আপডেট ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ , গ্রীষ্মকাল, ১০ রমযান, ১৪৩৯

বরিশাল কুয়াকাটায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কুয়াকাটায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কুয়াকাটায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রাসেল কবির মুরাদ , ১৭ এপ্রিল, ২০১৭, নিরাপদনিউজ : চতুর্থ দফায় কুয়াকাটায় সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন বেরিবাধে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চালানো উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় শতাধিক অবৈধভাবে নির্মিত দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়। কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট থেকে বেড়িবাঁধ ঘেষা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তি থেকে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন। সহকরী কমিশনার (ভূমি) বিপুল চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযানে এসময় উপস্থিত ছিলেন পাউবো কলাপাড়া সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের।
তবে বিনা নোটিশে হঠাৎ এই উচ্ছেদ অভিযানে কিংকতর্ব্যবিমুর হয়ে পড়ে ক্ষুদে দোকানীরা। দোকানীদের দাবী মাত্র চার থেকে পাঁচটি স্থাপনার উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান করা হলেও প্রায় শতাধিক দোকান এসময় উচ্ছেদে করা হয়েছে। তাৎক্ষনিকভাবে দোকান সরাতে গিয়ে অনেকের মালামাল চুরি হয়ে গেছে।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকরী সহকারি কমিশনার (ভূমি) বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, দখলদারদের বিশৃঙ্খলভাবে দোকানঘর তোলার ফলে পর্যটকরা বেশ সমস্যার সম্মুখীন হত। সাধারন মানুষসহ পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাত। ফলে সরকারীভাবে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেরিবাঁধ এবং ফার্মস এন্ড ফার্মস এর জমিতে ইতিপূর্বে তিনবার অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তখন আদালতে মামলার কারনে পানি উন্নয়ন বোর্ড বেশ কিছু দোকান উচ্ছেদ করতে পারেনি। এসুযোগে এসব মালিকরা তাড়াতাড়ি প্রায় শতাধিক অস্থায়ী দোকান তোলে। আদালতের রায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ৬০টি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারী ১২১টি এবং ২৭ ফেব্রুয়ারী ২৫টি অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)