আপডেট ৪০ মিনিট ৪২ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ৫ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০

খুলনা দামুড়হুদার ভৈরব নদী এখন আবাদি জমি

দামুড়হুদার ভৈরব নদী এখন আবাদি জমি

হাবিবুর রহমান,নিরাপদ নিউজ: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদী নব্যতা হারিয়ে এখন আবাদী জমিতে পরিনত হয়েছে। এক সময়ের খর¯্রােতা ভৈরব নদী ভরাট হয়ে পানি শুকিয়ে যাওযায় নদীর দুই কুল জুড়ে হয়েছে ধানসহ বিভিন্ন আবাদ। দামুড়হুদা উপজেলার সুবোলপুর থেকে দুলালনগর পর্যন্ত ৫৮ কিলোমিটার ভৈরব নদী রয়েছে। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে পরিবেশ দুষণ হচ্ছে। পরিবেশ দুষন ও নদী রক্ষা করতে নদীটি পূর্ণঃ খনন প্রয়োজন। দামুড়হুদার সুবোলপুর,পাটাচোরা,বাঘাডাঙ্গা,কাঞ্চনতলা,কার্পাসডাঙ্গা,কানাইডাঙ্গা,ছাতিয়ানতলা,মোক্তারপুর,হাতিভাঙ্গা,কুনিয়াচাঁদপুর,চাঁদপুর,হেমায়েতপুর,নতিপোতা,কালিয়াবকরী,বেড়বাড়ী,চারুলিয়া,দুলালনগর হয়ে মেহেরপুর জেলায় প্রবেশ করেছে।

নদী দখল করে স্থানীরা এখন ধান, তামাক, গম ও পিয়াজসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছেন। এছাড়াও মৌসুম হিসাবে লাল শাক, কফি, পালনশাক, মুলাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষাবাদ করে থাকে। বর্ষা মৌসুমের শ্রাবন, ভাদ্র ও আশ্বিন মাস পর্যন্ত খরস্রতা নদীতে পরিনত থাকলে ও বাকী নয় মাস নদী শুকিয়ে মরা খালে পরিনত হয়ে থাকে।

পানি না থাকায় স্থানীয়রা অবৈধ ভাবে নদীর দুই পড়ের জমি দখল করে কর্ষণ করে চাষাবাদ করার কারনে বর্ষা মৌসুমে ধোয়াট এসে পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। পুর্ণ খনন করে দুই পাড়ের জমি কর্ষণ বন্ধ করলে আবার নব্যতা ফিরে পাবে। সেই সাথে পরিবেশ দুষন থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পানির বহুমুখি ব্যাবহারসহ দেশীয় মাছের জীব বৈচিত্র রক্ষা করা সম্ভব হবে।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার রফিকুল হাসান জানান, ভৈরব নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারনে স্থানীয় কৃষকরা সেখানে ধানসহ বিভিন্ন ফসনের আবাদ করছে। খুব দ্রুত নদী খনন করা হবে। সেই সাথে নদীর দুই পাড় কর্ষণ বন্ধ করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)