আপডেট ডিসেম্বর ১২, ২০১৫

ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৫ শাওয়াল, ১৪৪০

চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে ম্যারাথন দৌড় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ম্যারাথন দৌড় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ম্যারাথন দৌড় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ম্যারাথন দৌড় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত

শফিক আহমেদ সাজীব, ১২ ডিসেম্বর ২০১৫, নিরাপদনিউজ : সাইকেল স্টান্টের কারিগরি আর ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো নীলসাগর গ্রুপ স্কাই ম্যারাথন।

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথনে যুক্ত হয়েছিল করপোরেট গ্রুপ, সাইক্লিং গ্রুপ, পর্বতারোহন গ্রুপগুলো।শুক্রবার শহরের বুকে নামে সাইক্লিস্ট ও দৌড়বিদদের এ অনন্য ম্যারাথন।

দেশের স্বনামধন্য অ্যাডভেঞ্চার প্রতিষ্ঠান এভারেস্ট একাডেমি এবং এ ফর অ্যাডভেঞ্চারের আয়োজনে এ স্কাই ম্যারাথনে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্ত হয় বিপিএলের বরিশাল বুলসের অন্যতম কর্ণধার নীলসাগর গ্রুপ।

স্বেচ্ছাসেবক সাইক্লিং ও অ্যাডভেঞ্চার দল হিসেবে ছিল লিভিং উইথ ফরেস্ট, ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স, অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব অভ চিটাগং ও এফএনএফ রাইডার্স।

ডিসি হিলে ম্যারাথন শুরু করে দৌড়বিদরা। দৌড়বিদদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় স্বেচ্ছাসেবী সাইকেল আরোহীরা। লাভ লেন মোড়, নেভাল অ্যাভিনিউ, এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, সিআরবি সাত রাস্তা, পলোগ্রাউন্ড, টাইগারপাস, দেওয়ানহাট, চৌমুহনী, হোটেল আগ্রাবাদ, পূবালী ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখা মোড়, আগ্রাবাদ মোড়, কাজীর দেউড়ি হয়ে পুনরায় ডিসি হিলে ফিরে আসেন তারা। ফিরে এসে ডিসি হিল চত্বরে সাইক্লিস্টদের সাইকেল কসরত চমকে দেয় সবাইকে।

১০ কিলোমিটার ম্যারাথন শেষ হয় সর্বোচ্চ ৬৪ মিনিটে। ম্যারাথন শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রভাত বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, সহযোগী সম্পাদক কবি কামরুল হাসান বাদল, দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার ও দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যুরো প্রধান সালাউদ্দিন রেজা।

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনের অবশ্যই তাৎপর্য আছে। আমাদের ক্লিন ও গ্রিন সিটি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন জরুরি। দেশটা আমাদের প্রত্যেকের। আমাদের ধর্মীয়, রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হলেও আমরা সবাই বাংলাদেশের। তাই এদেশের জন্য কাজ করা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে বিজয়ী হয় অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব অভ চিটাগং-এর সদস্য মিজানুর আজম। তিনি ৪৩ মিনিটে এ ম্যারাথন সম্পন্ন করেন। মেয়েদের মধ্যে বিজয়ী হয় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইম্যান-এর শিক্ষার্থী আইম্যান মিনরে। তিনি এ ম্যারাথন সম্পন্ন করেন ৪৬ মিনিটে।

শীর্ষ ১০ ম্যারাথন রানারের আগামী ১৯ ডিসেম্বর নীলসাগর গ্রুপ আন্তর্জাতিক স্কাই ম্যারাথনে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। পুরস্কার হিসেবে তাদের হাতে ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন প্রধান অতিথি। এভারেস্ট একাডেমীর পক্ষে সঞ্চালনা করেন দেশের প্রথম এভারেস্ট আরোহী মুসা ইব্রাহিম।

চট্টগ্রামের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবী ব্যক্তিরা শুক্রবারের ম্যারাথনে অংশ নেন। ইতিমধ্যে দুশতাধিক ম্যারাথন রানার নিবন্ধন করলেও অংশ নেয় ৯৭ জন।

ছেলেদের মধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন করে ৫১ জন। আর মেয়েদের মধ্যে যোগদানকারী ১২ জনের মধ্যে সফলভাবে ম্যারাথন সম্পন্ন করে ৬ জন। সফলভাবে ম্যারাথন সম্পন্নকারী প্রত্যেককে সনদ, প্রথম ৫ জনকে মেডেল এবং প্রথম তিনজনকে দেয়া হয় ট্রফি।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)