ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মে ২১, ২০১৯

ঢাকা সোমবার, ১ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১১ জিলক্বদ, ১৪৪০

রাজনীতি, লিড নিউজ খালেদা জিয়াকে বন্দী রেখে সরকারের নিষ্ঠুর খেলার পরিণাম শুভ হবে না: রিজভী

খালেদা জিয়াকে বন্দী রেখে সরকারের নিষ্ঠুর খেলার পরিণাম শুভ হবে না: রিজভী

নিরাপদ নিউজ: খালেদা জিয়াকে বন্দী রেখে সরকারের নিষ্ঠুর খেলার পরিণাম শুভ হবে না মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ভয়াবহ দুঃশাসন ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর যে হিংস্র আচরণ চালাচ্ছে তাতে বিশ্বের সকল স্বৈরাচারের ইতিহাস হার মেনেছে। নারী-শিশু নির্যাতনকারী ও দখলবাজ-লুটেরারা দেশব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বেপরোয়া নারী-শিশু নির্যাতন থেকে শুরু করে গুম, খুন, অপহরণ, বিচার বহির্ভূত হত্যা, গুপ্ত হত্যা এবং জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় দেশের মানুষ এখন সর্বদা আতঙ্কিত জীবন-যাপন করছে। এই ভয়াবহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জনগণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিহিংসা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, দেশের চারবারের প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের ভরসাস্থল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে জীবন বিপন্ন করার পাঁয়তারা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে এটি সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, তাঁর ইচ্ছাতেই বেগম জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশনেত্রীকে কারাগারে রেখে আমরা বাইরে বসে থাকতে পারিনা, তাঁর মুক্তির জন্য দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আওয়াজ তুলতে হবে। তিনি বলেন, শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ বেগম জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘আয়েশ-পায়েশ’ ইত্যাদি ব্যাঙ্গাত্মক রসিকতায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিষ্ঠুর মনেরই পরিচয় দিয়েছেন। যে নেত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে, মত প্রকাশের পক্ষে সেই দেশনেত্রীকে নির্যাতন করে শেখ হাসিনা আনন্দ পান। গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না করলে দেশ খাদের কিনার থেকে পড়ে গিয়ে অতলে তলিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার আগুন নেভাতে হলে আমাদেরকে রাজপথে আসন গ্রহণ করতে হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, দেশে লাখ লাখ তরুণ বেকার, কর্মসংস্থান নেই, ধানের ক্ষেতে আগুন, দূষিত পানি সরবরাহ, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, অথচ সরকারের তথাকথিত উন্নয়নের গলাবাজী থামছে না, লুটপাটের উন্নয়নের কথা শুনতে শুনতে জনগণ প্রচন্ত অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। চাপাবাজী দিয়ে জনগণের ক্ষোভকে নেভানো যাবে না।
মিছিল শেষে আরও বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)