ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট May ১৫, ২০১৫

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

লিড নিউজ, সড়ক সংবাদ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

চান্দিনা (কুমিল্লা), ১৫ মে ২০১৫, নিরাপদনিউজ : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) ভোর থেকে দুপুর সাড়ে ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর থেকে বুড়িচং উপজেলাধীন নিমসার পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট চলছে।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী সাধারণ।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টায় নিমসার এলাকায় পণ্যবাহী একটি ট্রাক মহাসড়কের উপর উল্টে গেলে এ যানজট সৃষ্টি হয়। সকাল ৬টার দিকে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলেও ততক্ষণে যানজট দীর্ঘ আকার ধারণ করে।
এছাড়া চালকদের এলোপাথাড়ি গাড়ি চালানোর কারণে ফোর লেন প্রকল্পের ক্রসিংগুলোতে যানবাহনের জট সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে জেলা পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় আট ঘণ্টা চেষ্টায়ও যানজট কমছে না। ক্রমশ: বেড়েই চলেছে লাইন।
যানজটে আটকে পড়া দৈনিক নয়াদিগন্ত প্রত্রিকার অফিস স্টাফ লোকমান হোসেন বলেন, আমি সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছি। সকাল ১০টায় চান্দিনার কুটুম্বপুর পৌঁছালেও এখন প্রায় ১২টা বাজে, দুই ঘণ্টায় তিন কিলোমিটার পথ পাড় হয়ে মাধাইয়া স্টেশন অতিক্রম করতে পারিনি।
কুমিল্লা থেকে ছেড়ে আসা বাস যাত্রী রেহানা বেগম বলেন, আমি সকাল ৯টায় সন্তানদের নিয়ে কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। গাড়িটি মহাসড়কের আলেখারচর আসার পর থেকে যানজটের কবলে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টা পরও আমি চান্দিনা অতিক্রম করতে পারিনি। এদিকে প্রচণ্ড গরমে বাচ্চারা চিৎকার করছে। তাদের কান্না পর্যন্ত থামাতে পারছি না।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, ভোরে নিমসারে ট্রাক উল্টে যাওয়া এবং শুক্রবার যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে গাড়ি চালকদের এলোপাথাড়ি গাড়ি চালানোর মানসিকতায় যানজট নিরসন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুত নিরসনে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)