ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট অক্টোবর ৩১, ২০১৬

ঢাকা শুক্রবার, ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

অপরাধ, রাজশাহী ধামইরহাট ও বদলগাছীর দু’ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধে রেখে বর্বরোচিত নির্যাতন

ধামইরহাট ও বদলগাছীর দু’ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধে রেখে বর্বরোচিত নির্যাতন

ধামইরহাট ও বদলগাছীর দু’ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধে রেখে পিঠ ও হাত ব্লেড দিয়ে চিরে দিয়েছে শিক্ষক

ধামইরহাট ও বদলগাছীর দু’ শিশু শিক্ষার্থীকে বেধে রেখে পিঠ ও হাত ব্লেড দিয়ে চিরে দিয়েছে শিক্ষক

আবুমুছা স্বপন. ধামইরহাট, ৩১ অক্টোবর ২০১৬, নিরাপদ নিউজ : ধামইরহাট ও বদলগাছী উপজেলার দু’শিক্ষার্থীর পিঠ ও হাত ব্লেড দিয়ে চিরে দিয়ে বর্বরোচিত নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুকুর ইউনিয়নের হাকিমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায়। নির্যাতিত শিশু শিক্ষার্থী ধামইরহাট উপজেলার চান্দিরা গ্রামের এমাজউদ্দিনের ছেলে মিনারুল (১২)। সে এখন ধামইরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত শিক্ষার্থী মিনারুল ইসলাম জানায়, গত ২৩ অক্টোবর রবিবার মাদ্রাসার শিক্ষক মারপিট করলে আমার গায়ে জ্বর আসে। তখন ছুুটি নিয়ে বাড়ি আসতে চাইলে আমাকে বাড়ি আসতে দেয়া হয়নি। মিনারুল আরও বলেন ২৫ অক্টোবর মঙ্গলবারেও আমাকে বাড়ী আসতে না দিলে আমি মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে আসি এবং বাবা-মা’র নিকট মার-পিটের ঘটনা জানায়। ২৯ অক্টোবর মিনারুলের বাবা ওই মাদ্রাসা থেকে মিনারুলের ব্যবহৃত কাপড় ও বেডপত্র নিয়ে আসতে মাদ্রাসায় পাঠায়। মিনারুল বেড ও কাপড়-চোপড় নেয়ার জন্য মাদ্রাসার পাশ্বের গ্রাম গয়েসপুরের মামাতো ভাই গয়েসপুর হাইস্কুলের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র রেজা (১৪) কে সঙ্গে নিয়ে ওই মাদ্রাসায় যায়। এ সময় মাদ্রাসার পরিচালক ফিরোজ হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মোকারম হোসেন মিনারুল ও রেজাকে পিলারের সাথে বেধেঁ মারধর করে। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মিনারুল ও তার মামাতো ভাই রেজাকে ব্লেড দ্বারা হাত ও পিঠ চিরে রক্তাক্ত জখম করে এবং ৫ হাজার টাকা চুরির অপবাদ তাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযোগকারী শিক্ষকদের সাথে ০১৭৩…. নম্বর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত ২ শিক্ষক নিউজ করে আপনারা কি করতে পারেন দেখা যাবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, ‘এটা একটা সাজানো ঘটনা, আমরা ওই শিক্ষাথীদের অভিভাবকদের ডেকে নিয়ে তাদের সন্তানদেরকে বুঝিয়ে দেই, পরে শুনি এরকম ঘটনা, বলে পাষন্ড ২ শিক্ষক বিষয়টি এড়িয়ে যাবারা চেষ্টা করেন। রেজার পরীক্ষা থাকায় স্থানীয় বদলগাছীতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে রেজার খালু এমাজউদ্দিন জানান। ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভুইয়া ন্যাক্কারজনক এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহবান জানিয়েছেন। ধামইরহাট নিবাসী মিনারুলের বাবা এমাজউদ্দিন ও রেজার বারা আ. রাজ্জাক শিশু নির্যাতন কারীদের বিরুদ্ধে সুবিচার দাবী করেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)