আপডেট ৩১ মিনিট ৫ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ আষাঢ়, ১৪২৫ , বর্ষাকাল, ৪ শাওয়াল, ১৪৩৯

কৃষি, রংপুর গাঢ় সবুজের বিপ্লব গাইবান্ধার ইরি-বোরো ক্ষেত

গাঢ় সবুজের বিপ্লব গাইবান্ধার ইরি-বোরো ক্ষেত

গাঢ় সবুজের বিপ্লব গাইবান্ধার ইরি-বোরো ক্ষেত

তোফায়েল হোসেন জাকির, নিরাপদ নিউজ:  শষ্য শ্যামলা সবুজ বাংলার কৃষি ভান্ডার হিসাবে খ্যাত গাইবান্ধা জেলা। জেলার সাতটি উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের চাষাবাদকৃত ধানের ক্ষেত এখন গাঢ় সবুজে পরিনত হয়েছে। সম্প্রতি দিগন্ত জুড়ে নজর কাড়ছে ইরি-বোরো ফসলের ক্ষেত। কৃষকরা ইতিমধ্যে ক্ষেত পরিচর্যা শেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার সার-কীটনাশক প্রয়োগ অব্যহত রেখেছেন।

জামালপুরের বুজরুক রসুলপুর গ্রামের কৃষক জহির উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম ও মোসলেম উদ্দিন জানান, আবহাওয়া অনূকুল বা কোন প্রকিৃকিত দুর্যোগ না ঘটলে গত বছরের তুলনায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সাদুল্যাপুর উপজেলার একাধিক কৃষকের অভিযোগ, চাষাবাদকৃত ইরি ক্ষেতে কিছু রোগ-বালাই দেখা গেছে। এক্ষেত্রে পরামর্শ প্রদানের জন্য কৃষি বিভাগের কোন কর্মকর্তা মাঠে আসেন না। তারা সঠিক পরামর্শ দিলে অধিক ফসল উৎপাদন করা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ১৪ হাজার ৭শ ৮০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে।

কৃষক জলিল , সোলায়মান ও তছলিম উদ্দিন বলেন, চলমান আবহাওয়ার বিরুপ প্রক্রিয়া না ঘটলে গত বছরের তুলনায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্গা চাষী জহির উদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন সহ আরও অনেক কৃষক জানান, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সার, ডিজেল ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বোরো আবাদে কিছুটা ব্যহত হয়েছে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্ত আবু তাহের মিয়া বলেন, উপজেলার নিচু এলাকার কৃষকরা সেচ পাম্পের সাহায্যে জলাবদ্ধ বিলগুলোর পানি নিষ্কাশন করে বোরো আবাদ করায় গতবারের তুলনায় এ বছর বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।

এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণকে কখনও মাঠ পর্যায়ে দেখা যায় না। তারা যদি কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দিতেন তাহলে অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সাঈদ মোঃ ফজলে এলাহী জানান, কৃষকদেরকের ক্ষেতে কঞ্চি পুতে দেয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে ওই সমস্ত কঞ্চিতে পাখি বসে জমির ক্ষতিকর পোকা নিধন করতে পারে। সেই সাথে পরিচর্যা করে কম মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করে অধিক ফলনের কলা-কৌশলও কৃষকদের শেখানো হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)