ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মে ২৮, ২০১৫

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ সফর, ১৪৪১

আইন-আদালত, লিড নিউজ চার সপ্তাহের মধ্যে মীর কাসেমের আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ

চার সপ্তাহের মধ্যে মীর কাসেমের আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ

kasem-ali

চার সপ্তাহের মধ্যে মীর কাসেমের আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ

ঢাকা, ২৮ মে ২০১৫, নিরাপদ নিউজ : মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আপিলের সারসংক্ষেপ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এদিকে মীর কাসেম আলীকে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।

বৃহস্পতিবারের সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময়ের মধ্যে দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আপিল শুনানি শুরু হয়ে যাবে।

বেঞ্চের সদস্যরা হলেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন শুনানি করেন।

আদেশে বলেছেন, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিল করতে হবে। এর আগে গত ২২ এপ্রিল মীর কাসেমের আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিলের জন্য ২০ মে তারিখ ধার্য করে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষই দাখিল করতে না পারায় পুনরায় দিন ধার্য করে দেওয়া হলো।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দেওয়া ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম আলী। দেড়’শ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ১ হাজার ৭৫০ পৃষ্ঠার আপিলে ফাঁসির আদেশ বাতিল করে খালাস চেয়েছেন তিনি। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল আবেদনটি দাখিল করেন তার আইনজীবীরা।

আটজনকে নির্যাতনের পর হত্যা ও মরদেহ গুম এবং ২৪ জনকে অপহরণের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন নির্যাতনকেন্দ্রে আটকে রেখে নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী ১৪টি অভিযোগে অভিযুক্ত হন মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতের কিলিং স্কোয়াড আলবদর বাহিনীর তৃতীয় শীর্ষ নেতা মীর কাসেম আলী।

এ ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়েছে। বাকি ৪টি অভিযোগ প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি।

১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি অর্থাৎ ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং ৪টি অর্থাৎ ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেননি বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ মোট আটজনকে হত্যার দায়ে কাসেমের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মধ্যে ১১ নম্বর অভিযোগে শহীদ কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ ছয়জনকে ও ১২তম অভিযোগে রঞ্জিত দাস লাতু ও টুন্টু সেন রাজুকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ১১ নম্বর অভিযোগে সর্বসম্মত ও ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ফাঁসির রায় দেন বিচারপতিরা।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)