ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

ঢাকা মঙ্গলবার, ৬ চৈত্র, ১৪২৫ , বসন্তকাল, ১২ রজব, ১৪৪০

ভ্রমন ঘুরে আসুন সাজেক, সেন্টমার্টিন ও সুন্দরবন

ঘুরে আসুন সাজেক, সেন্টমার্টিন ও সুন্দরবন

সাজেক ভ্যালি

নাসিম রুমি, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, নিরাপদ নিউজ: আমাদের দেশে ভ্রমণের জন্য অসংখ্য সুন্দর জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে সাজেক,সেন্টমার্টিন, সুন্দরবন ও কক্সবাজার অন্যতম। রাঙ্গামাটি জেলার অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ হলো সাজেক উপত্যকা। বাংলাদেশ আর্মির সহায়তায় সেখানে একটি নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে যাতে পর্যটকরা খুব সহজে সেখানে যাতায়াত করতে পারেন। সাজেক উপত্যাকাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০০ ফুট উপরে। যদিও রাঙ্গামাটি জেলায় সাজেক উপত্যাকাটি অবস্থিত কিন্তু এখানে যাওয়া আসা করার জন্য খাগড়াছড়ি সবচেয়ে ভালো উপায়। খাগড়াছড়ি হতে চান্দের গাড়িতে করে দিঘিনালা বাজার হয়ে সাজেক যেতে হয়। দিঘিনালা থেকে চান্দের গাড়ি ছাড়া আর কোনো যানবাহন সেখানে পাওয়া যায় না। সাজেকের সূর্যদোয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য সবার মন হরণ করে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ

কক্সবাজারের শেষ মাথায় টেকনাফ হতে জাহাজ যোগে সমুদ্রপথ পেরিয়ে যেতে হয় সেন্টমার্টিন দ্বীপে। প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্যে সাজানো এই দ্বীপ। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এ দ্বীপটি মাত্র ৮ বর্গ কি.মি. সেন্টমার্টিনে যাওয়ার জন্য সকালে সাধারণত জাহাজ টেকনাফ হতে যাত্রা শুরু করে এবং দুপুরে আবার জাহাজটি কক্সবাজার ফেরত আসে। আপনি চাইলে সেন্টমার্টিনে রাত্রীযাপনও করতে পারেন। এখানে অনেক রিসোর্ট গড়ে উঠেছে এবং আস্তে আস্তে পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটছে। সেন্টমার্টিনের সাথে আরেকটি ছোট দ্বীপ রয়েছে যার নাম ছেঁড়া দ্বীপ। সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এ দ্বীপে পর্যটকের যাতায়াত করার অনুমতি রয়েছে। বাকি সময়টুকু কর্তৃপক্ষ সেখানে সাধারণ জনগণের চলাচল বন্ধ রাখে।

সুন্দরবনের প্রবেশের পথে লেখক নাসিম রুমি

সুন্দরবনকে বলা হয়ে থাকে বিশ্বের বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন। সুন্দরবন অবশ্য পুরোটুকু বাংলাদেশের অংশ নয়। এর কিছু অংশ প্রতিবেশী দেশ ভারতে রয়েছে। সুন্দরবনে রয়েছে বাংলার বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, কুমির এবং আরো অনেক জীব। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট সহ ভারতের কয়েকটি জেলা নিয়ে সুন্দরবন। এর আয়তন ৬০০০ বর্গ কি.মি. ঢাকা থেকে বাস অথবা ট্রেনে খুলনা গিয়ে সেখান থেকে কোটকা হয়ে আপনি ঘুরে আসতে পারেন সুন্দরবন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)