ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫১ মিনিট ১৮ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১

সাহিত্য ‘নজরুলের চেতনাকে বুকে ধারণ করে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’

‘নজরুলের চেতনাকে বুকে ধারণ করে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’

নিরাপদ নিউজ: জাতীয় স্মরণ মঞ্চ এর উদ্যোগে আজ ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে নজরুল চর্চার বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় স্মরণ মঞ্চের সভাপতি প্রকৌশলী আ.হ.ম মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিকের সভাপতিত্বে ও স্মরণ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব এড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও ডিইউজে’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক কবি আবদুল হাই শিকদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিক ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, বিএফইউজে’র সহ সভাপতি নুরুল আমিন রোকন, এড. দিদারুল আলম, মফিজুল ইসলাম বাবুল, মিজান মাসুম, মতিউর রহমান সরদার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, যাঁদের আবির্ভাবে মাটির এ পৃথিবী হয়েছে ধন্য, হয়েছে মানুষের বাসযোগ্য। বিশ্ব সাহিত্যের এক অনন্য মহাকবি ও মহাশিল্পী বাংলার চির বিদ্রোহী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাদেরই একজন। ‘বাংলাদেশে নজরুল-নজরুলের বাংলাদেশ’ কথাটি অর্থবহ করার মানেই বাংলাদেশ নজরুল আবহ সৃষ্টি করা এবং নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত সকল স্থানকে সমানতালে মূল্যায়ন করা। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, কবির স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো আজও অবহেলিত। আজ সময়ের দাবি এই দুর্লভ স্থানগুলোকে যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণ করা।
বক্তারা আরো বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অসাম্প্রদায়িক কবি। তিনি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য কবিতা লিখে গেছেন। তার লেখনীতে মুক্তিযোদ্ধারা অনুপ্রেরণা পেয়েছিল। তার অসামান্য কবিতার জন্যই তাঁকে জাতীয় কবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি যদি আরো কিছুদিন বেঁচে থাকতেন তাহলে বাংলা সাহিত্য আরো সমৃদ্ধ হতো এবং বাঙালি জাতি আজ আরো উন্নতির শিখরে আরোহণ করতো। তাঁর চেতনাকে বুকে ধারণ করে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বক্তারা।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)