ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট আগস্ট ৬, ২০১৮

ঢাকা বুধবার, ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ , হেমন্তকাল, ৩ রবিউস-সানি, ১৪৪০

নিসচা সংবাদ, লিড নিউজ নিরাপদ সড়ক চাই এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত (ভিডিও)

নিরাপদ সড়ক চাই এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত (ভিডিও)

নিরাপদনিউজ : আজ বিকাল ৫টায় নিরাপদ সড়ক চাই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিসচার জরুরী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপেক্ষিতে মন্ত্রিসভায় সড়ক পরিবহন আইন অনুমোদন এবং অন্দোলন এর দিকনির্দেশনা মুলক নানা বিষয়ে বক্তব্য পাঠ করেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন ।

মন্ত্রিসভা সড়ক পরিবহন আইন অনুমোদন বিষয়ে  ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘নতুন আইনে শাস্তি অত্যন্ত কম রাখা হয়েছে। আইনটি মন্ত্রিসভায় তোলার আগে আমাদের দেখানোর কথা ছিল, আলোচনা করার কথা ছিল। তারা আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ করেননি। সড়ক পরিবহন আইনে যা দেখলাম, তাতে আমরা মোটেও সন্তুষ্ট নই।’  শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন,
তোমরা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছো, সড়কে কত নৈরাজ্য রয়েছে, কত বিশৃঙ্খলা রয়েছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আজ টনক নড়েছে।

তবে এখন আমি নিয়ে ভিষন চিন্তিত।  শুরু হয়েছে নোংরা রাজনীতি। যারা এ আন্দোলন নিয়ে ফায়দা লুটতে চান তা কতটা অমানবিক হতে পারে, তা আপনাদের অজানা নয়।কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করতে পারে, সেটা ভাবতেও ঘৃণা হয়। চারদিকে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে সুযোগসন্ধানীরাও। ইতিমধ্যে যা শুরু হয়েছে, যা করা হচ্ছে, সেটি যেই করুক না কেন তা অত্যান্ত জঘন্য এবং ঘৃণিত। যা আমরা মেনে নিতে পারছিনা। লক্ষ্য করছি ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ঘরে ফিরেছে। কিছু সংখ্যক এখনও রাজপথে আছে। আমি তোমাদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। তোমাদের জীবনের জন্য তোমরা ঘরে ফিরে যাও। যদি জীবন থাকে আর আমাদের দাবী আদায় না হয় তাহলে আমরা আবার রাস্তায় নামব।

সাংবাদিক সম্মেলনে দেয়া ইলিয়াস কাঞ্চনের বক্তব্য

সুপ্রিয় সাংবাদিক সমাজ

চলমান নিরাপদ সড়কের আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে নিসচা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে  নিরাপদ সড়ক চাই আয়োজিত আজকের জরুরী সংবাদ সম্মেলনে আপনাদের স্বাগতম।

বলার অপেক্ষা রাখে না, তিতুমির কলেজ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও শহীদ রমিজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো বাংলাদেশের বিবেককে। যার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে পথে নেমে আসে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সড়ক দুর্ঘটনা নিরসনে গত ৮ দিনে তাদের ৯ দফা দাবী উঠে এসেছে। বিশেষ করে যুগপোযোগী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পুরো দেশ এক কাতারে মিলিত হয়েছে। ২৫ বছর আগে গড়ে উঠা নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন আজ প্রতিটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পরেছে। আমরা দেশবাসীর চাওয়া পাওয়ার সাথেই হাঁটছি। এরই আলোকে গত ৩ আগষ্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করি। মানববন্ধনে ঘোষণা অনুযায়ী রোববারের মধ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পর আমাদের পরবর্তী করণীয় ঘোষণার কথা বলেছিলাম। এর ধারাবাহিকতায় নিরাপদ সড়ক চাই এর পক্ষ থেকে আজ ৬ আগষ্ট  উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে এই জরুরী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা

দুই যুগ আগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল আমার স্ত্রী। প্রিয়জন হারানোর ব্যথা আমি বুঝতে পারি। সেই শোক বুকে চেপে আমি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছি। গড়ে তুলেছি নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নামের সংগঠন। সংগঠনটির ব্যানারেও নানা কর্মসূচি যেমন পালিত হচ্ছে, তেমনি নিজ উদ্যোগেও নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়ককে দুর্ঘটনামুক্ত করতে নানা কাজ করছি। নিরাপদ সড়কের দাবিটি আমাদের শিক্ষার্থীরা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তারা যখন আন্দোলনে নেমেছে, ব্যক্তিগতভাবে আমি খুশিই হয়েছি। কেননা তাদের দাবি তো আমারই প্রাণের দাবি। শিক্ষার্থীদের আকুতি পুরো দেশবাসীকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলব, তোমাদের দাবির সঙ্গে দেশের প্রতিটি মানুষের সমর্থন রয়েছে। কারণ নিরাপদ সড়কের দাবি এখন মানুষের প্রাণের দাবি। সরকারও তোমাদের দাবী মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিছু উদ্যোগ ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ট্রাফিক সপ্তাহের মাধ্যমে অবৈধ যান, চালকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। আমরা এ অভিযানের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখছি। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আমি গত ৩আগষ্ট নিসচার মানববন্ধনে বলেছিলাম তোমাদের দাবীর বাস্তবায়নে যদি কাজ শুরু হয় এবং যা সকলের কাছে দৃশ্যমান হয় তাহলে তোমাদের ঘরে ফিরতে হবে, ক্লাসরুমে ফিরতে হবে। তোমাদের দাবি যদি যথাযথভাবে পূরণ না হয়, তোমরা আবার রাজপথে নামবে। তখন তোমাদের সঙ্গে আমিও আবার রাজপথে নামব, আন্দোলন করব। দেখা যাচ্ছে ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু, শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের সামনে আন্ডারপাস নির্মাণে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দিয়ে জরুরী নির্দেশনা প্রদান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সকল সরকারী যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট ও প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র যেন থাকে এবং সরকারী সকল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন  ও যাদের লাইসেন্স নেই তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়িতে যেন না উঠে। আজ মন্ত্রীসভায় উত্থাপিত হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন যদিও এ আইনের ব্যাপারে আমাদের দ্বিমত রয়েছে। যার জন্যই আজকের এই সংবাদ সম্মেলন। আমি এ বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা বলব তারই আলোকে আমার আগামী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আইনের ব্যাপারে আমরা কোন প্রকার ছাড় দিব না।

সুপ্রিয় সাংবাদিক সমাজ

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, দু-চার দিনেই সব পাল্টে যাবে না। এর জন্য কিছু সময় দিতে হবে। নিরাপদ সড়কের জন্য অনেক বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কঠোর আইন যেমন দরকার, তেমনি এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় চালকরাই শুধু দায়ী নন। সচেতন হতে হবে সবাইকে। ওভারটেক, ওভারস্পিড যেমন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তেমনি ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। উল্টো পথে গাড়ি চালানো পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রত্যেক যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে।

শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাব, তারা নিরাপদ সড়কের দাবিটি মানুষের প্রাণের দাবিতে রূপান্তর করেছে। এক সপ্তাহ ধরে তারা লাগাতার আন্দোলন করছে। অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, সড়কে কত নৈরাজ্য রয়েছে, কত বিশৃঙ্খলা রয়েছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও টনক নড়েছে।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে বক্তব্য প্রদানকালে আবেগঅাপ্লুত ইলিয়াস কাঞ্চন

তবে এখন আমি শিক্ষার্থীদের এবং যৌক্তিক এ আন্দোলন নিয়ে চিন্তিত। শুরু হয়েছে নোংরা রাজনীতি। যারা এ আন্দোলন নিয়ে ফায়দা লুটতে চান তা কতটা অমানবিক হতে পারে, তা আপনাদের অজানা নয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করতে পারে, সেটা ভাবতেও ঘৃণা হয়। চারদিকে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে সুযোগসন্ধানীরাও। ইতিমধ্যে যা শুরু হয়েছে, যা করা হচ্ছে, সেটি যেই করুক না কেন তা অত্যান্ত জঘন্য এবং ঘৃণিত। যা আমরা মেনে নিতে পারছিনা। লক্ষ্য করছি ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ঘরে ফিরেছে। কিছু সংখ্যক এখনও রাজপথে আছে। আমি তোমাদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। তোমাদের জীবনের জন্য তোমরা ঘরে ফিরে যাও। যদি জীবন থাকে আর আমাদের দাবী আদায় না হয় তাহলে আমরা আবার রাস্তায় নামব।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা

আজ মন্ত্রীসভায় উত্থাপিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ তে আমাদের মতের প্রতিফলন ঘটেনি। আমরা এ আইনের উপর যে সাজেশন দিয়েছি তা গ্রহণ করা হয়নি। প্রথমেই আমার আপত্তি আইনটির শিরোনাম নিয়ে। আমরা বলেছিলাম সড়ক দুর্ঘটনা নিরসন করতে হলে সড়কের নিরাপত্তার কথা প্রথমে আসে। এজন্য আইনটির শিরোনাম চেয়েছিলাম ‘সড়ক নিরাপত্তা ও সড়ক পরিবহন আইন’ আমরা মনে করি সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালক, মালিকের জেল জরিমানাতে সমাধান নয়। দুর্ঘটনার কারন জানার পরে তা লাঘবে প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ, ত্রুটি সংশোধন ও চালককে দক্ষ করে গড়ে তুলতে ইনস্টিটিউশন গড়ে তুলতে প্রয়োজন পরিকল্পনা ও বাজেটের যা সড়ক নিরাপত্তার মাধ্যমেই সম্ভব।

এ আইনে সর্বচ্চো শাস্তি চেয়েছিলাম ১০ বছর, হাই কোর্টের নির্দেশনা ছিল ৭ বছর কিন্ত কর হয়েছে ৫ বছর। সর্বচ্চো শাস্তির কথা বলা হলেও সর্বনিম্ন শাস্তির কথা বলা হয়নি আমি এতে শুভঙ্করের ফাকি আছে। এটাও পরিস্কার করতে হবে। ক্ষতিপূরণের জন্য যে ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করা হবে সেখানে সরকার, চালক ও মালিকের প্রতিনিধি থাকলেই চলবে না সেখানে থাকতে হবে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের প্রতিনিধি।

আমি বলব যে আইনই প্রণীত হোক তার যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে শক্তিশালী মনিটরিং টীম যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন হবে। থাকবে সড়ক, নৌ, রেল, বিমান, স্বরাষ্ট্র, বানিজ্য, স্বাস্থ্য, পরিকল্পনা, অর্থ, আইন এবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের প্রতিনিধি। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার কারন নির্ণয়ে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিনিধি থাকতে হবে।

এক কথায় আমি বলব এ আইন বাস্তবমুখী ও কার্যকর করতে হলে সংশোধন ও সকল মহলের পরামর্শ গ্রহণ জরুরী। এ ব্যাপারে আশা করি সরকার স্বদিচ্ছার পরিচয় দিবেন।

সাংবাদিক সমাজ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে পুরো দেশ আজ এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। পরিশেষে সকলের প্রতি নিসচারউদাত্ত্ব আহবান থাকলো সকলে মিলে সচেতন হই যেন আর কোন তাজা প্রাণ সড়কের অপঘাতে নিভে না যায়। পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়- এই স্লোগানে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আলম দীপেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব লিটন এরশাদ, যুগ্ন-মহাসচিব লায়ন গনি মিয়া বাবুল, অর্থ সম্পাদক নাসিম রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে আজাদ, আব্দুর রহমান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বেবী ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুল মঈন জয়, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুলী কাজী, সহ-প্রচার সম্পাদক সাফায়াত সাকিব, সহ-দপ্তর সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন, কার্যনির্বাহী সদস্য ফিরোজ আলম মিলন, নজরুল ইসলাম ফয়সাল প্রমুখ।

নিরাপদ সড়ক চাই এর জরুরী সংবাদ সম্মেলন-নিসচার কাজে সহযোগীতায় ভিডিওটি শেয়ার করবেন আশা রাখি। -এই পেইজ এর ভিডিও ডাউনলোড করে অন্য কোন ফেসবুক/ইউটিউব এ আপলোড করা থেকে বিরত থাকবেন সেই সাথে ভিডিও এডিট করে বক্তব্যের অংশ কেটে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে জনমতে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না। (প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে কর্তৃপক্ষ)।-ধন্যবাদ সবাইকে পাশে থাকার জন্য।

Posted by Ilias Kanchan on Monday, August 6, 2018

 

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)