ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১২ মিনিট ২৬ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৬ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৬ শাওয়াল, ১৪৪০

বিনোদন ‘টাকা খরচ করে আড়াই ঘণ্টা ছাড়পোকার কামড় খাবেন?’

‘টাকা খরচ করে আড়াই ঘণ্টা ছাড়পোকার কামড় খাবেন?’

নিরাপদ নিউজ: ঢালিউডের একসময়ের ফ্যাশনেবল কন্যা চম্পা এখন মিনি পর্দার জনপ্রিয় মুখ। ঈদ কেমন কাটলো জানতে চাইলে বললেন একমাত্র মেয়ে দেশের বাইরে। এই বয়সে এসে ঈদে আর বৈচিত্র খুঁজি না। তিন বোন আছি, একে অপরের খোঁজ নেই। পালা করে একে অপরের বাসায় যাই। এছাড়া ঈদের দিন জিন্নাহর বন্ধু বান্ধব আসে তাদের আপ্যায়ন সহ আড্ডায় ব্যস্ত ছিলাম। এই তো এইভাবেই পার হলো দিনটি। তবে যে যেভাবেই বলুক ঈদে বৃষ্টি আমি বেশ উপভোগ করেছি। সম্প্রতি অভাবের তাড়নায় সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া এক অভাগিনী মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন চম্পা। ‘অভাগিনী মা’ শিরোনামের টেলিফিল্মে একজন দুঃখী মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। বললেন, টেলিফিল্মটি আমার হৃদয় কেড়ে নিয়েছে। চরিত্রে ডুবে যেতে পেরেছি বলে হয়তো এমন প্রশংসা পাচ্ছি। ঈদেও অনেকে ফোন করে ঈদের কাজের কথা না বলে এই চরিত্রের কথা বলেছে। প্রশংসাও করেছে। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয়- বললেন এখন আর অভিনয়ের জন্য প্রস্তুতি নেইনা। চোখ-কান খোলা রাখলে আমাদের সমাজে অনেক ঘটনার অনেক খোঁজ পাওয়া যায়। যেখান থেকে চরিত্র এবং গল্পের উপাদান খুঁজে পাওয়া যায়। ঐ যে আমার সাম্প্রতিক নন্দিত টেলিফিল্মটিতে তেমনই কিছু বাস্তব ঘটনা থেকে চরিত্রটি নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়েছি।
চলচ্চিত্রে ‘নতুন মুখের সন্ধান’-এর বিচারকের কার্যক্রমের প্রসঙ্গ আসতেই বললেন, এ নিয়ে আয়োজকরা ভালো বলতে পারবেন। এ প্রশ্ন যখন সামনে এলো, তখন একটা কথা বলতেই হয়, ঢালাওভাবে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে প্রতিভা বের করে আনা যায় না। বরং অনুষ্ঠান-পরবর্তী সময়ে তারা কীভাবে নিজেদের বিকশিত করছেন, সেটা দেখা জরুরি। বেশিরভাগ প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর ওই অনুষ্ঠানের শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয় না। বিষয়টি দুঃখজনক।
জানতে চাইলাম চলচ্চিত্রে শিল্পী সংকট চলছে। সেইদিক থেকে উদ্যোগটা তো কার্যকর হতে পারে, বিষয়টির সাথে কিছুটা একমত হয়ে বললেন, সংকট কোথায় নেই? চলচ্চিত্র অঙ্গন নানা দিক থেকেই সংকটের মধ্যে আছে। ভালো গল্প, নির্মাতা, প্রযোজক- সব দিকেই সংকট চলছে। দর্শক সংকটের কথাও বলতে হবে। কীভাবে দর্শক হলে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে নির্মাতাদের যেমন ভাবতে হবে। ভালো ছবি নির্মাণের মধ্যে দিয়েই দর্শকের মনমানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। তাহলেই নতুনরা এই অঙ্গনে পা রাখার স্বপ্ন দেখাবেন। চলচ্চিত্রে অভিনয় বিষয়ে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না।
এমনিতেই অনেকে হলে গিয়ে ছবি দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। দর্শক কেন টাকা খরচ করে আড়াই ঘণ্টা ছাড়পোকার কামড় খাবেন? তাই ভালো হলের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসম্পন্ন ছবি। ভালো কিছু করার লক্ষ্যে আমরা যদি হাতে হাত মিলিয়ে সবাই এগিয়ে যায়, তাহলেই চলচ্চিত্র শিল্পে আবার প্রাণ ফিরে আসবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)