আপডেট ২১ মিনিট ৫০ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ১২ চৈত্র, ১৪২৫ , বসন্তকাল, ১৮ রজব, ১৪৪০

বরিশাল দক্ষিণাঞ্চলে শীতের তীব্র প্রকোপ: জনজীবন বিপর্যস্ত

দক্ষিণাঞ্চলে শীতের তীব্র প্রকোপ: জনজীবন বিপর্যস্ত

এম আর অভি ,নিরাপদনিউজ : বরগুনাসহ দক্ষিণাঞ্চলে শীতের তীব্র প্রকোপ জনজীবন বিপর্যস্ত। হাড় কাপাঁনো শীতে শিশু,ছেলে ,বুড়ো, যুবক সবাই কাবু। কয়েক দিনের শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে এ অঞ্চলে শীত যেন ঝেঁকে বসেছে। তবে সামান্য সরকারি সাহায্য ছাড়া এ হাড় কাপাঁনো শীতে শীতার্তদের সহযোগীতা করতে কাউকে এখোনো এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। সরকারি সাহায্য অপ্রতুল । সাধারণত শীতের সময় হতদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষেরা কম্বল ও গরম কাপড় পাওয়ার আশায় থাকে ।

সরকার ও সমাজের বিবেকবান বিত্তবানদের কাছে শীতের সময় তাদের যাতে কম্বল ও শীতের পোষাক দিয়ে সহয়তা করে এমনটি দাবী বস্তি ও আশ্রয়নের প্রকল্পের হতদরিদ্র মানুষের । শহরের থানা পাড়ার বাসিন্দা মুন্নী বেগম জানান ,এ প্রচন্ড শীতে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে আমরা কম্বল বা গরম কাপড় পাইনি। অল্প আয়ের শ্রমজীবি মানুষ আমরা আমাদের খবর কে রাখে । তিনি আরও জানান, ৪ সদস্যর পরিবারের গরম কাপড়ের অভাবে বড়ই কষ্ট হয়। সোলায়মান বেকারী শ্রমিক বটতলার বাসিন্দা আবুল কালাম জানান ,বর্তমানে অনেক শীত পড়ছে ,কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারি ভাবে গরম কাপড় সাহায্য পাইনি ।

তিনি আরও বলেন আমি অসুস্থ মানুষ ,পরিবারে ৫সদস্য সামান্য শ্রমিকের আয় দ্বারা তাদের গরম কাপড়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব না । সরকার যদি কম্বল বা গরম কাপড় দিয়ে সাহায্য করে তাহলে আমরা বেঁচে থাকতে পারবো। বাইনচকি গ্রামে ভিক্ষুক পিয়ার বেগম জানান, শীতে গরম কাপড় কম্বল কিছুই পায়নি ,পড়নের কাপড়ই জোটে না কম্বল কিনি কি দিয়ে ,গাঁও গ্রামে চেয়ে চিন্তে পুরান কাপড় পরি। তার দাবী শীতের পোশাক ও ভিক্ষা বৃত্তির হাত থেকে নিস্তার পেতে সরকারি সাহায্য। ক্রোক গ্রামের সোবাহানের স্ত্রী ভিক্ষুক ফুলবানু (৯০) ,পেশায় ভিক্ষুক,সে জানান ,শীত লাগে ,সরকারি ভাবে এই শীতে কোন কম্বল টম্বল পাইনি। কেনার পয়সাপাতি নেই । একটি গায়ের কাপড় কিনব ,তাই পয়সার অভাবে পারি না। সরকারে কাছে দাবী শীতে অন্ততবেঁচে থাকতে কম্বল ও গড়ম কাপড় চাই। বরগুনার জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানান, আমরা বিশেষ ভাবে বরগুনা সদর সহ কিছু শীতার্তের মাঝে এখন পর্যন্ত ২ হাজার পিচ কম্বল বিতরণ করেছি । এছাড়াও স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)