ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৪ সফর, ১৪৪১

ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজশাহী নওগাঁয় শেষ মহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

নওগাঁয় শেষ মহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, নিরাপদনিউজ: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট গুলো। পশু যেমন আসছে তেমনি ক্রেতাদের আনাগোনাও বেড়ে চলেছে। তবে দালালদের হাত থেকে রেহাইও পাচ্ছেন না কেউ এমন অভিযোগও বাজারে আসা ক্রেতাদের। এসব হাটে বিদেশি জাতের গরুর চেয়ে দেশি গরুর চাহিদা একটু বেশি।

গত বছরের তুলনায় এ বছর পশুর হাটগুলোতে গরুর দাম নাগালের মধ্যে বলে দাবি ক্রেতাদের। বিক্রেতারা কোরবানি ঈদকে টার্গেট করে ছোট ধরণের দেশীয় গরু কিনে নিজস্ব পদ্ধতিতে মোটাতাজা করছেন। তারা এবার ভারত থেকে গরু না আসায় শেষ পর্যন্ত লাভের মুখে রয়েছেন খামারিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় পশুর হাট বসে। উপজেলা সদর নজিপুর নতুনহাটে সোমবার ও শিবপুরে মঙ্গলবার এবং মধইলে শুক্রবার গোহাটিতে কোরবানি উপলক্ষে ট্রাক, ভটভটি ও ট্রলিতে করে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু আসছে। তবে বিদেশি বা ফার্মের গরুর চেয়ে দেশীয় জাতের গরু বেশি কিনছেন ক্রেতারা। হাটগুলোতে এ বছর দেশি গরুর চাহিদা বেশি। বিগত যেকোনো বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম অনেক বেশি।

তবে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এ বছর হাটে উঠছে দেশি জাতের গরু। এদিকে, মানুষ সঠিক গরু দিয়ে কোরবানি দিতে পারে তার জন্য প্রতিটি হাটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। গরুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে।

এছাড়াও হাটগুলোতে জাল টাকার মেশিনের মাধ্যমে টাকা চেক করে নেয়ার জন্য বার বার মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। অপরদিকে, কোরবানীর ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাঁকি থাকলেও পশুর হাটে দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের হাজার হাজার পশুতে বাজার এখন মুখোরিত হয়ে পড়েছে। সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার হাজার পশু হাটে উঠছে। দাম ও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে।

ভারতীয় পশু দেশে আমদানি না হওয়ায় খামারি ও ব্যাবসায়ীরা লাভবান হবেন বলেও তাদের ধারণা। পশু বিক্রিতারা বলছেন, নজিপুর পৌরসভার নতুনহাট পশুর হাট উপজেলার শ্রেষ্ট হাট শুনে তারা ভুটভটী ও ট্রলিতে করে পশু গুলো এনেছেন এবং বিক্রি করে মূল্যও ভাল পেয়েছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, পশু পালন কমবেশি হয়েছে মানুষের বাড়িতে। এসব পশু বাজারে এলে কোরবানির জন্য পশু সংকট হবে না। আর খামারিরা স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশু ও মাংসের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। তাদের এ উদ্যোগ কোরবানির পশু আমদানি নির্ভরতাও কমাবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)