ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মে ২৬, ২০১৯

ঢাকা সোমবার, ১ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১১ জিলক্বদ, ১৪৪০

কৃষি, খুলনা চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পেয়েছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ

চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পেয়েছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ

মোঃ আব্দুল্লাহ হক চুয়াডাঙ্গা,নিরাপদ নিউজ :  চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে সামার ওয়াটারমিলন (গ্রীষ্মকালীন তরমুজ) চাষ। লাভজনক হওয়ায় এই চাষের দিকে ঝুঁকেছে কৃষকেরা। অনেকে আগাম চাষ করে রমজান মাসের শুরু থেকে এই রসালো ফল বাজারজাত শুরু করেছে। বাজারদর ভালো পাওয়ায় খুশি তারা। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে এই তরমুজ চাষ হয়েছিল। এবার ৪৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। যা গত মৌসুমের চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। উপজেলার হৈবতপুর, মদনা, কামারপাড়া, বাড়াদী, বিষ্ণুপুর, নতিপোতা গ্রামের মাঠে এই চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী বাড়াদী, মদনা ও হৈবতপুর গ্রামের মাঠে এই চাষ সব থেকে বেশি।
দামুড়হুদার মদনা গ্রামের খাজের আহাম্মেদের ছেলে আলতাফ হোসেন জানান, তিনি সীমান্তবর্তী বাড়াদী গ্রামের মাঠে এক বিঘা জমিতে মাচা পদ্ধতিতে এই সামার ওয়াটারমিলন (গ্রীষ্মকালীন তরমুজ) চাষ করেছে। বীজ বপন পরিচর্যা সার মাচা সেচ মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। প্রথম রোজা থেকে সে বিক্রি শুরু করেছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা ও প্রতি পিস ১৫০/২০০ টাকা দরে বিক্রি করছে। এরই মধ্যে তার ১০ কাঠা জমিতে ৮০ হাজার টাকার ফল বিক্রি হয়ে গেছে। ১০/১২ দিনের মধ্যে বাকি ১০ কাঠা জমির এই গ্রীষ্মকালীন তরমুজ বিক্রিশেষ হবে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে  আরো ৮০/ ৮৫ হাজার টাকার বিক্রি হবে এ ফসল। ৬০ দিনের এই ফসলে তিনি লক্ষাধিক টাকা লাভবান হবে বলে আশা করছেন।
একই কথা বললেন মদনা গ্রামের জালাল উদ্দীন, তিনি ১০ কাঠা জমিতে আগাম চাষ করেন। বুধবার (২২ মে) ক্ষেত থেকে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি আরো এক বিঘা জমিতে (২০ মে) রোপন করেছেন। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এতেও লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিউর রহমান জানান, সামার ওয়াটারমিলন ফসল তরমুজ খুবই অল্প সময়ের চাষ। আর এ ফসল চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছে। বেলে দো-আঁশ মাটিতে এই ফসল ভালো হয়ে থাকে। সাধারণত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রোপন করার উপযুক্ত সময়। আমাদের এলাকার মাটি এই চাষের জন্য উপযোগী। এ মৌসুমে যে সকল চাষি আগাম চাষ করেছেন তারা অধিক লাভবান হয়েছেন। আমাদের এলাকায় আগে এ চাষ না হলেও বর্তমানে এলাকার কৃষকরা এই চাষের দিকে ব্যাপকহারে ঝুঁকে পড়েছেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)