আপডেট এপ্রিল ২১, ২০১৭

ঢাকা সোমবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ , গ্রীষ্মকাল, ১২ রমযান, ১৪৩৯

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি তবে আসন্ন?

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি তবে আসন্ন?

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি তবে আসন্ন?

২১ এপ্রিল ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : বিশ্বের সাম্প্রতিক নানা ঘটনাবলীতে অনেকেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। আর এজন্য নানা ভবিষ্যৎবক্তার বাণীও এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিষয়ে কথা বলেছেন বাবা ভ্যাঙ্গা নামে বুলগেরিয়ার এক ভবিষ্যৎ দ্রষ্টাও। তাকে আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন নারী হিসেবেও বলা হয়। ১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করা এই নারী বাল্যকাল থেকেই ছিলেন অন্ধ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। বাবা ভ্যাঙ্গা ৩০৩৫ সাল পর্যন্ত নানা সময়ের বিশেষ ক্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন। যেমন ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরের উপকূলে বিরাট বিপর্যয় হবে বলে ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন। আসলেই সেই বছর সুনামি হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ২০০০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে লৌহ পাখি হামলা চালাবে। সে সময় অর্থাৎ ২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে বিমান দিয়ে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। পশ্চিমের অনেকের মতে বুলগেরিয় এই নারী এযাবৎ যা ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন তার অন্তত ৮৫ ভাগই মিলে গেছে। ২০১৬ সাল সম্পর্কে তিনি যা বলেছিলেন তা অবশ্য সত্যে পরিণত হয়নি। তিনি বলেছিলেন, সেই বছরে মুসলমানরা ইউরোপ দখল করে নেবে। কয়েক বছর ধরে ইউরোপে যুদ্ধ চলবে। লোকজন প্রাণ বাঁচাতে অন্যত্র চলে যাবেন। ফলে পুরো মহাদেশটি প্রায় খালি হয়ে যাবে। তবে আইএস’এর উত্থান, ইউরোপীয় জোটে ভাঙ্গন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলোর সত্যতা প্রমাণিত। বাবা ভ্যাঙ্গা বলেছিলেন ২০১৮ সালে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হবে। যার সত্যতা কিছুটা হলেও এখনই পাওয়া যায়। এমন নানা বিষয়ে তিনি ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন যা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কেও বাবা ভ্যাঙ্গা ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিরিয়ায় বিষাক্ত ধোঁয়া নিক্ষেপ করা হবে। যে ঘটনার পর যুদ্ধে মেতে উঠবে পুরো বিশ্ব। ১৯৯৬ সালে মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি হঠাৎ বলে ওঠেন, ইউরোপীয়দের বিরুদ্ধে রাসায়নিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে মুসলিম সম্প্রদায়। পশ্চিমা গণমাধ্যম বলছে, মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা ইউরোপীয়দের বিরুদ্ধে রাসায়নিক যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়লেও বর্তমান শংকট কিন্তু একে ঘিরেই। বলা বাহুল্য সিরিয়ার নিরীহ নাগরিকদের উপর দেশটির বাশার সরকার যে অস্ত্র ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তা কিন্তু মারাত্মক সেরিন গ্যাস। যা একই ধরনের।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)