ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ২০ শাওয়াল, ১৪৪০

অপরাধ, আইন-আদালত জব্বারের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় যেকোনো দিন

জব্বারের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় যেকোনো দিন

আবদুল জব্বার -ফাইল ফটো

আবদুল জব্বার -ফাইল ফটো

ঢাকা, ৩ ডিসেম্বর ২০১৪, নিরাপদনিউজ : ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আদালত এই মামলায় এখন যে কোন দিন রায় ঘোষণার (সিএভি) জন্য অপেক্ষমান রেখেছে।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেয়।
আজ জব্বারের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আবুল হাসান। এর জবাবে রাষ্ট্রপক্ষে সমাপনী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম ও তাপস কান্তি বল। আনীত অভিযোগ প্রমাণে তারা সক্ষম হয়েছেন-এ দাবী করে এই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেছেন প্রসিকিউশন আইনজীবীরা।
জব্বারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ১৪ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। ৭ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১৭ নভেম্বর শেষ হয়। জব্বারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হেলাল উদ্দিনসহ ২৪ জন সাক্ষী।
পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়ার সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির নেতা পলাতক জব্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা। অপরদিকে এ আসামির অভিযোগ গঠনের বিরোধীতা করে শুনানি করেন রাস্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আবুল হাসান।
এর আগে ৮ জুলাই ট্রাইব্যুনালের এক আদেশে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জব্বারকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও হাজির হননি জব্বার। এ জন্য তাকে পলাতক ঘোষণা করা হয়। আবুল হাসানকে মামলায় পলাতক আসামিপক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করা হয়।
এর আগে গত ১২ মে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনীত পাঁচটি অভিযোগ আমলে নিয়ে তাকে গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। এ আসামি যুক্তরাস্ট্রে পালিয়ে গেছেন বলে তদন্ত সংস্থা সুত্র জানায়। গত ১১ মে এ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৫টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে হত্যা, গণহত্যা, ধর্মান্তরিতকরণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ। তার বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী করা হয় ৪৬ জনকে। এর মধ্যে ৪০ জন ঘটনার এবং ৬ জন জব্দ তালিকার সাক্ষী ।
মামলাটি তদন্ত করেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন। জব্বার ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর সহযোগী এবং মঠবাড়ীয়া থানা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।-বাসস

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)