আপডেট ২৩ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ১২ চৈত্র, ১৪২৫ , বসন্তকাল, ১৮ রজব, ১৪৪০

বিনোদন ঘর পালানো মেয়ে স্নিগ্ধা!

ঘর পালানো মেয়ে স্নিগ্ধা!

আহমেদ সাব্বির রোমিও,নিরাপদনিউজ : এসময়ের উঠতি অভিনেত্রীদের মাঝে স্নিগ্ধা মোমিন ইতিমধ্যে সকলের দৃষ্টিতে পড়েছেন। তিনি দর্শকদের ভালো ভালো নাটক উপহার দিয়ে এই দৃষ্টি কেড়েছেন। আজ ১১ জানুয়ারি এসএ টিভিতে রাত ৯টায় প্রচার হবে স্নিগ্ধা মোমিন অভিনীত নতুন নাটক ‘ঘর পালানো মেয়ে’। এটি লিখেছেন শ্রাবনী ফেরদৌস। স্নিগ্ধা ছাড়াও এ নাটকে আরো অভিনয় করেছেন নিলয় আলমগীর, আজম খান, রাশেদা চৌধুরীসহ আরো অনেক।

রয়েল টাইগার নিবেদিত ও পথিক প্রযোজিত ‘ঘর পালানো মেয়ে’ নাটকের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন শুভ্র খান। এ নাটকের কাহিনী হচ্ছে-

তিথির বিয়ে, বিয়ে ঠিক করেছে তার বাবা। ছেলের নাম পিয়াস, ছেলেকে দেখে নাই তিথি। তার ভয় বিয়ে করলে তো জীবন শেষ। কিভাবে কাটাবে একজন ছেলের সাথে দিনের দিন। আর এ ভাবনা থেকেই তিথি ঘর পালায়। আমাদের গল্পের শুরু এখান থেকে- ঘর থেকে পালিয়েছে তিথি-কোথায় যাবে কি করবে কিছুই জানে না, ভাবে কোনমতে রাতটা কাটিয়ে বিয়ের সময়টা পার করে বাসায় হাজির হবে। বাবা যে পরিমান ভালবাসে হাজির হলেই তিথির সব কিছু মাফ।রাতে বেরেই গেছে তিথি কিন্তু রাস্তাঘাট-লোকজন মোটেও ভাল নয় চারপাশের। তার উপর তিথি বেশ ভাল সুন্দরী।

সারা রাত জুড়ে ঘটতে থাকে তিথির সাথে নানান অনাকাংক্ষিত ঘটনা আর সব ঘটনা থেকে তাকে উদ্ধার করে একটি অপরিচিত ছেলে। ছেলেটির ব্যবহার তিথিকে মুগ্ধ করে ভাল লাগে তার সবকিছু তাই শেয়ার করে ছেলেটির সাথে তিথির সব স্বপ্ন তার ভবিষ্যত ভাবনা। ভাল বন্ধুত্ব হয় দুজনের মাঝে।ছেলেটি বুঝায়, তিথির উচিৎ বাড়ি ফিরে যাওয়া আর বাবা পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করা।

তিথি ছেলেটির কথা রাখে। সকালে ছেলেটি তিথিকে বাড়ির গেইটে ছেড়ে আসে। সবকিছু আবার যখন ঠিকঠাক তখন তিথির মনে হয় সে ছেলেটিকে মিস করছে। বাবাকে বলে সে ছেলেটিকে মিস করছে, বাবা বিয়ের পাত্র বদলাতে চায় বলে মেয়ে যদি চায় এ বিয়ে বন্ধ করতে পারে। কিন্তু তিথি তো ওই ছেলে সম্পর্কে কিছুই জানে না। ঠিকানা ফোন নম্বর এমন কি নামটা পযর্ন্ত, কিছুই তার কাছে নেই। সে বলে সে বাবার পছন্দেই বিয়ে করবে।

বিয়ে করে ফেলে তিথি। তিথির ভীষন মন খারাপ। আয়নায় মুখ দেখার সময় ঘটে আরেকটি ঘটনা, একি এ তো সেই ছেলেটি। তিথি অবাক বাবাকে ইশারায় বলে তিথি এ ই সেই ছেলে। সবার মুখে হাসি। নাটকের সমাপ্তি আর তিথির নতুন জীবন শুরু।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)