ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৬ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২০ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ ‘কাশ্মীর কেবল এক টুকরো জমির অংশই নয়, এটা ভারতের মুকুট’

‘কাশ্মীর কেবল এক টুকরো জমির অংশই নয়, এটা ভারতের মুকুট’

নিরাপদ নিউজ: ভারতের জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে বিরোধী দলগুলিকে নিশানা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার মহারাষ্ট্রের জলগাঁও-তে বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)’সহ বিরোধী দলগুলিকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদের আমি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, তাদের যদি সাহস থাকে তবে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে আপনারা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করুন। তাদের যদি সাহস থাকে তবে তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দিয়ে বলুক যে ৩৭০ ও ৩৫ ধারাকে ফের ফিরিয়ে আনবে। যেটা বিজেপি ও মোদি সরকার বিলোপ করেছিল। তারা বলুক যে ৫ আগস্টের সিদ্ধান্তের বদল ঘটাবে।’

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে এবং রাজ্যটিকে বিভক্ত করে দুইটি অঞ্চলে ভাগ করার (জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ) সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলগুলিই। এই ইস্যু নিয়েই মোদির অভিমত, যারা কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিরোধিতা করবে তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত বলে কিছু থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘বিরোধীদের কুমিরের কান্না থামানো উচিত। তারা যদি এই ধারাকে ফের ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা করে তবে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না, তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতও শেষ হয়ে যাবে।’
পাকিস্তানের সাথে বিরোধী দল কংগ্রেস ও এনসিপি-কে এক সারিতে বসিয়ে নরেন্দ্র মোদির অভিযোগ, ‘ভারতের কয়েকটি রাজনৈতিক দল আছে, যারা এই সিদ্ধান্তের (৩৭০ ধারা প্রত্যাহার) বিরোধিতা করছে, রাজনীতি করছে। এই দলগুলিই আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসবে। তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ভাষায় কথা বলে। আসলে দেশের জাতীয় স্বার্থের পক্ষে সমর্থন জানাতে তাদের দ্বিধাবোধ হয়।’

আগামী ২১ অক্টোবর এই মহারাষ্ট্রে ২৮৯টি আসনে বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাজ্যটিতে প্রথম নির্বাচনী সফরে গিয়ে কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর কেবল এক টুকরো জমির অংশই নয়, এটা ভারতের মুকুট। গত চল্লিশ বছর ধরে এখানে শুধু ভয়ের বাতাবরণ ছিল, বিচ্ছিন্নতাবাদ ছিল। এখানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ৪ মাস সময়ও নেবো না। উপত্যকায় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)