বিশ্রামাগার। এখানে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৫০ টাকা হিসেবে টিকেট কাটতে হয়। শীত মৌসুমে ১০০০-৪০০০ টাকায় প্রতিদিন কক্সবাজার থেকে অসংখ্য চাদের গাড়ি কিংবা সিএনজি, অটোরিকশায় যাওয়া যায় অফসিজনে ভাড়া হ্রাস পায়। রিজার্ভ সিএনজি ৫০০-৭০০ টাকায় একক বা রিজার্ভ করেও যাওয়া যায়।

হিমছড়ি

হিমছড়ি

তবে দল বেঁধে গেলে খরচ কম পড়ে হিমছড়িতে দাঁড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত নীল সাগরের ঢেউ, পাহাড়ের ধার ঘেঁষে সারি-সারি ঝাউবন আর নৈসর্গিক দৃশ্য দেখার জন্য। হিমছড়ি আপনাকে সারা বছর স্বগত জানাবে। পর্যটকদের অনুরোধ করছি। বর্ষাকালে অন্তত একবার কক্সবাজার ভ্রমন করন নিরাশ হবেন না। এই সময় হোটেল ভাড়া বেশ ছাড় পাওয়া যায়। আমরা হোটেল সি-গার্লে অবস্থান করেছিলাম।

নাসিম রুমি, সাংবাদিক, লেখক ও পর্যটক

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)