ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ডিসেম্বর ৪, ২০১৪

ঢাকা বুধবার, ৯ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৪ সফর, ১৪৪১

কৃষি করিমগঞ্জে চাল-গম আত্মসাৎ, দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার সময় পালালেন গুদাম কর্মকর্তা

করিমগঞ্জে চাল-গম আত্মসাৎ, দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার সময় পালালেন গুদাম কর্মকর্তা

নিরাপদ নিউজ,ভৈরব থেকে মো. আলাল উদ্দিন: কিশোরগঞ্জের

 করিমগঞ্জ উপজেলা

করিমগঞ্জ উপজেলা

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আহমদের (৬০) এর বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ মেট্রিক টন চাল-গম আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তপন কুমার দাস করিমগঞ্জে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেন। অভিযোগ প্রমানিত হলে তদন্ত শেষে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তপন কুমার দাস। বিকাল ৩টার দিকে ডেকে আনা হয় পুলিশ ও গুদাম কর্মকর্তাকে । গুদামের সামনে অবস্থান নেয় একদল পুলিশ। তাঁকে আটক করে মামলা লেখা ও গুদামের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার কাজও চলছিল। নতুন গুদাম কর্মকর্তা গুদামের মালামালসহ দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছিলেন। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা ভৈরবে সরকারি কাজের উদ্যেশে চলে যান। তখনো বেশ কয়েকজন পুলিশ গুদাম পাহারা দিচ্ছিল। সিদ্ধান্ত ছিল মামলা লেখা ও গুদামের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পর ওই খাদ্য কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎ সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে গুদাম কর্মকর্তা পালিয়ে যান। এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তপন কুমার দাস বলেন, পুলিশের গাফিলতির কারণে ওই কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন। তাঁকে বরখাস্তসহ বিভাগীয় ও থানায় মামলা করা হবে। করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. আক্তারুজ্জামান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে পুলিশের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। খাদ্য গুদামের লোকজনই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কর্মকর্তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে। পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, গুদাম কর্মকর্তা সৈয়দ আহমদ ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে করিমগঞ্জে কর্মরত ছিলেন। চার মাস আগে অন্যত্র তাঁর বদলির আদেশ হয়। কিন্তু তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেননি। এ সময়ে তিনি তাঁর অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। স¤প্রতি শঙ্কর লাল সাহা নামের এক কর্মকর্তাকে করিমগঞ্জ খাদ্য গুদামে বদলি করা হয়। তাঁকে খাদ্য গুদামের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি করে দেওয়া হয়। তাঁরা দুই সপ্তাহ তদন্ত করে সাড়ে ১১ মেট্রিক টন গম ও ১২ মেট্রিক টন চাল কম পান। পালিয়ে যাওয়ার আগে খাদ্য গুদামের অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আহমদের সঙ্গে কথা হয়েছিল এ সময় তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)