ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২৭ মিনিট ৫১ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৩ পৌষ, ১৪২৫ , শীতকাল, ৯ রবিউস-সানি, ১৪৪০

চট্টগ্রাম, সড়ক সংবাদ চট্টগ্রামে ১৫০ কিমি পায়ে হাঁটার ব্যতিক্রমী কর্মসূচি শুরু করলো সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী

চট্টগ্রামে ১৫০ কিমি পায়ে হাঁটার ব্যতিক্রমী কর্মসূচি শুরু করলো সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী

শফিক আহমেদ সাজীব,নিরাপদ নিউজ : প্রাণের টানে পায়ে হেঁটে রাউজানের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। ১৬ এপ্রিল সকাল সোয়া নয়টায় চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের গহিরা ইউনিয়ন থেকে চার দিনে ১৫০ কিলোমিটার হাঁটার ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচি শুরু করেন তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নারীসহ নানা বয়সী হাজারো নেতা-কর্মী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। হালদাপারের সাত্তারঘাট এলাকায় পায়ে হাঁটা কর্মসূচি শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তিনি কর্মসূচির লক্ষ্যগুলো তুলে ধরেন এবং পিংক-গ্রিন-ক্লিন রাউজান গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তুলে ধরেন আধুনিক রাউজান গড়ে তুলতে তার কিছু স্বপ্নের কথাও।

এ সময় রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামিম হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কেফায়েত উল্লাহ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাবেক সহ-সভাপতি নিরুপম দাশগুপ্তসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

জনপ্রতিনিধির পায়ে হেঁটে রাউজান ভ্রমণের এ কর্মসূচিকে ঘিরে সাজ সাজ রব উঠেছে পুরো উপজেলায়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি রুটম্যাপ অনুযায়ী সড়ক ও আশপাশের এলাকা সাজছে গোলাপি (পিংক) রঙে। কর্মসূচির জন্য তালিকাভুক্ত কর্মীদের গায়ে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবিযুক্ত গোলাপি রঙের বিশেষ কটি (পোশাক)। গলায় ঝুলছে কার্ড। মাথায় একই রঙের ক্যাপ।

রাউজানের গহিরা ইউনিয়ন থেকে চার দিনে ১৫০ কিলোমিটার হাঁটা কর্মসূচি পায়ে হেঁটে রাউজান ঘুরে দেখা কর্মসূচি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি নিরাপদ নিউজকে বলেন, ২৪৩ কিলোমিটার আয়তনের একটি সংসদীয় আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি মনে করেছি এতগুলো বছরে এলাকায় যে উন্নয়ন করেছি তা দেখা। মানুষ আর কী কী চায় এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনা।

আমার ইচ্ছে আছে ডোর-টু-ডোর যাওয়া। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলের যে উন্নয়ন সেগুলো তুলে ধরা। পাশাপাশি সরকারি উন্নয়নকাজ সঠিকভাবে হয়েছে কিনা সেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করব।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)