ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট October ১৭, ২০১৯

ঢাকা শুক্রবার, ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বরিশাল কোস্টগার্ডের জাহাজ নোঙরের কারণে যাত্রী সাধারনের দূর্ভোগ

কোস্টগার্ডের জাহাজ নোঙরের কারণে যাত্রী সাধারনের দূর্ভোগ

কামরুল হাসান,নিরাপদ নিউজ: পটুয়াখালীর বাউফলের নিমদী লঞ্চঘাটে কোস্টগার্ডের জাহাজ নোঙরের কারণে যাত্রী সাধারনের দূর্ভোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লঞ্চঘাটের একজন সুপার ভাইজার জানান, প্রতিদিন নিয়মিত বিভিন্ন রুটের কয়েকটি একতলা লঞ্চ ছাড়াও ঢাকাগামী তিন তিনটি ডবল ডেকার লঞ্চ ঘাট দেওয়ায় হাজারো যাত্রী সাধারণ ওঠানামা করে নিমদী লঞ্চঘাটের পল্টুন দিয়ে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ রক্ষার নামে লঞ্চঘাটের একমাত্র পল্টুনে কোস্টগার্ডের সাদা রঙের একটি জাহাজ (পি ১১১) নোঙর করে থাকায় ওই পল্টুনে সাবলিল ভিড়তে পারছে না ঢাকাগামী ডাবল ডেকার লঞ্চগুলো। কোস্টগার্ডের ওই জাহাজের কারণে লঞ্চ ও লঞ্চের যাত্রী সাধারণের ওঠানামায় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অপরদিকে পল্টুনের বাহিরে লঞ্চ ভেড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে ফেলা জিও ব্যাগের বাঁধ। অবরোধে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ রক্ষায় এসে এক অজানা কারণে টহল না দিয়ে লঞ্চঘাটে কেবল জাহাজ নোঙর করে রেখে নিকট থেকে জেলেদের ইলিশ শিকারের দৃশ্য দেখছে। স্থানীয় ওই সুপারভাইজার বলেন, ‘ইলিশ রক্ষায় কোস্টগার্ডের ওই জাহাজটি নদীতে টহল দেওয়ার কথা থাকলেও ঘাটে নোঙর করে থেকে টাকা পয়সা-লেনদেনের মাধ্যমে নির্ভিগ্নে ইলিশ শিকারে জেলে নৌকা পাহারার ভূমিকা পালন করছে জাহাজের কোস্টগার্ডের সদস্যরা। অদূরেই জেলেরা নৌকায় ইলিশ শিকার করলেও দেখে তারা না দেখার ভান করছে। লঞ্চঘাটের পল্টুনে লঞ্চ ঘাট দেওয়া ও যাত্রী সাধারণের ওঠা নামায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা বললেও কোন প্রতিকার মেলেনি। চলতি নিষেধাজ্ঞার সময় ছাড়াও বিভিন্ন সময় এরা দখল করে থাকে এই ঘাটের একমাত্র পল্টুনটি।’ আব্দুল কাদের নামে স্থানীয় একজন বলেন, ‘কোস্টগার্ডের সদস্যরা স্থানীয় কয়েকজন ও জেলেদের সঙ্গে সখ্যতা করে এই অবরোধে মোটা অঙ্কের টাকা কামাইতেছে। তেঁতুলিয়া নদীতে অদূরে জেলেরা ইলিশ ধরছে আর ওনারা নদী পাহারা না দিয়া লঞ্চঘাটে নোঙর কইর‌্যা যাত্রীদের ওঠা নামায় কস্ট দিতেছে। এসব দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করইর‌্যা এক ইন্টারনেটে ছাড়লেও তাদের টনক লড়ে নাই।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা-কালাইয়াগামী এক ডবল ডেকার লঞ্চের ইন্সপেক্টর জানান, ‘আমাদের এতবড় লঞ্চ ছোট্ট এই পল্টুনে ভিড়াটাই দু:সাধ্য। উপরন্তু কোস্টগার্ডের জাহাজ প্রতিনিয়ত লঞ্চ ভেড়ার সময়ে পল্টুনে অবস্থান করলে যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।’ এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বীকার করে ওই জাহাজের দায়িত্বে থাকা কোস্টগার্ডের সিনিয়র প্যাডি অফিসার মো. ওবায়দুল হক (০১৭৬৬৬৯০৭৭০) বলেন, ‘লঞ্চ ভিড়তে পন্টুনের অর্ধেকাংশ ছেড়ে দিয়ে আমাদের জাহাজ নোঙর করা হয়েছে। স্পিড বোর্ড না থাকায় জেলে নৌকা পাকরাও করতে সমস্যা ছিল। তবে আজ থেকে ভোলা অঞ্চল থেকে পাওয়া একটি স্পিড বোর্ডে তেঁতুলিয়া নদীর চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় আমাদের সদস্যরা টহল দিচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)