ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৯ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ১২ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , গ্রীষ্মকাল, ৯ই শাবান, ১৪৩৯ হিজরী

খুলনা, সড়ক সংবাদ কলারোয়ায় পাগলা ঘোড়ার ন্যয় ছুটছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনা

কলারোয়ায় পাগলা ঘোড়ার ন্যয় ছুটছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনা

কলারোয়ায় পাগলা ঘোড়ার ন্যয় ছুটছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনা

নিরাপদনিউজ : কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজার টু কলারোয়া, খোরদো বাজার টু রাজগঞ্জ এবং দেয়াড়া বাজার থেকে কাজির হাট সড়কে,পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটে চলেছে ১২/১১ /১১ মোট ৩৪কিলোমিটার সড়কে শতাধিক, নছিমন, করিমন, ইজিবাইক, মাহিন্দ্র, ট্রলি, ভটভোটি,ইন্জিনভ্যানসহ বিভিন্ন্য অবৈধ্য ও পরিবেশ দূষণকারী যানবাহন।

যে যানবাহন গুলো সরকার কতৃক অনানুমোদিত এবং নেই কোনো রেজিষ্ট্রেশন। এমনকি  চালকদেরও নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স। ফলে চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোয় ঘটছে র্দূর্ঘটনা আবার সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বড় অংকের রাজস্ব হতে।
জানা যায়, উপজেলার খোরদো টু কলারোয়, খোরদো টু রাজগঞ্জ যশোর এবং দেয়াড়া টু কাজির হাট ব্যস্ততম সড়কের আধিপত্য ঐ যানচালকদের।
উপজেলা দেয়াড়া খোরদো বাজার ব্রিজ রোডস্থ পুরাতন হৃদয় সিনেমা হলের তিন রাস্তার মোড়ে এবং খোরদো মটরসাইকেল স্ট্যান্ডস্থ কলারোয়া সড়ক অবরোধ করে যত্রতত্র করা হয় ঐ যানবাহনসহ মটরসাইকেল পার্কিং। ফলে রোডে শুরু হয় যানজট।
আরো জানা যায়, আগে পৌছালে আগে সিরিয়াল পাওয়া যায় বলে অন্যান্য গাড়ী চালকদের চেয়ে মাহেন্দ্র, ইজিবাইক, নছিমন, ইন্জিনভ্যানসহ ভাড়া চালকরা গাড়ি চালায় বেপরোয়া গতিতে। ফলে প্রতিনিয়িত ঘটছে দূর্ঘটনা।যে সব দুর্ঘটনার পুর্বের যতেষ্ট নজির আছে জনসাধারণের ভিতস্থততের মাঝে।
আবিদ হাসান নামের একজন পথচারী বলেন, আমাদের ৫০ হাজার টাকার মোটর সাইকেলের কাগজ করতে লাগে ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু লক্ষ লক্ষ টাকার ঐ সব যানবাহন ক্রয় করে রেনডম রাস্তায় চালানো হচ্ছে অথচ তাদের কোন রেজিষ্ট্রেশন করা লাগছে না।সচেতন মহলের দাবি নাকে তেল দিয়ে শুধু এসির  বাতাস ভোগ না করে কালো ধোঁয়া ও বিকট শব্দের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে পরিত্রাণ পেতে  সংশ্লিষ্টদের এখুনি উদ্যোগ নেয়া উচিত! তানাহলে দ্রুত শিশু থেকে বৃদ্ধদের অকাল মৃত্যু বরন করতে হবে শব্দ দূষণ ও দম বন্ধ হওয়া কালো ধোঁয়ার কবলে পড়ে বলে মনে করছেন হাজারো ভুক্তভোগী আমজনতা ।
তাছাড়া, আরো সচেতন মহলে আলোচিত যে, সারা দেশের ন্যয়, যশোর জেলা ও সাথক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় অবৈধ্য কার্বনডাইঅক্সাইড নির্গতকারী যানবাহন, নছিমন করিমন, আলমসাধু, ভটভোটি কালো ধোঁয়া নির্গত করে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে মাত্রাতিরিক্ত !তবে শহরাঞ্চলে তুলনায় গ্রামাঞ্চলে তার ব্যপক প্রভাব বিস্তার করেছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ । অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনসাধারণ জীবন যাত্রা ! তারই ধারাবাহিকতার ফলে কলারোয়া উপজেলাও কম প্রভাব ফেলছে না বলে দাবি করেছেন সচেতন মহল ।
অবৈধ নছিমন-করিমনের কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত কলারোয়ার দেয়াড়ার জনসাধারণ। আর শব্দ-পরিবেশ দূষণের সাথে ঘটছে দুর্ঘটনাও।
কলারোয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চলে অবৈধ নছিমন, করিমন, আলমসাধু, ভটভোটির মাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ। অনেক সময় কালো ধোঁয়ায় দিনের বেলাতেও রাস্তা অন্ধকার হয়ে যায়। সেই সাথে বিকট শব্দে বিরক্ত হতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। এমনই অবস্থা যে মাঝে মধ্যে জনজীবন দম বন্ধ হওয়ার উপক্রমও হচ্ছে। এর সাথে যোগ হয়েছে ছোটখাটো বিভিন্ন ধরণের দূর্ঘটনাও।
তদুপরি, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোড, অদক্ষ চালক, নিয়মনীতি না মানা, ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ বিষয়ক সমস্যা, অতি লোভ, উদাসীনতা ও অবহেলায় দূর্ঘটনার পাশাপাশি শব্দ ও পরিবেশ দূষণের জালে আটকা পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
এদিকে  শব্দ দুষিত, কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্তকারী এবং বেপরোয়া দুর্ঘটনার মূল হুতা, ঐ সমস্ত যানবাহন পরিবেশ ও জনজীবনকে মুক্তি দিতে খুব দ্রুত উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন একাধিক চিকিৎসক ও সচেতন মহল।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)