ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ডিসেম্বর ৭, ২০১৮

ঢাকা বুধবার, ৫ পৌষ, ১৪২৫ , শীতকাল, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪০

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ জঙ্গির ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ‘লিটল মেসি’!

জঙ্গির ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ‘লিটল মেসি’!

নিরাপদ নিউজ : আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির ভক্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছিল এক আফগান বালক। ২০১৬ সালে প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে মেসির জার্সি বানিয়ে তা পরিধান করে মুরতাজা আহমাদীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। সেই ৭ বছর বয়সী মুর্তজাকে এখন প্রাণ বাঁচাতে দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তান নিজের বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে!

আফগানিস্তানের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় গজনী প্রদেশে বসবাস করছিল মুরতাজার পরিবার। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে তারা এখন পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে কাবুলে। এর আগে ২০১৬ সালেও তারা পাকিস্তানে স্বল্পমেয়াদে শরণার্থী সুবিধা পেতে আবেদন করেছিল।কিন্তু পরে অর্থ শেষ হয়ে পড়ায় দেশে ফিরে আসে তার পরিবার। আর এবার পরিস্থিতি কেমন হয় সেটা এখনি কিছু বলা যাচ্ছেনা।

আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মহাভক্ত এই মুরতাজা। জার্সি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই পলিথিন কেটে জার্সি বানিয়ে তার ওপর মেসির নাম ও জার্সি নাম্বার লিখে পরিধান করেছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সে। পরে সেই জার্সি পরা তার ছবি কেউ একজন পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে। এরপর সেটি ভাইরাল হয়ে পড়ে আর লোকজনও তাকে ‘লিটল মেসি’ ডাকতে শুরু করে।

এই খবর পৌঁছায় স্বয়ং লিওনেল মেসি পর্যন্ত। ইউনিসেফের মাধ্যমে তিনি নিজের স্বাক্ষর করা জার্সি পাঠান তাকে। পরে বার্সা তারকা যখন ২০১৬ সালে দোহাতে যান প্রীতি ম্যাচ খেলতে তখন মুরতাজাকে মেসির সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ করা হয়। সেখানে প্রিয় তারকার সাথে কিছুটা হাটার সুযোগও পায় এই বালক। মুরতাজার পরিবার বলছে এই বিখ্যাত হওয়ার কারণেই তালেবান জঙ্গিদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে মুরতাজা।

তার মা শাফিকা বলেছেন, বাড়ি থেকে পালিয়ে আসার সময় তারা কিছুই সাথে নিতে পারেননি। এমনকি মেসির কাছ থেকে পাওয়া জার্সিটাও আনা হয়নি। তার ভাষায়, ‘ওরা (তালেবান জঙ্গি) বলছে, তোমরা তো এখন ধনী হয়ে গেছ। মেসির কাছ থেকে যা টাকা পেয়েছ তা আমাদের দাও। নাইলে তোমার ছেলেকে তুলে নিয়ে যাব।’

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)