সংবাদ শিরোনাম

১৭ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং

00:00:00 বুধবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , হেমন্তকাল, ২৮শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী
ব্যবসা-বাণিজ্য কলারোয়ার দেয়াড়ার খোরদো বাজার: জমে উঠেছে ঈদের পোশাক কেনাকাটা

কলারোয়ার দেয়াড়ার খোরদো বাজার: জমে উঠেছে ঈদের পোশাক কেনাকাটা

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৬, ২০১৭ , ৮:৫৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: ব্যবসা-বাণিজ্য

জমে উঠেছে ঈদের পোশাক কেনাকাটা

সরদার কালাম , নিরাপদ নিউজ : প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের  প্রাণের উৎসব ও আনন্দের দিন, উৎসব মুখরিত ঈদের দিন।তারই ভিতরে চলছে ধর্মপ্রাণমুসলমানদের সংযোমের মাসের রোজা ব্রত! সেটাও চলছে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে আখিরাতের মুক্তিরকাম্য! এবং রমজানের রোজার শেষে ঈদের একটা আনন্দঘন মুহূর্তও চলছে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে!সেই মহানান্দঘন দিনকে ঘিরে চলছে নানান ধরনের আয়োজন ও পুরাতন সব জিনিসকে,(বস্ত্র)ব্যতিরেকে নতুন কিছু আঁকড়ে পরিধানের আনন্দময় প্রস্তুতি। কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের খোরদো বাজার দোকান ও ফ্যাশন হাউসে শোভা পাচ্ছে ঈদল ফেতরের বিশেষ পোশাক।রমজানের প্রথম দিনটি থেকেই মনের আঙ্গীনায় রঙে রঙে সাজিয়ে তুলতে শুরু করেছিলো! তারই প্রেক্ষিতে শুরু হয়েছে নারী-পুরুষ শিশু বনিতা সকলে কেনাকাটায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। সেই আনন্দকে অন্যান্য ধর্মের আনন্দ প্রিয় মানুষ হিন্দু, খ্রীষ্টানসহ সকলের কাছে জমে উঠেছে ঈদ পোশাক বেচাবিক্রি।আরো শুরু হয়েছে দর্জির দোকানে উপছে পড়া ভিড়!ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈদের আনন্দঘেরা দিনের উদযাপন সামনে রেখে ঈদ পোশাক বিক্রির জন্য  কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের বিভিন্ন হাট-বাজারে কয়েক শতাধিক বস্ত্র ব্যবসায়ী কয়েক লক্ষ টাকার তৈরি পোশাক, শাড়ি ও তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গহনা ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন সামগ্রী দোকানে তুলেছেন।প্রায় মে মাসের অর্ধেকটা সময় থেকেই দোকানিরা ঈদের পোশাক বিক্রিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।বিক্রিও করছেন অন্য ধর্মাবলম্বী সকলের আনন্দকে ভাগাভাগি করার উৎসাহী মানুষের কাছে। নগরজুড়ে এখন ঈদের পোশাকের বিপুল সমাহার।কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের সকল বাজারের দোকান ও মার্কেটগুলোতে ঈদল ফেতরের মহিমান্বিত আনন্দময় দিনকে সামনে রেখে এবারে নানান ডিজাইন ও রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টি-শার্ট, প্যান্টের রয়েছে বিভিন্ন্য প্রকারের সমাহার রয়েছে আরো গেঞ্জি জাতীয় বস্ত্র ও দর্জির দোকানী থান কাপড় স্থান পেয়েছে। এবারের মুসলমানদের আনন্দকে আন্দোলিত করতে প্রতিটি পোশাকেই লাল-সাদার পাশাপাশি উজ্জ্বল রঙের মধ্যে হলুদ, কমলা, নীল, মেরুন, সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে। মেয়েদের কামিজে অ্যামব্রয়ডারি, টাইডাই ও ফুলেল প্রিন্টের কাজ আনা হয়েছে। শিশুদের ফ্রগ ও অন্যান্য পোশাকে বিভিন্ন্য ধরনের নকশা অ্যাম্ব্রয়ডারিসহ  সাদা লাল-সবুজ ও নীলের সংমিশ্রণ আনা হয়েছে। আর শাড়িতে বিভিন্ন রকমের আলপনা করা হয়েছে। পাঞ্জাবি টুপি রয়েছে নানান রঙের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। পাঞ্জাবি ও শাড়িতে লাল-সাদাসহ বিভিন্ন্য রংয়ের মিশ্রণে বস্ত্রকে যেসব আলপনা করা হয়েছে তাতে  সকলেই আকৃষ্ট হচ্ছে এবং বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে আতর, গোলাপের সেন্ট পারফিউম জাতীয় দ্রব্য এবং ভিড় জমে উঠেছে কসমেটিক্স দোকানগুলোতেও।এবং তারা পরিয়ে দিচ্ছে বাচ্চাদের হাতে নানান ধরনের চুড়ি ফিতাসহ বিভিন্ন্য কসমেটিক্স সামগ্রীর! ভিড় জমে উঠেছে কসমেটিক্স দোকানগুলিতে! আরো জমে উঠেছে চামড়াজাতসহ বিভিন্ন্য জুতা স্যান্ডেল মার্কেটে এবং তারাও মানিয়ে দিচ্ছে পায়ের সাথে।অন্যান্য বারের মতো এবারও শিশুদের পোশাক ও অন্যান্য পরিদেহ পোশাকে দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।সকল মুসলমানদের ঐতিহাসিক আনন্দঘেরা দিন ঈদের দিনকে সামনে রেখে দেয়াড়া ইউনিয়ানের দোকানগুলোতে বাহারি রং ও ডিজাইনের পোশাক তরুণ-তরুণী ও শিশুদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করছে এবং গায়ে জড়িয়ে দিচ্ছেন দোকানিরা। ধনী ও মধ্যবিত্তরা ঈদের পোশাক কেনার জন্য ছুটছেন বড় বড় মার্কেটের দিকে। আর নিম্নবিত্তরা ঈদের দিনকে বরণ করতে ফুটপাত বা সড়কের ধারের ছোটখাটো দোকান থেকে ঈদের শাড়ি, পাঞ্জাবি টুপি, প্যান্ট, টি-শার্ট, থ্রি-পিছসহ নানান ধরনের শিশুদের সহ সকলের প্রয়োজনীয় পোশাক কিনে নিচ্ছেন।ঈদের দিনকে সামনে রেখে যেসব তৈরি পোশাক বাজারে এসেছে এসবের দাম ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।তাছাড়া এবার দেশীয় পোশাকের মানও অনেক ভালো থাকাই আকৃষ্ট ও বিক্রিতে ব্যপক ভুমিকা রাখছে দেশীয় তৈরি সকল প্রকার পোশাক! কলারোয়ার দেয়াড়া ইউনিয়ানের খোরদোসহ অন্যান্য বাজারের বস্তু ব্যবসায়ীরা  জানান,ঈদের দিনকে সামনে রেখে ছেলে শিশু ও কন্যা শিশুদের ব্যতিক্রমী পোশাক দোকানে তোলা হয়েছে। এবারে শিশুদের পোশাকে দৃষ্টিনন্দন কাজে ও রঙে নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করেছে।এবং সেই সাথে খোরদো বাজার ব্রিজের উপরে নববর্ষ উপলক্ষে উৎসুক জনতার ঢল নামতে শুরু হয়েছে। দুর দুরান্ত থেকেও ছুটে আসছে ঈদের আনন্দভরা মন নিয়ে আকর্ষণীয় খোরদো ব্রিজের উপর। জনতার ঢল দেখেই মনে হচ্ছে সে যেনো এক অন্য রকম আমেজে বরন করে নিতে ইচ্ছুক ঈদল ফেতরের আনন্দঘেরা দিন ঈদকে।প্রতিটি মানুষের মনের মধ্যে যাপন করছে,ঈদের আনন্দঘেরা মনটা যেনো থাকে সারাটি বছর।এমনই একটি ভাব পরিলক্ষিত হয়।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us