ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট আগস্ট ১০, ২০১৯

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০

চট্টগ্রাম, ব্যবসা-বাণিজ্য কর্ণফুলীতে জমে উঠেছে পশুর বাজার

কর্ণফুলীতে জমে উঠেছে পশুর বাজার

মালেক রানা,নিরাপদ নিউজ:  আবহাওয়ার বৈরী পরিবেশকে উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কর্ণফুলী উপজেলার পশুর হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছে কোরবানির পশু। গত কয়েকদিন আগেও স্থানীয় কয়েকটি বাজারে গরু আসতে দেখা গেছে। বিকিকিনি শুরু হয়েছে পুরোদমে। লাভের আশায় বেপারিরা আগেভাগেই হাটে নিয়ে এসেছে। কর্ণফুলীর বিভিন্ন পশুর বাজারে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। হাটে আসা ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। কর্ণফুলী উপজেলার সিডিএ আবাসিক মাঠে গরুর বাজার,ফকিরনীর হাট গরুর বাজার ও কলেজবাজার হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। প্রতিদিন সকাল হতে গভীরে রাত পর্যন্ত কয়েক শতাধিক গরু, মহিষ ও ছাগল বিক্রি হয়েছে। এসব গরুর অধিকাংশই বড় ও মাঝারি আকৃতির। বিক্রেতারা গরুর দাম বেশি হাঁকছেন দাবি করলেও আজ সহনশীল বলে মনেহচ্ছে। গরু কিনতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ক্রেতারা আর বিক্রেতা বিক্রি করে বেশ হাসিমুখে নিরাপদে বাড়ি ফিরছেন। প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তায় চলছে পশুর হাটে বেচাকেনা। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১০-১৫ মণ ওজনের গরুর জন্য সাড়ে তিন লাখ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে। দুই থেকে তিন মণ ওজনের গরুর ৬৫/৭০ আবার ৬০ হাজার, পাঁচ মণ থেকে আট মণ ওজনের গরুর জন্য ১ লাখ থেকে থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকা হচ্ছে। মইজ্জারটেক সিডিএ আবাসিক মাঠে প্রতিদিন নতুন নতুন গরু, মহিষ আসছে।
ক্রেতাদের চাহিদা মতো সব ধরণের গরু পাওয়া যাচ্ছে এ হাটে। কোন সমস্যা হচ্ছেনা প্রশাসন বেশ সহযোগিতা করছেন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া,দোহাজারি, লোহাগড়া,বাশখালি,চকরিয়া পেকুয়া, আনোয়ারা ছাড়াও দেশের অন্য জেলা কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নওগাঁ থেকে বিভিন্ন গরু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারীরা। কারন চট্টগ্রামের দক্ষিণ জেলার সবচেয়ে বড় হাট হলো মইজ্জ্যারটেক গরুর বাজার। যেখানে নিরাপত্তাসহ ব্যাপারীদের থাকার মতো সুব্যবস্হা অাছে। কর্ণফুলী জোনের সহকারি কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, এখনও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। মলমপার্টি, অজ্ঞানপার্টি ও ছিনতাইকারী প্রতিরোধে পুলিশ তৎপর রয়েছে।এছাড়াও সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ কাজ করছে জনগণের নিরাপত্তায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন গরুর বাজারগুলোতে পযার্প্ত কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা নিরাপদে পশু বেচা-কেনা করতে পারবেন। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক বাজারে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাসহ পুলিশের পাশাপাশি বিশেষ টিম কাজ করছে।গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নকল টাকা প্রতিরোধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)